বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভ-ুল করতে কিছু মহল সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, এদের সব দাবি–দাওয়াই আসলে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে। তবে এসব দলের মনে যা-ই থাকুক, শেষ পর্যন্ত সবাইকে নির্বাচনে অংশ নিতেই হবে।
গতকাল সোমবার (১৭ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দলের উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ শিক্ষার রূপান্তর: একটি কৌশলগত রোডম্যাপ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, কিছু দলের সংস্কার প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য ছিল নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা খর্ব করা। “আরে ভাই, নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা কমালে দেশ চলবে কীভাবে? প্রধান নির্বাহীর হাত-পা বেঁধে দিলে তো পুরো রাষ্ট্রই ঝুঁকিতে পড়বে।”
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য আরও বলেন, নির্বাহী বিভাগ কখনো একা রাষ্ট্র চালায় না; সবাইকে নিয়ে পরিচালনা করতে হয়। “শেখ হাসিনা স্বৈরাচার ছিলেন বলে ভবিষ্যতের সব প্রধানমন্ত্রী স্বৈরাচার হয়ে যাবেন—এ কথাও ঠিক নয়।”
সালাহউদ্দিন আরও বলেন, বিএনপির প্রস্তাব ছিল—যদি বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন করা যায়, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠন করা যায়, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা যায়—তাহলে ভবিষ্যতে দেশে ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থানের আশঙ্কা থাকবেনা।
শেষে তিনি প্রধান উপদেষ্টার ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠানে সবাইকে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।