‘আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় চ্যালেঞ্জ হবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো গুজব বা অপপ্রচার রোধ করা। এজন্য নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে হবে। ১০ ডিসেম্বর বুধবার দুপুরে শেরপুর শহরের নিউমার্কেটস্থ আলীশান কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের মধ্যে ‘আন্তঃদলীয় সম্প্রীতি সংলাপ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় ওইসব কথা বলেন জেলার তিনটি নির্বাচনী আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীরা। আন্তর্জাতিক সংস্থা ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরাম, শেরপুর ওই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। সভায় বক্তারা বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রয়েছে। এই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নির্বাচন শেষ হওয়া পর্যন্ত ধরে রাখতে হবে। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে ফেইক আইডি দিয়ে নামে-বেনামে গুজব ও উস্কানিমূলক কথাসহ নানা ধরনের অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে। প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন গুরুত্ব দিয়ে এগুলো উদঘাটন করে যথাযথ ব্যবস্থা নিলে আগামী দিনের নির্বাচনী পরিবেশ ও রাজনৈতিক পরিবেশ আরও সুন্দর হবে। বক্তারা আরও বলেন, শেরপুর অনুন্নত একটি জেলা। এখানে রেললাইন, মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ কর্মসংস্থানের অভাব রয়েছে। শেরপুরকে উন্নত করতে হলে সকল রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের ঐক্যবদ্ধ থাকা খুবই জরুরি। মতবিনিময় সভায় সংসদ সদস্য প্রার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, সাবেক সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল, শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী মো. ফাহিম চৌধুরী, শেরপুর-১ (সদর) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, শেরপুর-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মু. গোলাম কিবরিয়া ও গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী কাজী হায়াত, শেরপুর-১ আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী আরিফ আহমেদ প্রমুখ। জেলা মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যক্ষ মামুনুর রশীদ পলাশের সভাপতিত্বে এবং মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আবু রায়হান রূপনের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট মো. সিরাজুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাফিজুর রহমান, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরামের প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ শওকত আহমেদ প্রমুখ। ওইসময় মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরামের অন্যান্য সদস্যগণসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও জেলায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।