শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
দুর্গাপুরে ছাত্রলীগকর্মী কাওসার তালুকদার এর খুনিদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন রংপুরের গঙ্গাচড়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত শরীয়তপুরে খেলাফত মজলিসের উদ্যোগে ধর্ষণ বিরোধী মানববন্ধন কাপাসিয়ায় চাচাত ভাইয়ের বিরুদ্ধে আমেরিকা প্রবাসীর পাল্টা সংবাদ সম্মেলন পঞ্চগড়-রাজশাহী রুটে চালু হলো আন্তঃনগর ট্রেন বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস এমপি নুরুল আমিন রুহুলের জন্মদিনে ব্যবসায়ী মফিজুল ইসলামের শুভেচ্ছা পূর্বধলা জামতলা বাজারে আগ্নিকান্ডে ২টি ঘর পুড়ে ভস্মিভূত : প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাওয়ার্ডে বিভাগে ১ম স্থান অর্জন ‘দেশকে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নেই’: সৈয়দ জাবেদ হোসেন মানবতার মুক্তির সনদ বিদায় হজের ভাষণ




বাজারে অসহায় ক্রেতা: বঞ্চিত কৃষক

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২০




নিত্যপণ্যের দামে আগুন। লাগাম টানা যাচ্ছে না। সরকারি নানা উদ্যোগের কথা বলা হলেও বাজারে কিছুতেই ফিরছে না স্বস্তি। কিছুদিন পর পর অস্বাভাবিক দাম বাড়ছে একেকটি পণ্যের। একবার বাড়লে আর কমার কোনো লক্ষণ নেই। এখন অনেক নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক দামে অসহায় হয়ে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। কিছুদিন আগে হঠাৎ করেই পিয়াজের দাম দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে যায়। এরপর আর দাম কমেনি। কিন্তু উৎপদান পর্যায়ে দাম কম থাকায় কৃষকরা বরাবরের মতোই বঞ্চিত হচ্ছে। বেগুনের ফলন দেখে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার ছায়কোট গ্রামের কৃষক আবদি মিয়ার মুখে ফুটেছিল তৃপ্তির হাসি। কিন্তু নিমসার হাটে সেই হাসি মিলিয়ে গেল তার। সপ্তাহ ঘুরেই বেগুনের দাম মণ প্রতি কমে গেছে ১০০ টাকা। গত হাটে পাইকারদের কাছে ভালো মানের বেগুন প্রতি মণ বিক্রি করেছিলেন এক হাজার ৫০০ টাকায়। তার দাম নেমে হয় এক হাজার ৪শ’ টাকা। ৪০ টাকা কেজি দরে বেগুন বিক্রি করতে কষ্ট হয় আবদি মিয়ার। অথচ তার বেগুনই হাত বদলেই শহরে বিক্রি হয় ৮০ টাকা কেজি দরে।
সংকট না থাকলেও বেড়েছে চালের দাম। এখন ২৫ টাকা কেজির আলু বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকারও বেশি দরে। সরকারি সংস্থা বলছে, আলুর কোনো সংকট নেই। সবমিলিয়ে বাজারে ৩০ টাকার বেশি দাম হওয়ার কথা না। কিন্তু গত কয়েক দিনে কেন বাড়তি দামে আলু বিক্রি হচ্ছে এর কারণও কেউ বলতে পারছেন না। বাজারে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজির কমে কোনো সবজি নেই। অন্য অনেক নিত্যপণ্যেরও দাম সাধারণ ক্রেতাদের অস্বস্তিতে ফেলেছে। বিশেষ করে করোনায় আয় কমে যাওয়া মানুষজন এখন বড় ভোগান্তিতে পড়েছেন নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে। কম আয়ে সংসার চালাতে তাই হাপিত্যেস করছেন অনেকে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত মে মাসে আলুর দাম ছিল প্রতিকেজি ১৫ থেকে ২০ টাকা। জুলাইয়ে এসে দাম বেড়ে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় ঠেকে। এতোদিন এই দাম স্থিতিশীল