সিলেটে টানা বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিলেট বিভাগের প্রায় সবকটি নদ-নদীর পানি বাড়ছে। সুরমা, কুশিয়ারা, সারিগোয়াইন ও পিয়াইন নদীর বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে পানির উচ্চতা গত কয়েক ঘণ্টায় বেড়েছে। এ পর্যন্ত কোনো নদীর কোনো পয়েন্টে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেনি বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, কুশিয়ারা নদীর অমলশিদ পয়েন্টে দুপুর ১২টায় পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৯২ মিটার, যা বিপদসীমার খুব কাছাকাছি। একই নদীর শেওলা পয়েন্টে পানির সমতল ছিল ১১ দশমিক ৪৫ মিটার। ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমা ১০ দশমিক ৮৫ মিটারের বিপরীতে পানির উচ্চতা ছিল ৯ দশমিক ৩৬ মিটার এবং শেরপুর পয়েন্টে বিপদসীমা ৮ দশমিক ৮৫ মিটারের বিপরীতে পানির সমতল ছিল ৮ দশমিক ২৭ মিটার। চারটি পয়েন্টেই পানি এখনো বিপদ সীমার নিচে রয়েছে। এ দিকে সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে দুপুরে পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৩০ মিটার। সেখানে বিপদসীমা ১২ দশমিক ৯২ মিটার। সিলেট পয়েন্টে বিপদসীমা ১০ দশমিক ৮০ মিটারের বিপরীতে পানির সমতল ছিল ৯ দশমিক ৪২ মিটার। দুই পয়েন্টেই পানি বিপদসীমার নিচে থাকলেও সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তা ছাড়া সারিগোয়াইন নদীর সারিঘাট পয়েন্টে পানির সমতল ছিল ১০ দশমিক ৯০ মিটার, যেখানে বিপদসীমা ১২ দশমিক ০৫ মিটার। গোয়াইনঘাট পয়েন্টে বিপদসীমা ১০ দশমিক ৮২ মিটারের বিপরীতে পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৪১ মিটার। পিয়াইন নদীর জাফলং পয়েন্টে পানির সমতল ছিল ১০ দশমিক ১১ মিটার। অন্যদিকে লোভাছড়া নদীর সোনাতলা পয়েন্টে পানির সমতল ১২ দশমিক ৯০ মিটার এবং ধলাই নদীর ইসলামপুর পয়েন্টে ৯ দশমিক ৩৫ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। এসব পয়েন্টেও পানি এখনো বিপদসীমার নিচে রয়েছে। সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, সিলেট অঞ্চলের নদ-নদীর পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ভারতের মেঘালয় এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় নদ-নদীর পানির সমতল আরও বাড়তে পারে। তবে পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখা হচ্ছে।
সংবাদ শিরোনাম
সিলেটে বন্যার আশঙ্কা সবক’টি নদ-নদীর পানি বাড়ছে
-
এম এ মতিন সিলেট ব্যুরো প্রধান - আপডেট সময় ০৩:১৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
- 77
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

























