বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান মধ্যস্থতায় এগিয়ে আসছে পাকিস্তান পর্যাপ্ত তেল আছে, পাম্পে দীর্ঘ লাইন দেওয়ার প্রয়োজন নেই: জ্বালানিমন্ত্রী সাবেক সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী গ্রেফতার জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি দেওয়ার অধ্যাদেশ গ্রহণ করবে সরকারি দল : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালকের সাক্ষাৎ ফ্রান্সের কোচ হতে জিদানের সম্মতি সুযোগ সীমিত: ফেসবুক পোস্টেই আয় ৩ হাজার ডলার বৃষ্টিতে চুলের যতœ নেবেন হ-য-ব-র-ল অবস্থায়ও ভালো আয় করছে শাকিব খানের ‘প্রিন্স’ শাওয়ালের ছয় রোজা: অল্প আমলে সারা বছরের সওয়াব

বৃষ্টিতে চুলের যতœ নেবেন

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬

বৃষ্টিতে শুধু প্রকৃতি নয়, বদলে যায় চুলের আচরণও। আর্দ্রতা, বৃষ্টির পানি আর ঘাম সব মিলিয়ে চুল হয়ে পড়ে নিস্তেজ, রুক্ষ ও জট পাকানো। অনেকেরই বাড়ে চুল পড়া, খুশকি কিংবা স্ক্যাল্পের নানা সমস্যা। তাই এই সময়ে চুলের যতেœ দরকার বাড়তি সচেতনতা আর সঠিক রুটিন। একটু যতœ আর কিছু সহজ অভ্যাসেই বৃষ্টি ভেজা দিনে চুল রাখতে পারেন সুস্থ, ঝলমলে ও প্রাণবন্ত।
বৃষ্টির সময় চুলের সুরক্ষা
বৃষ্টির পানি প্রায়ই অ্যাসিডিক থাকে, যা চুলের স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই বৃষ্টিতে বের হলে হালকা ও জলরোধী হুডি বা ছাতা ব্যবহার করা উচিত। যদি চুল ভিজে যায়, তা দ্রুত শুকিয়ে নিন এবং পরে বেণি বা খোঁপা করে রাখুন। এছাড়া টানা এসি বা ঠান্ডা বাতাসের সামনে দীর্ঘ সময় থাকাও এ সময় এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ চুলের জন্য ক্ষতিকর।
নিয়মিত চুলের যতœ
সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার চুল ধোয়া উচিত, যেন চুল ও ত্বকে জমে থাকা ধুলো, তেল ও ময়লা দূর হয়। তবে চুল ধোয়ার আগে ভালোভাবে চুলে তেল লাগানো জরুরি। নারকেল তেলের সঙ্গে আয়রন, আমন্ড, ক্যাস্টর বা তিলের তেল মিশিয়ে ব্যবহার করলে চুলের গোঁড়া মজবুত হয় এবং নতুন চুল গজায়। হট অয়েল ম্যাসাজ করলে মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, যা চুলের স্বাস্থ্য বাড়াতে সাহায্য করে।
চুলে তেল দেওয়ার পর ভালোভাবে শ্যাম্পু করুন। চুলে জীবাণু ও ফাঙ্গাসের সমস্যা রোধ করতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বা অ্যান্টিফাঙ্গাল শ্যাম্পু ব্যবহার করা যেতে পারে। ধোয়ার পরে কন্ডিশনার ব্যবহার করলে চুল মজবুত ও নরম হয়। এই সময়ে আর্দ্রতা বেশি থাকে, তাই চুলকে শুকনো রাখার জন্য অতিরিক্ত যতœ নেওয়া প্রয়োজন। চুল ধোয়ার পর পরিষ্কার ও নরম তোয়ালে ব্যবহার করুন এবং ভেজা চুল কখনো বাঁধবেন না। চিরুনি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রশস্ত বা মোটা দাঁতের চিরুনি বেছে নিলে চুলে জট কম হবে এবং চুল পড়াও কমে যাবে।
চুলের কাট ও স্টাইল
চুল পড়া বেশি হলে ছোট চুলের স্টাইল নেওয়াই সুবিধাজনক। ছোট চুল এখন ট্রেন্ডে থাকায় সহজেই নিজেকে আলাদা ভাবে উপস্থাপন করা যায়। লম্বা চুল থাকলে পড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যদি চুল ছোট করতে না চান, অন্তত চুলের আগা নিয়মিত ছাঁটতে পারেন, যা চুলকে আরও স্বাস্থ্যকর রাখে। এই সময়ে মিনিমাল হেয়ার স্টাইলিংই সেরা। চুলের দৈর্ঘ্য অনুযায়ী টাইট বান, উঁচু পনিটেল বা ছোট বেণি করা যায়।
পুষ্টিকর ডায়েটের গুরুত্ব
চুলের স্বাস্থ্য কেবল বাহ্যিক যতেœ নির্ভরশীল নয়। খাবারের মাধ্যমে পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করলে চুলও স্বাস্থ্যবান হয়। চুলের বৃদ্ধি, ঘনত্ব ও শক্তি নির্ভর করে বয়স, জেনেটিকস, স্বাস্থ্য, আবহাওয়া এবং খাদ্যের ওপর। যদিও বয়স ও জেনেটিকস পরিবর্তন করা যায় না, খাদ্য নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন বি-১২ ও ডি, বায়োটিন, রাইবোফ্ল্যাভিন, আয়রন ও অন্যান্য পুষ্টির ঘাটতি চুল পড়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। তাই ডিম, সবুজ শাক-সবজি, চর্বিযুক্ত মাছের মতো পুষ্টিকর খাবার ডায়েটে রাখা উচিত। এছাড়া শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতেও পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com