থাকার পর গত সপ্তাহে হঠাৎ করেই হাফ সেঞ্চুরি ছাড়িয়েছে আলুর দাম। খুচরা বাজারে মান ও প্রকারভেদে সস্তা এই পণ্যটি কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ইতিহাস গড়েছে। তবে ভোক্তা পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৩০ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রির জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) চিঠি দিয়েছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর। সম্প্রতি কৃষি বিপণন অধিদপ্তর থেকে ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এদিকে পিয়াজের বাজারও অস্থির অনেক দিন থেকে। এখনো জরুরি এই পণ্যটির দাম চড়া। মান ভেদে দেশি পিয়াজ কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা। আর আমদানি করা পিয়াজ ৬৫ থেকে ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ওদিকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এমন অজুহাতে সবজির বাজার এখন অনেকটা বেসামাল। বাজারে ৭০-৮০ টাকার নিচে কোনো সবজি পাওয়া যাচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরেই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে অধিকাংশ সবজি। এরমধ্যে দুই একটি সবজির কেজি ১০০ ছাড়িয়েছে। বাজারে টমেটো এখন ১০০ থেকে ১২০ টাকা, গাজর ৮০ থেকে ১০০ টাকা, শিম ১০০-১৩০, বরবটি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, বেগুনও ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে চালের দামও কোনো কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের পক্ষ থেকে মিল পর্যায়ে চালের দাম নির্ধারণ করে দেয়া হলেও এখনো বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে মোটা চালের দাম কেজিতে সর্বোচ্চ ৫২ টাকায় ঠেকেছে। মিনিকেট ও নাজিরশাইল চালের কেজি ৫৭ থেকে ৬২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৫৬ থেকে ৬০ টাকা। চাল ব্যবসায়ীরা বলছেন, মিলারদের কারসাজিতে চালের দর বাড়তি। তারা সিন্ডিকেট করে মিল পর্যায় থেকে সব ধরনের চালের দর বাড়িয়ে দিয়েছে। এ ছাড়া বাজারে আরো কিছু পণ্যের দাম চড়া।
শান্তিনগর বাজারের একজন সবজি বিক্রেতা জানান, বাজারে এখন সব সবজির দামই চড়া। বিশেষ করে টমেটো, কাঁচামরিচ, শিমসহ কয়েকটি সবজির আরো দাম বেশি। এ ছাড়া ৭০ টাকার নিচে কোনো সবজি বাজারে নেই। কাওরান বাজারের আলু বিক্রেতা জানান, পাল্লা প্রতি (৫ কেজি) আলু বিক্রি করছি ২৩০ থেকে ২৩৫ টাকায়। তবে ক্রেতা খুবই কম আসছে। তিনি বলেন, দাম বাড়লে তো আমাদের কিছু করার থাকে না। কারণ দাম বাড়ায় বড় ব্যবসায়ীরা। অথচ কাস্টমাররা আমাদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়েন।
হাতিরপুল কাঁচাবাজারে বাজার করতে আসা মোতালিব হোসেন বলেন, ছোট একটি চাকরি করি। বেতন যা পাই তা বাজার করতেই শেষ হয়ে যায়। এভাবে ঢাকা শহরে টেকা মুশকিল। আমরা ঢাকায় আসছি যেন কিছু আয় করতে পারি। অথচ আয়তো দূরের কথা বাসা ভাড়া-আর খাওয়ায় সব চলে যায়। বাজারে এসে দাম শুনলে মাথা ঘোরা শুরু হয়। প্রত্যেকটা জিনিসের দাম বেশি। এভাবে আর কতদিন। এই যে আপনারা এতো সংবাদ করেন। তাতেই বা কি লাভ হচ্ছে। সরকার কি এসব শুনছে? দেখছে? কোনো ব্যবস্থা তো নিতে দেখি না। মজুত করে যারা পণ্যের দাম বাড়ায় তারা কি সরকারের চেয়ে শক্তিশালী? তা না হলে দীর্ঘদিন ধরে একটা জিনিসের দাম এতো বেশি থাকে? পিয়াজ নিয়ে আর কেউ কথা বলছে না। আলু ৩০ থেকে ৫০ টাকা হইছে এটা নিয়ে কথা হচ্ছে। কিন্তু পিয়াজ তো এখনো ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একটা জিনিসের দাম কোনো কারণে বাড়তে পারে, তাই বলে এতোদিন স্থায়ী থাকার নজির খুব কম দেশেই আছে।
