আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীকে পেছনে ফেলে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন ধানের শীষ মার্কার হেভিওয়েট প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ। অপরদিকে দুর্বল প্রার্থীর নির্বাচন কুশীলবদের একজন জামায়াত নেতা মৌলানা সাবের আহমদের দাবী তাঁদের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুক ৮০ ভাগ এগিয়েছেন। কক্সবাজার-১ আসনে প্রার্থী মাত্র দু’জন হওয়ায় চায়ের দোকানেও জমছেনা নির্বাচনী আড্ডা। কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীদের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে কক্সবাজার-১ আসনে মনোনয়ন দাখিল করা পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। বৈধ প্রার্থীরা হলেন-বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুক এবং গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী আবদুল কাদের প্রাইম। অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী সরওয়ার আলম কুতুবী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলামের মনোনয়নপত্রে ত্রুটি ও অসংগতি থাকায় মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান। তবে ইতিমধ্যেই ধানের শীষের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদকে সমর্থন জানিয়ে সাংবাদিক সম্মেল করে নিজের প্রার্থীতা প্রত্যাহারে নিয়েছেন ৩য় প্রার্থী গণঅধিকার পরিষদ প্রার্থী আবদুল কাদের প্রাইম। তাই কক্সবাজার ১ আসনে ভোট যুদ্ধে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী ধানের শীষের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদের মুখোমুখি হচ্ছেন মুলত জামায়াত মনোনীত দাঁড়ি পাল্লার প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুক। চকরিয়া উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন, একটি পৌরসভা এবং পেকুয়া উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে কক্সবাজার-১ সংসদীয় আসন। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৯৫ জন। এর মধ্যে চকরিয়া উপজেলায় ভোটার ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৪৯৬ জন এবং পেকুয়া উপজেলায় ১ লাখ ৪৬ হাজার ৫৯৯ জন। উল্লেখ্য, গত ১১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ এবং ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।