ঢাকা ০২:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা ছাড়া মননশীল রাজনৈতিক কর্মী ও নেতা তৈরি হয় না:এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের Logo বোয়ালমারী প্রাণিসম্পদ দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ; প্রশ্নের মুখে উন্নয়ন বরাদ্দ ও মাঠসেবা Logo ঈশ্বরগঞ্জে গভীর রাতে কৃষি ব্যাংকে ডাকাতির চেষ্টা-যুবক গ্রেফতার Logo সাংবাদিক আলিফ হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন Logo বালাগঞ্জ-ওসমানীনগর উপজেলা কল্যাণ সমিতি, সিলেটের নতুন কমিটি গঠন Logo সুনামগঞ্জের ৪৪৪টি পূজামন্ডপে সম্পন্ন হলো শারদীয় দুর্গাপূজা, প্রতিমা বির্সজনে সমাপ্ত Logo স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রচেষ্টায় সেই জলকদর খালে এবার নির্মিত হবে পাকা সেতু Logo রাউজান কদলপুরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রাক্তন ছাত্র সমিতির বই বিতরণ Logo মতলবে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬৪ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জগন্নাথকাঠীতে রাতের অন্ধকারে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিষ্ঠানে তালা!

পাহাড়ী ঢলে সুনামগঞ্জে বাড়ছে নদ নদীর পানি

ভারতের মেঘালয়ে অতিভারী বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকায় পাহাড়ি ঢল নেমেছে। এতে তিনটি উপজেলার নিম্নাঞ্চল আংশিকভাবে প্লাবিত হলেও শেষ পর্যন্ত ঢলের পানি নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় আপাতত বন্যার আশঙ্কা দূর হয়েছে। টানা ৩দিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় আকস্মিক বন্যার শঙ্কা দেখা দিলেও বর্তমানে সুনামগঞ্জের ছাতক,দোয়ারাবাজার ও তাহিরপুর উপজেলায় যান চলাচল স্বাভাবিক ও সড়ক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। ২০ জুন শনিবার পাহাড়ি ঢলে আনোয়ারপুর এলাকায় সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় সুনামগঞ্জ জেলা সদরের সঙ্গে তাহিরপুর উপজেলার যোগাযোগ সাময়িক সময়ের জন্য বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সোমবার (২২ জুন) মাত্র দুদিনের ব্যবধানে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি) জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতের মেঘালয়ের মাউসিনরামে ৫২৬ মিলিমিটার, মাওকিয়াতে ৩৮৫ মিলিমিটার ও চেরাপুঞ্জিতে ৩৩২ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। একই সময়ে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের লাউড়েরগড়ে ৮৭ মিলিমিটার ও সিলেটের জাফলংয়ে ৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে এফএফডব্লিউসি। গত রোববার (২১ জুন) সকালের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সুরমা নদীর পানি সুনামগঞ্জের ছাতক ও সদর পয়েন্ট, কুশিয়ারা নদীর পানি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্ট এবং সোমেশ্বরী নদীর পানি নেত্রকোণার কলমাকান্দা পয়েন্টে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হয়। এতে যেকোনো সময় বিপৎসীমা অতিক্রম করে নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হলেও সোমবার পানি কমতে শুরু করেছে। তাহিরপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান মানিক বলেন, ‘আনোয়ারপুর এলাকায় রাস্তার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে উপজেলা সদরের সঙ্গে সুনামগঞ্জ জেলা সদরের সড়ক যোগাযোগ আপাতত বিচ্ছিন্ন আছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দ্রুত সেখানে খেয়া নৌকা নিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে যেন মানুষ জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াত করতে পারে। আমরা সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।’ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন,সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৫৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলায় এই মুহুর্তে বড় ধরনের বন্যার কোন আশঙ্কা নেই। তবে নদ নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেতে পারে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা ছাড়া মননশীল রাজনৈতিক কর্মী ও নেতা তৈরি হয় না:এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের

পাহাড়ী ঢলে সুনামগঞ্জে বাড়ছে নদ নদীর পানি

আপডেট সময় ০৪:২৮:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

ভারতের মেঘালয়ে অতিভারী বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকায় পাহাড়ি ঢল নেমেছে। এতে তিনটি উপজেলার নিম্নাঞ্চল আংশিকভাবে প্লাবিত হলেও শেষ পর্যন্ত ঢলের পানি নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় আপাতত বন্যার আশঙ্কা দূর হয়েছে। টানা ৩দিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় আকস্মিক বন্যার শঙ্কা দেখা দিলেও বর্তমানে সুনামগঞ্জের ছাতক,দোয়ারাবাজার ও তাহিরপুর উপজেলায় যান চলাচল স্বাভাবিক ও সড়ক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। ২০ জুন শনিবার পাহাড়ি ঢলে আনোয়ারপুর এলাকায় সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় সুনামগঞ্জ জেলা সদরের সঙ্গে তাহিরপুর উপজেলার যোগাযোগ সাময়িক সময়ের জন্য বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সোমবার (২২ জুন) মাত্র দুদিনের ব্যবধানে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি) জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতের মেঘালয়ের মাউসিনরামে ৫২৬ মিলিমিটার, মাওকিয়াতে ৩৮৫ মিলিমিটার ও চেরাপুঞ্জিতে ৩৩২ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। একই সময়ে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের লাউড়েরগড়ে ৮৭ মিলিমিটার ও সিলেটের জাফলংয়ে ৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে এফএফডব্লিউসি। গত রোববার (২১ জুন) সকালের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সুরমা নদীর পানি সুনামগঞ্জের ছাতক ও সদর পয়েন্ট, কুশিয়ারা নদীর পানি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্ট এবং সোমেশ্বরী নদীর পানি নেত্রকোণার কলমাকান্দা পয়েন্টে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হয়। এতে যেকোনো সময় বিপৎসীমা অতিক্রম করে নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হলেও সোমবার পানি কমতে শুরু করেছে। তাহিরপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান মানিক বলেন, ‘আনোয়ারপুর এলাকায় রাস্তার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে উপজেলা সদরের সঙ্গে সুনামগঞ্জ জেলা সদরের সড়ক যোগাযোগ আপাতত বিচ্ছিন্ন আছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দ্রুত সেখানে খেয়া নৌকা নিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে যেন মানুষ জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াত করতে পারে। আমরা সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।’ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন,সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৫৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলায় এই মুহুর্তে বড় ধরনের বন্যার কোন আশঙ্কা নেই। তবে নদ নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেতে পারে।