আকলম গ্রামের প্রয়াত আলহাজ্ব সৈয়েদুর রহমানের তিন সন্তান। জীবিত থাকা কালীন সময়ে আলহাজ্ব মোঃ সৈয়েদুর রহমান ছোট সন্তান মোঃ মাহমুদকে বাজারের প্রতিষ্ঠানের এক শতাংশ সম্পত্তি লিখে দেয়। অথচ প্রয়াত বাবা আলহাজ্ব মোঃ সৈয়েদুর রহমানের নির্দেশনা উপেক্ষা করে ছোট ভাইয়ের বাজারের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে রাতের অন্ধকারে তালা লাগিয়ে লাগিয়ে কঠিন বিতর্কিত হয়েছে মেঝ ভাই মামুন হোসেন। অণ্যের পরামর্শ অনুযায়ী একতরফা রামরাজত্ব কায়েম করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে রয়েছে মেঝ ভাই মামুন। অভিযোগ উঠেছে প্রয়াত আলহাজ্ব মোঃ সৈয়েদুর রহমান ও স্ত্রী আলহাজ্ব মোসাঃ ফরিদা বেগমের তিন সন্তান। ছোট ভাই মোঃ মাহমুদ হোসেন। মেঝ ভাই মামুন হোসেন(৫৫) এবং বড় ভাই মোঃ মাসুদ হোসেন। স্থানীয় সূত্র জানান গত (২১/১০/২৬ তারিখে) গভীর রাতে মামুন ও কিছু বিপদগামী লোকজন নিয়ে আপন ছোট ভাইরাস ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে গায়ের জোরে এবং আইনের তোয়াক্কা না করেই রাম রাজত্ব কায়েম করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে রয়েছে। একটা পক্ষের কুপরামর্শ অনুযায়ী ভাইয়ের বৈধ সম্পত্তির মালিক হওয়ার পরও বেআইনী ভাবে অপরাধে লিপ্ত হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য প্রয়াত আলহাজ্ব মোঃ সৈয়েদুর রহমানের ছোট সন্তান মোঃ মাহমুদ হোসেন গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আমার বাবা বিগত ১৫/০৬/২২ সালে স্বরূপকাঠি পৌরসভার মধ্যে হাসপাতাল সংলগ্ন প্রধান সড়কের পাশে হাজী সাইকেল স্টোরের এক শতাংশ সম্পত্তি বৈধ ভাবে আমাকে পাকাপোক্ত ভাবে লিখে দেওয়া হয়েছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল তা-ই বৈধ সম্পত্তির মালিক হয়ে জগন্নাথকাঠী বাজারে ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান চালিয়ে যাচ্ছি। অথচ আমার মেঝ ভাই বেয়াদব প্রকৃতির মোঃ মামুন অন্যের কুপরামর্শ অনুযায়ী গতরাতে আমার প্রতিষ্ঠানে অন্যায় ভাবে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। এব্যাপারে স্বরূপকাঠী প্রেসক্লাবের বেশ কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মী সহ বরিশাল বিভাগেরও বেশ কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মীরা মিলে সরাসরি সমগ্র বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানে যান স্বরূপকাঠীতে। বাস্তবে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। এবিষয়ে রাতের পাহারাদারের সাথে কথা বলার চেষ্টা করেন গণমাধ্যম কর্মীরা কিন্তু মুখ খুলেছেন না কোনমতে। অবশ্য জগন্নাথকাঠী (উত্তর) বাজার কমিটির স্বঘোষিত সভাপতি আনিস কাজী গণ মাধ্যম কর্মীদের কোন প্রশ্নের সঠিক জবাব দিতে হিমশিম খেতে হয়েছে।সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন আপনি নিশ্চয়ই অবগত আছেন, কাগজ পত্র অনুযায়ী জমির বৈধ মালিক আলহাজ্ব মোঃ সৈয়েদুর রহমানের ছোট সন্তান মোঃ মাহমুদ হোসেন। অথচ ভাই হলেই কি বেআইনী ভাবে রাতের অন্ধকারে ভাইয়ের প্রতিষ্ঠানে তালা লাগিয়ে দিতে পারেন? স্বঘোষিত সভাপতি আনিস কাজী সঠিক জবাব না দিয়ে বরং অন্য প্রসঙ্গে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এদিকে অভিযোগ উঠেছে হাজী সৈয়েদুর রহমানের