সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
শেরপুরে সরিষার বাম্পার ফলন নাজিরপুরের মাহামুদকান্দা মাদ্রাসার পরিচালনা পরিষদ কমিটিতে আবারও বিনা প্রতিদন্ধিতায় সভাপতি হলেন মিজানুর রহমান দুলাল পাখি কিনেন প্রভাবশালীরা, হরিণ শিকারও বেড়েছে গোদাগাড়ীতে পুরোদমে চলছে বোরো চাষবাদ নালিতাবাড়ীর নিশ্চিন্তপুর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ বরিশালে ৬ষ্ট ও ৭তম শ্রেণির সিলেবাস বাতিলের দাবীতে ইমাম সমিতির বিক্ষোভ সমাবেশ চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালীতে সামাজিক বনায়নের গাছ কাটা অতঃপর জব্দ শিক্ষা যেমন ডিজিটাল হচ্ছে তেমনি শিক্ষকদেরও ডিজিটাল হতে হবে- মনোহরদীতে শিল্পমন্ত্রী হারবাংয়ে জমি দখলে নিতে অসহায় মহিলার বসতভিটা আগুনে পুড়িয়ে দিলো দূর্বৃত্তরা আলফাডাঙ্গায় শিক্ষার্থীদের মাঝে কুরআন ও সনদ বিতরণ

যশোরের যশ খেজুরের রস

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২২

শীতের আগমনে খেজুর গুড়ের রাজধানী খ্যাত যশোরের বিভিন্ন এলাকায় রস আহরণ ও গুড় তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন গাছিরা। নভেম্বর মাসের প্রথম থেকেই পুরোদমে শুরু হয় রস আহরণের প্রস্তুতি।চলতি মাস ছাড়াও আগামি দু’মাস গাছিরা রস আহরণ ও গুড় তৈরি করবেন।শীতের বিকেলে খেজুর গাছ কেটে রস সংগ্রহের জন্য মাটির পাত্র গাছে বেঁধে ঝুলিয়ে রাখেন গাছিরা।ভোর সকালে ওই রস সংগ্রহ করে গুড় তৈরি করা হয়ে থাকে। যশোরের রস-গুড়ের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।সুপরিকল্পিত উদ্যোগ নেয়ার মাধ্যমে খেজুরের রস ও গুড়কে লাভজনক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে জানান গুড় উৎপাদনকারী একাধিক চাষি।
যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: মঞ্জুরুল হক বাসসকে জানান, বিশুদ্ধ খেজুর রস-গুড় উৎপাদনের লক্ষ্যে জেলার গাছিদের সঙ্গে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত যোগাযোগ রেখে যাচ্ছেন এবং তাদেরকে পরামর্শ দিচ্ছেন। গাছিদের আধুনিক পদ্ধতিতে রস সংগ্রহ থেকে শুরু করে বিশুদ্ধ গুড় উৎপাদন পর্যন্ত যা যা করার প্রয়োজন যেসব বিষয়ে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।এ জেলার খেজুর গুড়ের চাহিদা দেশে ও বিদেশে বেশি থাকায় এখানে বিশুদ্ধ গুড়ের বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান উপ-পরিচালক মো: মঞ্জুরুল হক যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ জেলায় মোট খেজুর গাছের সংখ্যা ১৬লাখ ৪১হাজার ১৫৫টি।এর মধ্যে রস উৎপাদিত হয় এমন খেজুর গাছের সংখ্যা ৩লাখ ৪৯হাজার ৯৫৫টি।এসব খেজুর গাছ থেকে বছরে ৫কোটি ২৪লাখ ৯৩হাজার ২৫০ লিটার রস উৎপাদিত হয়।বছরে গুড় উৎপাদিত হয় ৫২লাখ ৪৯হাজার ৩২৫ কেজি। যার মূল্য একশ কোটি টাকার উপরে।বর্তমানে জেলার ৮ উপজেলায় গাছির সংখ্যা প্রায় ১৩হাজার ২শ’ জন।
জেলার খাজুরার জয়নাল হোসেন ও গাছি লিয়াকত আলী বলেন, এখানকার খেজুরের গুড় ও পাটালীর চাহিদা দেশ-বিদেশে সর্বত্র রয়েছে। দুই দশক আগেও খাজুরা অঞ্চলে প্রচুর খেজুরের গাছ ছিলো।বর্তমানে আগের তুলনায় গাছ অনেকটা কমে গেছে।সরকারি উদ্যোগে নতুন করে খেজুরের চারা গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেয়ায় গাছিদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। এক ভাড় খেজুর রস একশ’ থেকে দেড়শ টাকায় এবং এককেজি বিশুদ্ধ খেজুর গুড় ৩৫০ টাকা থেকে ৪শ’ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়ে থাকে বলে তারা জানান।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com