ঢাকা ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সুনামগঞ্জে মাঠ জুড়ে রোপা আমন চারার সবুজের সমারোহ Logo পাবনার রুপপুরে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের ২য় চালনের গাড়িবহর Logo অবশেষে উদ্ধার হলো নাজিরপুরের আলোচিত ট্রলার ডুবির নিখোঁজ রিনা বেপারীর মৃত দেহ Logo রায়পুরে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা Logo বিজয়া দশমীতে নিমাগাছী মাতৃমন্দিরের উদ্যোগে ৬৩ অসহায় পরিবারের মাঝে বস্ত্র বিতরণ Logo সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মসজিদের ধানক্ষেতে তৃতীয়বার বিষ প্রয়োগের অভিযোগ! Logo দিনাজপুরে সিঁদুর খেলার মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় Logo সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য নিদর্শন এখন বাংলাদেশ-আমান উল্লাহ আমান Logo বুড়িচংয়ে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে র‌্যালি-আলোচনা সভা Logo মেলান্দহে অসহায় বৃদ্ধের পাশে ইউএনও জিন্নাতুল আরা, খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান

মেলান্দহে অসহায় বৃদ্ধের পাশে ইউএনও জিন্নাতুল আরা, খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত অসহায় এক বৃদ্ধের মানবেতর জীবনযাপনের খবর নজরে আসতেই তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিন্নাতুল আরা। বুধবার (২১ অক্টোবর ২০২৬) বিকেল ৫টার দিকে তিনি উপজেলার চরবানী পাকুরিয়া ইউনিয়নের ভাবকী এলাকার আটারবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা ৭৮ বছর বয়সী আজাহার আলী ও তাঁর পরিবারের হাতে জরুরি খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন। জানা যায়, ‘বিদেশি আজাহার মিয়া’ নামে পরিচিত এই প্রবীণ ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে চরম অভাব-অনটনের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন। দুবেলা দুমুঠো খাবার জোগাড় করতেও তাঁকে হিমশিম খেতে হচ্ছিল। তাঁর অসহায়ত্বের চিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাতুল আরার নজরে আসে। পরে তিনি দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে আজাহার আলী ও তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়ান। সহায়তা হিসেবে তাঁদের চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, চিনি, মুড়িসহ বিভিন্ন শুকনো খাবার এবং নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগে অসহায় পরিবারটির তাৎক্ষণিক খাদ্যসংকট কিছুটা হলেও লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাতুল আরা বলেন, সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। কোনো মানুষ যেন অভাবের কারণে অনাহারে দিন কাটাতে বাধ্য না হন, সে জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করতে চাই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বা অন্য কোনো মাধ্যমে অসহায় মানুষের দুর্দশার খবর পেলে যথাসাধ্য দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও দানশীল মানুষেরও উচিত মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এসব মানুষের পাশে দাঁড়ানো। স্থানীয়ভাবে অসহায় মানুষের পাশে প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। মানবিকতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এই দৃষ্টান্ত সমাজের অন্যান্য সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকেও অসহায় মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। মানবিকতার জয় হোক, কোনো মানুষ যেন ক্ষুধার্ত না থাকেÑএই হোক আমাদের সবার অঙ্গীকার।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সুনামগঞ্জে মাঠ জুড়ে রোপা আমন চারার সবুজের সমারোহ

মেলান্দহে অসহায় বৃদ্ধের পাশে ইউএনও জিন্নাতুল আরা, খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান

আপডেট সময় ০১:৪৯:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত অসহায় এক বৃদ্ধের মানবেতর জীবনযাপনের খবর নজরে আসতেই তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিন্নাতুল আরা। বুধবার (২১ অক্টোবর ২০২৬) বিকেল ৫টার দিকে তিনি উপজেলার চরবানী পাকুরিয়া ইউনিয়নের ভাবকী এলাকার আটারবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা ৭৮ বছর বয়সী আজাহার আলী ও তাঁর পরিবারের হাতে জরুরি খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন। জানা যায়, ‘বিদেশি আজাহার মিয়া’ নামে পরিচিত এই প্রবীণ ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে চরম অভাব-অনটনের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন। দুবেলা দুমুঠো খাবার জোগাড় করতেও তাঁকে হিমশিম খেতে হচ্ছিল। তাঁর অসহায়ত্বের চিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাতুল আরার নজরে আসে। পরে তিনি দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে আজাহার আলী ও তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়ান। সহায়তা হিসেবে তাঁদের চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, চিনি, মুড়িসহ বিভিন্ন শুকনো খাবার এবং নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগে অসহায় পরিবারটির তাৎক্ষণিক খাদ্যসংকট কিছুটা হলেও লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাতুল আরা বলেন, সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। কোনো মানুষ যেন অভাবের কারণে অনাহারে দিন কাটাতে বাধ্য না হন, সে জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করতে চাই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বা অন্য কোনো মাধ্যমে অসহায় মানুষের দুর্দশার খবর পেলে যথাসাধ্য দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও দানশীল মানুষেরও উচিত মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এসব মানুষের পাশে দাঁড়ানো। স্থানীয়ভাবে অসহায় মানুষের পাশে প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। মানবিকতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এই দৃষ্টান্ত সমাজের অন্যান্য সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকেও অসহায় মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। মানবিকতার জয় হোক, কোনো মানুষ যেন ক্ষুধার্ত না থাকেÑএই হোক আমাদের সবার অঙ্গীকার।