ওদিকে দাম নিয়ন্ত্রণে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর প্রতিদিনই অভিযান পরিচালনা করছে। অভিযানকালে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। প্রতিদিন জরিমানাও করা হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। তারপরও কাজ হচ্ছে না। বিভিন্ন অজুহাতে দাম বৃদ্ধি অব্যাহত রেখেছে তারা। কারসাজিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে বাজারে স্বস্তি ফিরবে না বলে মনে করেন ভোক্তারা। ওদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসনসহ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে গঠিত একটি টিম প্রতিদিন সকালে বাজার মনিটরিং করে থাকে। এই টিমের নির্দেশনা দেয়া রয়েছে, প্রতিটি বাজারে যেন মূল্য তালিকা টানানো থাকে এবং সেই মূল্য তালিকা অনুযায়ী যেন পণ্যের দাম রাখে ব্যবসায়ীরা।
বঞ্চিত কৃষক দালালরা কম দামেই লুটে নেয় সবজি: কুমিল্লার চান্দিনা, বুড়িচং এই দুই উপজেলায় সবচেয়ে বেশি সবজির ফলন হয়। কৃষকরা বেগুন, শসা, ঝিঙা, লাউ, পুঁইশাক, মরিচ, ডাঁটাশাক, পেঁপে ও কচুর লতি নিয়ে আসেন কুমিল্লার সবচেয়ে বড় বাজার নিমসার পাইকারি হাটে। সেখান থেকে প্রতিদিন অর্ধশত ট্রাক শাকসবজি নিয়ে রাজধানীসহ নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, সিলেট এবং অন্যান্য জেলায় যায়। কৃষি কর্মকর্তারা জানান, ওই সব জেলার শাকসবজির চাহিদার প্রায় ৪০ ভাগই পূরণ করেন কুমিল্লার কৃষকরা।
সরেজমিনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে অবস্থিত নিমসার সবজির হাটে গিয়ে দেখা যায়, পাইকারি ক্রেতারা সবজি কিনে ঝুড়িতে সাজাচ্ছেন। ঝুড়ি বোঝাই সবজি তোলা হচ্ছে ট্রাক অথবা পিকআপ ভ্যানে। হাটের কৃষকরা জানান বাজারে প্রতিমণ বেগুন এক হাজার ৪০০ টাকা, কাঁকরোল ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, শসা ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, পুঁইশাক ৪০০ টাকা, মরিচ এক হাজার ৮০০ থেকে দুই হাজার টাকা, পেঁপে ৫০০ টাকা, ঝিঙা ৯০০ টাকা, জলপাই ৮০০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিছ ৫০ থেকে ৫৫ টাকা পাইকারি দরে বিক্রি হচ্ছে। চান্দিনার শ্রীমন্তপুর গ্রামের সবজি চাষি শাহাজাহান মিয়া বলেন, দালালরা কম টাকা দিয়ে প্রায় জোর করেই সবজি নিয়ে যায়। তারা কমিশন নিয়ে পাইকারদের কাছে বিক্রি করে দেয় সেই সবজি। চাষিদের কাছ থেকে মরিচ কিনে বাজারেই পাইকারি বিক্রি করেন রমজান মিয়া। তিনি জানান, কৃষকের কাছ থেকে ১১০ টাকা কেজিতে মরিচ কিনে তিনি পাইকারদের কাছে ১৮০ টাকায় বিক্রি করেন।
