শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:

ভোলা -২: বোরহানউদ্দিনে ভুয়া ম্যাজ্রিস্ট্রেট সেজে বাড়িতে-বাড়িতে তল্লাশি, ভাংচুর ও লুটপাট

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৮
  • ১০৩০ বার পঠিত

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার বড় মানিকা ইউনিয়নের মাহাবুদ্দিন হাওলাদার বাড়িতে ভুয়া ম্যাজ্রিস্ট্রেট সেজে তল্লাশি, ভাংচুর ও লুটপাট চালিয়েছে একদল দূর্বৃত্ত।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, আজ রোববার দুপুর ২টার দিকে ম্যাজিস্ট্রেট লেখা স্টিকার লাগানো একটি ও দাঙ্গা পুলিশ পরিচয়ে আরো একটি গাড়িতে করে মাহাবুদ্দিন হাওলাদার বাড়িতে প্রবেশ করে দূর্বৃত্তরা। এক পর্যায়ে ভোলা ২ আসানের বিএনপি প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহীমের মামাত ভাই ঢাকায় অবস্থানরত আকবর হোসেন এর ঘর তল্লাশির চেষ্টা করে। বাসায় অবস্থান করা আকবর হোসেনের মা, ছোট-ভাইদের স্ত্রী তল্লাশির পূর্বে লিখিত দিতে বলে। এরপর বাসার লোকদের মারধর করে জোর পূর্বক তল্লাশি শুরু করে। এসময় বাসার আসবাবপত্র ভাংচুর ও লুটপাট করে।

ভোলা-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহীম অভিযোগ করে এ প্রতিবেদককে জানান, ২০০১ সালের নির্বচনের পূর্বে ভুঁয়া সেনাবাহিনীর পোশাক পরে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বাড়িতে-বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে আওয়ামী ক্যাডাররা। সেই সময় তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে ভুঁয়া সেনাবাহিনীর পোশাক সহ ইমন বাহীনির ইমনকে গ্রেফতার করে।

এ ব্যাপারে বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো: আব্দুল কুদ্দুসকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তল্লাশির বিষয়টি অবহিত করা হলে তিনি জানান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কথিত তল্লাশির সময় ডাক বাংলায় রেষ্ট নিচ্ছিলেন। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করতে বলেন ইউওনও।

এদিকে ভোলা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মাসুদ আলম সিদ্দিকীকে মোবাইল ফোনে অবহিত করা হয়। কথিত তল্লাশির বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে বলে আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক।

তল্লাশির বিষয়ে বোরহানউদ্দিন উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাখাওয়াত হোসেন এ প্রতিবেদককে মোবাইল ফোনে জানান, তাঁর নেতৃত্বে কোন তল্লাশি চালানো হয়নি। ম্যাজিস্ট্রেট স্টিকারযুক্ত গাড়িতে করে কে বা কারা অভিযান চালিয়েছে এ সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না।

উল্লেখ্য যে, জনমনে বর্তমানে এ সংশয় আছে যে, ভোলা-২ নির্বাচনী এলাকা তথা সমগ্র ভোলা জেলায় আওয়ামী প্রার্থীর কর্মীরা নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার জন্য নানা রকম বেআইনি কর্মকা- চালিয়ে যাচ্ছেন। সেনাবাহিনী- নৌবাহিনী, র‌্যাব, কোষ্টগার্ড, বিজিবি, দাঙ্গা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের জ্যাকেটসহ বিভিন্ন বাহিনীর পোশাক সংগ্রহ করে সাধারণ ভোটরদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ভোট থেকে দুরে রাখার চেষ্টা চালাচ্ছে।

খবরপত্র/এমআই

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2018 Daily Khoborpatra
Theme Developed BY ThemesBazar.Com