সুন্দর ধরণীর বুকে বেঁচে থাকার জন্য চিকিৎসা সেবা অপরিহার্য। মানব শরীরের সুস্থতার জন্য চিকিৎসা সেবা পবিত্র আল কোরানেও সুস্পষ্ট ভাবে বর্ণিত আছে। সুন্দর স্বাস্থ্য হলে সুন্দর মন থাকে ফুরফুরে মেজাজে। আর সেই সূত্র ধরেই নেছারাবাদ উপজেলা বিগত সময়ে রাজনৈতিক ভাবে নানান দিক দিয়ে বৈশম্যের স্বীকার হয়েছে সাধারণ রোগীরা। নিদিষ্ট আসনের চেয়ে রোগীর সংখ্যা বেশী। নাজিরপুরের একাংশ সহ কাউখালি ও বানারীপাড়ার একটা অংশ প্রতিদিন সেবা নিতে আসে। সরকারি স্বাস্থ্য সেবার পাশাপাশি বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবার মান ভালো হওয়ার কারনে বর্তমান পরিস্থিতিকে মেনে নিতে হয়। ফলে পিরোজপুর জেলার মধ্যে নেছারাবাদ উপজেলা ভৌগোলিক দিক উন্নত হওয়ায় চরম অবহেলিত রোগী ভিড় করেন। যদিও রাজনৈতিক নেতাদের কারনে বিগত সময়ে কঠিন ষড়যন্ত্রের স্বীকার হচ্ছে নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। কঠিন বৈশম্যের কারনে নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা ভেঙে পড়েছিল আওয়ামী লীগের সময়ে। আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের সময়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্েেসর প্রতিটি সেক্টরে দুর্নীতির বাসা বেঁধেছিল। ফলে সাধারণ রোগীরা ছিল দারুণ অসহায় এবং এক ধরনের জিম্মি। ধর্মীয় বৈসম্য দিয়েও চরম নিন্দিত ও বিতর্কিত ছিল ডাঃ অরুণ বাবু। যথাযথ দায়িত্ব পালন করা নিয়ে ও দারুণ ভাবে প্রশ্ন উঁকি ঝুঁকি দিচ্ছিলোব। হিন্দু সম্প্রদায়ের ভদ্রলোক এবং আওয়ামী লীগের কারনে দুর্নীতিবাজ সাবেক টিএইচও পার পেয়ে গেছেন কৌশলে। স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটা অংশ সরাসরি ডাক্তার অরুণ বাবুকে সাপোর্ট দিয়ে আসছিলো। যদিও বর্তমান সময়ে অনেকাংশে দুর্নীতি মুক্ত হয়েছে। গত ০৫ আগষ্টের পর পরই সমগ্র বাংলাদেশের মধ্যে একটা গুনগত পরিবর্তন লক্ষ করা গেছে। যদিও আমরা সকলেই দোষে গুনে আর সেই আলোকে বর্তমান সময়ে স্বরূপকাঠি উপজেলার স্বাস্থ সেবার মান অনেকাংশে উন্নতি হয়েছে। সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে বিএনপি সহ জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির সুদৃষ্টির কারণে আপাতত দুর্নীতি থেকে আলোর পথ দেখতে শুরু হয়েছে। অবশ্য অবাক হওয়ার কিছু নেই কিন্তু সকলের সুপ্রিয় চিকিৎসক সাবেক আরএমও ডাঃ আসাদুজ্জামানের অবদান রয়েছে। বর্তমান সময়ে স্বরূপকাঠি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিএইচও ডাঃ আসাদুজ্জামান আসাদ। সাধারণ মানুষ সহ হতদরিদ্র রোগীরা বলেন, গরীবের ডাক্তার। আর সেই ডাক্তার আসাদুজ্জামান আসাদের নেতৃত্বে হাসপাতালের কাজে কর্মে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে বহুলাংশে। পরিস্কার পরিচ্ছন্নতাও চোখে পড়ার মত। মজার বিষয় রোগী দেখার সময়ে সেই এমআরদের দৌরাত্ম অনেকাংশে কমে গেছে। বিগত সময়ে হাসপাতাল ছিল আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের। কিন্তু বর্তমান সময়ে হাসপাতাটি হতদরিদ্র রোগী সহ সর্বস্তরের মানুষের। দায়িত্ব পালন করার পর থেকেই হাসপাতালের কাজে কর্মে পরিবর্তনের হাওয়া কমবেশি বইতে শুরু করে। অবশ্য সরকারি এম্বুলেন্স সেবার মান নিয়ে কিছুটা প্রশ্ন উঁকি ঝুঁকি দিচ্ছে সর্ব মহলে। কিন্তু বেসরকারি এম্বুলেন্স সেবার চেয়ে কোটি গুণ ভালো। অভিযোগ উঠেছে যতসামান্য টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি এম্বুলেন্স সেবার ভালো দিক অনেক সময় হতদরিদ্র পরিবারের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। সঠিক তথ্য উদঘাটন করার পর পরই অনেক কিছু জানা সম্ভব বলে ভুক্তভোগী বহু পরিবার গণ মাধ্যম কর্মীদের বলেন। ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি এম্বুলেন্স সেবা নেই। এছাড়াও বরিশাল বিভাগের মধ্যে প্রায় ০৫টি সরকারি হাসপাতালে এম্বুলেন্স সেবা নেই। সেই তুলনায় আমরা সৌভাগ্যের দাবীদার। এদিকে এতকিছুর পরও আমরা কিন্তু মানবতার সেবায় নিয়োজিত গরীবের ডাক্তার আসাদুজ্জামান আসাদের কথা না বললেই নয়। বর্তমান সময়ে একটা চমৎকার পরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে ক্রীড়া অনুরাগী এবং হতদরিদ্র রোগীদের সুপ্রিয় চিকিৎসক আসাদ। দলমত নির্বিশেষে নিঃসন্দেহে একজন মানবতার ডাক্তারের খেতাব পাওয়ার জোর দাবীদার।হত দরিদ্র পরিবারের সদস্যরা বর্তমান সময়ে চিকিৎসা সেবার মান নিয়ে কোন ধরনের প্রশ্ন উঁকি ঝুঁকি দেয় না। চলতি সময়ে একজন গরীবের ডাক্তারের জন্য মিডিয়া কর্মীরাও সহমত পোষণ করেন। আর সেই কারণে জয় হয়েছে বর্তমান সময়ের সরকারের। ছাত্র জনতার জয় হয়েছে। পাশাপাশি বর্তমান সময়ে সর্ববৃহৎ দল বিএনপির সুদৃষ্টির কারনেও মানবতার, জয় হয়েছে সাধারণ রোগীদের। মানবতার চিকিৎসক সাবেক আরএমও, আর বর্তমান সময়ে টিএইচও ডাঃ আসাদুজ্জামান তার চৌকস নৈপুণ্য দেখিয়ে দারুণ প্রশংসা পেয়েছে সর্বসাধারণের কাছে। আর সেই কারনে হতদরিদ্র রোগীরাও বেজার খুশি। বিগত আওয়ামী লীগের চেয়ে বর্তমান সময়ে হাসপাতালে ফিরে এসেছে প্রাণচাঞ্চল্য। সাধারণ মানুষ সহ হত দরিদ্র রোগীরা গরীবের ডাঃ আসাদুজ্জামানকে নিয়ে গর্ববোধ করেন।সরেজমিনে আসা গণ মাধ্যম কর্মীরাও সুপ্রিয় পাঠকের জন্য মানবতার সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক আসাদুজ্জামান আসাদের কথাই বলছিলাম। বিগত সময়ে স্বরূপকাঠি উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও নিয়ে কমবেশি রাজনীতি হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সময়ে নবরূপে সাজছে সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। বর্তমান সময়ে চিকিৎসা সেবা দিয়ে স্বরূপকাঠি উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটি সকলের সুনজরে। দায়িত্ব প্রাপ্ত সকল চিকিৎসকরাই বর্তমান সময়ে মানবতার চিকিৎসক আসাদুজ্জামান আসাদের পথে হাঁটছে। মূল কথা, মানবতার সেবায় নিয়োজিত থাকা। বর্তমান সময়ে মনখুলে মানুষ কথা বলতে পারেন সাধারণ রোগীরা।পরিপাটি পরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে গরীবের চিকিৎসক ডাঃ আসাদুজ্জামানের বদৌলতে। অথচ বিগত সময়ের তিক্ত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর ডাঃ আসাদুজ্জামান। যদিও পঞ্চাশ বেডের হাসপাতাল কাগজে কলমে রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে রয়েছে অর্ধেকেরও কম বেড। প্রতিদিন শত সংগ্রাম করে যাচ্ছে স্বল্প বেডের কারনে। চিকিৎসক ও রোগীদের আন্তরিকতার ছাপ থাকায় বেড সমস্যার কারণেও শীতের কষ্ট ভোগ করেন অনেক রোগীরা। অথচ রোগীরা একজন আসাদুজ্জামান ডাক্তারের বদৌলতে সবকিছু উপেক্ষা করতে সদা প্রস্তুত রয়েছে। আমাদের বরিশালের বিভাগের বেশ কয়েকজন অনুসন্ধানী গণ মাধ্যম কর্মী সহ স্বরূপকাঠি উপজেলার বহু গণমাধ্যম কর্মীরা সঠিক তথ্য উদঘাটন করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে ছিল। আর সেই সূত্র ধরেই মানবিক গুণাবলি দিয়ে একজন আসাদুজ্জামান ডাক্তার মানবতার সেবায় নিয়োজিত থাকার সত্যতা নিশ্চিত করা হয়। ডুবির খাদিজা(৫৯) সহ গয়েসকাঠীর শান্তি গাইন(৬৭), রূপালী মিস্ত্রি(১৬), হালিমা বেগম(৪৯), নিলুফা আক্তার(৮৪) এবং তাহমিনা হাফিজের সাথে কথা হয়। গণ মাধ্যম কর্মীদের জ্ঞাতার্থে বলেন, বিগত কয়েক বছর আগের চেয়ে বর্তমান সময়ে হাসপাতালে চমৎকার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। হাসপাতালের দায়িত্ব থাকা সকলেই আন্তরিক চিকিৎসা সেবা দিতে সক্ষম হয়েছে ।