চাষিদের অভিযোগ, দিন-রাত হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে সবজি চাষ করে কোনো রকমে খরচের টাকা তুলতে পারছেন তারা। মধ্যস্বত্বভোগী এক শ্রেণির ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে ইচ্ছেমতো দামে সবজি বিক্রি করে ব্যাপকভাবে লাভবান হচ্ছেন। সবজি চাষি আমির হোসেন জানান, তিনি এ বছর ২৪ শতক জমিতে লাউয়ের আবাদ করেছেন। প্রথম দিকে প্রতিটি লাউ বিক্রি করেছেন ৫০ থেকে ৬০ টাকা করে। এখন বিক্রি করছেন ৫০ থেকে ৫৫ টাকা দরে। এ দামে লাউ বিক্রি করে কোনো রকমে আবাদের খরচ উঠেছে বলে জানান তিনি। একই অভিযোগ কালাকচুয়া গ্রামের সবজি চাষি নজরুল জানান, বিক্রি করে আমাদের কোনো লাভ হচ্ছে না। পূর্ব পুরুষরা চাষ করে আসছে, তাই চাষ করি। সৈয়দপুর গ্রামের সাইফুল ১ মণ কাঁচা মরিচ নিয়ে এসেছেন হাটে। ১১০ টাকা কেজি দরে মরিচ বিক্রি করেছেন। তিনি বলেন, আড়তদার, ফড়িয়া ও ব্যাপারিরা এখানকার হাট নিয়ন্ত্রণ করেন। তারা যে দাম নির্ধারণ করে দেন, সেই দামেই আমাদের মাল বিক্রি করতে হয়। কৃষি উপকরণের দামের তুলনায় সবজির দাম খুবই কম। কাঁচা সবজি গাছে থাকলে নষ্ট হয়ে যায়। বাধ্য হয়ে তা বিক্রি করতে হয়।
এদিকে, পাইকাররা দাম বৃদ্ধির জন্য দায়ী করেছেন হাটের খাজনা, আড়তদারি ও পরিবহন খরচকে। তারা জানান কৃষকদের কাছ থেকে সবজি ক্রয় করার পর তা ভোক্তাদের কাছে পৌঁছাতে দ্বিগুণ খরচ পড়ে। তাই খুচরা বাজারে সবজি দাম বেড়ে যায়। নিমসার হাটে সবজি কিনতে আসা ঢাকার যাত্রাবাড়ি ব্যবসায়ী আকরাম হোসেন এবং টাঙ্গাইলের ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান জানান, তারা প্রতি কেজি পটল ৫০, কাঁচা মরিচ ১১০ টাকা কেজি দরে কিনেছেন। হাটের খাজনা, আড়তদারি ও পরিবহন খরচ দিয়ে ঢাকা পৌঁছাতে সবজির মূল্য দ্বিগুণ হয়ে যায়। এরপর তাদের লাভের প্রশ্ন থাকে। যাত্রাবাড়ি সবজি ব্যবসায়ী সেন্টু মিয়া বলেন, চাষির কাছ থেকে একটি লাউ ৫০ টাকায় কিনলে, ঢাকার বাজারে আবার আড়তদারি দিয়ে তা ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি না করলে লাভ হয় না।
কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ সুপারভাইজার নজরুল ইসলাম বলেন, কৃষকরা ন্যায্য দাম না পেলেও ভোক্তারা বেশি দাম দিয়েই সবজি কিনছেন। অথচ সবজি উৎপাদনে রীতিমতো বিপ্লব ঘটালেও এর দাম পাচ্ছেন না চাষিরা। আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করায় এই এলাকায় সবজির ফলন ভালো হচ্ছে। কিন্তু রাজধানী বা কুমিল্লা শহরে খুচরা বাজারে যে দামে সবজি বিক্রি হচ্ছে, এর তিন ভাগের এক ভাগ দামে পাইকারি বাজারে তা বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন স্থানীয় চাষিরা। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার কার্যকর উদ্যোগ নিলে এ অবস্থা থেকে বের হয়ে আসা সম্ভব হবে।
উৎপাদক ও বিশ্লেষকদের মতে, প্রক্রিয়াজাত করণের সুযোগ না থাকায় বাধ্য হয়েই এ এলাকার চাষিরা কম দামে সবজি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। কুমিল্লা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুরজিত দত্ত বলেন, এ জেলায় বিভিন্ন জাতের সবজি প্রচুর পরিমাণে উৎপাদন হয়ে থাকে। মৌসুমি সবজির আমদানি বাড়লে পাইকারি ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা সুযোগ বুঝে দাম কমিয়ে দেন। ফলে কৃষকরা কম দামে সবজি বিক্রি করতে বাধ্য হন। এতে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন কৃষক।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com