রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
বিশিষ্ট কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী ও সাংবাদিকদের সম্মানে দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের ইফতার মাহফিল ডিএসসিসিতে ‘পাবলিক হিয়ারিং ডে’ শক্তিশালী প্লেয়ারদের সঙ্গে সমঝোতা করলে খুব আরামে থাকা যেতো: আসিফ মাহমুদ কারো নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বদনাম করা বড় পাপ : মির্জা আব্বাস ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননায় ভূষিত হচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা বন্ধের ঘোষণা ইরানের এক দলের জায়গায় আরেক দল বসেছে, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি: নাহিদ সংসদের নেতিবাচক সংস্কৃতি মুছে ফেলতে চায় বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ মুড়িকাটা পেঁয়াজের দাম না পেয়ে মাথায় হাত চাষিদের ‘ভাগ্য পরিবর্তনে’ হোটেল পরিবর্তন করলো ভারতীয় দল

পিআর পদ্ধতিতে ১০০ আসনের উচ্চকক্ষ, ঐকমত্য কমিশনের সিদ্ধান্ত 

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫

সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্বের (পিআর) পদ্ধতিতে ১০০ আসনের উচ্চকক্ষ গঠনের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। গতকাল বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে দ্বিতীয় ধাপের ২৩তম দিনের সংলাপে দুপুরের বিরতির পরে এ সিদ্ধান্ত জানান কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ। দীর্ঘ আলোচনা সত্ত্বেও দলগুলোর মধ্যে ঐক্যমত্য না হওয়ায় এবং ভিন্নমত থাকায়, বিষয়টি কমিশনের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছিল। সেই দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে কমিশন এ সিদ্ধান্ত জানায়।
কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, উচ্চকক্ষের নিজস্ব কোনো আইন প্রণয়নের ক্ষমতা থাকবে না। তবে, অর্থবিল ব্যতীত অন্য সব বিল নি¤œকক্ষ ও উচ্চকক্ষ উভয় কক্ষে উপস্থাপন করতে হবে। উচ্চকক্ষ কোনো বিল স্থায়ীভাবে আটকে রাখতে পারবে না। এক মাসের বেশি বিল আটকে রাখলে, সেটিকে উচ্চকক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত বলে গণ্য করা হবে।
নি¤œকক্ষ কর্তৃক প্রস্তাবিত বিলগুলো পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করবে উচ্চকক্ষ এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তা অনুমোদন অথবা প্রত্যাখ্যান করতে হবে। যদি উচ্চকক্ষ কোনো বিল অনুমোদন করে, তবে উভয় কক্ষে পাস হওয়া বিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য পাঠানো হবে।
আর যদি উচ্চকক্ষ কোনো বিল প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে তা সংশোধনের সুপারিশসহ নি¤œকক্ষে পুনর্বিবেচনার জন্য পাঠানো হবে। নি¤œকক্ষ সেই সংশোধনগুলো আংশিক বা পূর্ণভাবে গ্রহণ কিংবা প্রত্যাখ্যান করতে পারবে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণার সাথে উচ্চকক্ষের প্রার্থী, যেখানে ১০ শতাংশ নারী থাকার কথা বলা আছে।
বিএনপি, লেবার পার্টি, এনডিএম, ১২ দলীয় জোট ও জাতীয়তাবাদী জোট পিআর পদ্ধতি হলে উচ্চকক্ষ চান না বলে দুপুরের বিরতির আগে জানানো হয়। দুপুরে কমিশনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘পিআর পদ্ধতি এবং উচ্চকক্ষের দায়িত্ব ও ভূমিকার সাথে ভিন্নমত পোষণ করে বিএনপিসহ কয়েকটি দল ও জোট। এ কথাটা লিখিত থাকলে আমরা সই করতে চাই না।’ দুপুরের আগের আলোচনায় তিনি বলেন, ‘পিআর পদ্ধতি হলে উচ্চকক্ষ চাই না।’ বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক বাস্তবতায় সিপিবি, বাসদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম এবং আমজনতার দল উচ্চকক্ষের বিরোধিতা করে।
নাগরিক ঐক্যের পক্ষ থেকে বলা হয়, আইন প্রণয়নের ক্ষমতা না থাকায় উচ্চকক্ষ চান না তারা। সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত যেকোনো বিল উচ্চকক্ষের সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পাস করতে হবে। তবে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন উচ্চকক্ষের দুই-তৃতীয়াংশের ভোটে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব করেন।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com