বিগত তিন বছরের মধ্যে এত সুন্দর পরিবেশ পরিলক্ষিত হয়নি। এদিকে পুরুষ ওয়ার্ডের মধ্যে বহু রোগীরা সরাসরি গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে ঝটপট বলেন অভিযোগ নয় বরং মানবতার সেবায় নিয়োজিত ডাঃ আসাদুজ্জামানের কথা বললেন। গগনের আঃ রশীদ(৫৯) সহ মোঃ মিজানুর রহমান(৪০) মিডিয়ার কাছে মনখুলে বলেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর পরই বুঝতে পারছি, বর্তমান সময়ে চমৎকার পরিবেশ কাজ করছে। সেবিকা সহ চিকিৎসকরা দেখাশুনা করে যাচ্ছে। বিগত আওয়ামী লীগের সময়ে স্বরূপকাঠি উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্েেস এত সুন্দর পরিবেশ ছিল না। আর সেই সূত্র ধরেই বর্তমান সময়ে স্বরূপকাঠি উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নুতন ধারায় সমাদৃত হচ্ছে সর্বমহলে। দলমত নির্বিশেষে সকল মানুষের ভালবাসার স্থান পাচ্ছে গরীবের ডাঃ আসাদুজ্জামান। বিগত সময়ের সাহসী পদক্ষেপ নেওয়া হত দরিদ্র পরিবারের শতশত রোগীদের প্রতিবাদ সহ কঠিন সংগ্রামের ফসল আজকের মানবতার সেবার চিকিৎসক আসাদুজ্জামান। একজন গরীবের ডাঃ আসাদুজ্জামানকে পেয়ে সাধারণ মানুষ বেজায় খুশি।
রাত নেই দিন নেই সদা প্রস্তুত মানবতার সেবায় নিয়োজিত ডাঃ আসাদুজ্জামান। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বিভাগের, জেলার ও উপজেলার বহু গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে কথা হয় স্বরূপকাঠি উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও, হত দরিদ্র মানুষের ডাঃ আসাদুজ্জামানের সাথে। মিডিয়ার প্রথম প্রশ্ন, আপনাকে কেন গরীবের ডাঃ বলা হয়? সদা হাস্যউজ্জাল ডাঃ আসাদুজ্জামান গণমাধ্যম কর্মীদের জ্ঞাতার্থে বলেন, আমি বাল্যকাল থেকেই মানবিক। মানুষের জন্য কাজ করতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। আমার পরিবারের আলাদা একটা নির্দেশনাও ছিল। আসলে আমি ডাক্তার হিসেবে নয় বরং সাধারণ মানুষের সেবা করতে চাই। তাই হয়তো সাধারণ মানুষ আমাকে হত দরিদ্র মানুষের ডাক্তার হিসেবে চিনেন। মিডিয়ার দ্বিতীয় প্রশ্ন, আপনি চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি শরীর স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য শারীরিক কসরত হিসেবে খেলাধুলাকে অন্য রকম মূল্যায়ন করেন।এবারও মুচকি হাসি দিয়ে বললেন, ঔষধ সেবনের পাশাপাশি শরীর স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য শারীরিক ফিটনেস অতীব জরুরী। তাই খেলাধূলার প্রতি বিশেষ দুর্বলতা আছে। আমি রোগীদের জন্য বরাবরই আন্তরিক চিকিৎসার জন্য। বিনা পারিশ্রমিকে অনেক রোগীর ব্যাবস্থা পত্র দেই। অন্য দিকে খেলাধুলার জন্য কেহ আসলে আমি সমর্থন অনুযায়ী সার্বিক সহযোগিতা করে থাকি। আপনারা সকলেই দোয়া করবেন আমি যেন সর্বদা মানুষের ভালবাসার প্রতিদান দিতে পারি। স্বরূপকাঠি উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটা চমৎকার পরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম হবো ইনশাআল্লাহ।