মেঝ ভাই মামুন বেয়াদব প্রকৃতির। জীবিত থাকা কালীন সময়েই মা এবং বাবা জানতেন। বর্তমান সময়ে আপন মাকে মারধর করে বাসা থেকে তাড়িয়ে দিয়েছেন। এব্যাপারে মা আলহাজ্ব মোসাঃ ফরিদা বেগমের সাথে কথা হয় গণমাধ্যম কর্মীদের। তিনি বলেন, আমার মেঝ ছেলে চরম বিতর্কিত এবং বেয়াদব। আমার সন্তান বলতেও ঘৃণা হয়। বিগত সময়ে আমাকে মেরে আকলমের নিজ বাসা থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আল্লাহর গজব পড়বে, আমি অভিশাপ দিতে বাধ্য হচ্ছি। আমার ভীষণ কষ্ট হচ্ছে একারণে, আমার স্বামী আলহাজ্ব মোঃ সৈয়েদুর রহমান তার ছোট সন্তান মোঃ মাহমুদকে বাজারের এক শতাংশ সম্পত্তি বৈধ ভাবে লিখে দেওয়া হয়েছে। অথচ বেয়াদব এবং উশৃংখল স্বভাবের মামুন সন্ত্রাসী কায়দায় আপন ছোট ভাইয়ের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে রাতের অন্ধকারে তালা লাগিয়ে দেয়। পরের কুপরামর্শ অনুযায়ী আমার বেয়াদব ছেলে আরও নষ্ট হচ্ছে। রাষ্ট্রের আইন কানুনের তোয়াক্কা না করেই গায়ের জোরে সন্ত্রাসী কায়দায় রামরাজত্ব কায়েম করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে রয়েছে। এব্যাপারে কথা বলার চেষ্টা করেন বরিশাল বিভাগের গণমাধ্যম কর্মীরা। মোবাইলে কথা বলার সময় সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর পরই হুটহাট ফোন কেটে দেয়।
তবে প্রয়াত আলহাজ্ব মোঃ সৈয়েদুর রহমানের ছোট সন্তান মোঃ মাহমুদ হোসেন গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে রাতের অন্ধকারে তালা লাগিয়ে লাগিয়ে দেওয়ার অধিকার কে দিয়েছেন? আমি স্থানীয় বাজার কমিটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের প্রতি অনুরোধ, আপনারা সঠিক তথ্য উদঘাটন করার পর পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুরোধ রইলো। পাশাপাশি প্রশাসনের সুদৃষ্টি অতীব জরুরী। আমি বর্তমান সময়ে কঠিন নিরাপত্তা হীনতায় ভুগিতছি। আমি ন্যায় বিচার চাই। প্রকৃত অপরাধীদের কঠিন শাস্তি হোক। এদিকে স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, প্রথমে প্রয়াত আলহাজ্ব মোঃ সৈয়েদুর রহমানের স্ত্রী আলহাজ্ব মোসাঃ ফরিদা বেগমের অভিযোগ পাই। এরপর পাল্টা প্রয়াত আলহাজ্ব মোঃ সৈয়েদুর রহমানের মেঝ ভাই মামুনের অভিযোগ পাই। আমরা শান্তির পক্ষে। তবে এটাও সত্য রাতের অন্ধকারে তালা লাগিয়ে দেওয়া ঠিক হয়নি। কাগজ পত্র অনুযায়ী জমির বৈধ মালিক আলহাজ্ব মোঃ সৈয়েদুর রহমানের ছোট সন্তান মোঃ মাহমুদ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী প্রয়াত আলহাজ্ব মোঃ সৈয়েদুর রহমানের সহধর্মিণী আলহাজ্ব মোসাঃ ফরিদা বেগমের সাহসী পদক্ষেপ নিয়ে তালা ভেঙে ছোট সন্তান মোঃ মাহমুদ হোসেনের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয় বলে জানা যায়। অবশ্য বেয়াদব প্রকৃতির মোঃ মামুন দলবল নিয়ে একটা ঘোলাটে পরিবেশ সৃষ্টি করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে রয়েছে বলে জানা যায়।
সংবাদ শিরোনাম
জগন্নাথকাঠীতে রাতের অন্ধকারে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিষ্ঠানে তালা!
-
নিয়াজ মোর্শেদ (স্বরূপকাঠি) পিরোজপুর - আপডেট সময় ০১:৩৪:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
- 4
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ


















