ঢাকা ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo দুর্গাপূজা পালনে সকল নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo বাংলাদেশের পর্যটন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় যুক্তরাজ্য : ব্রিটিশ হাইকমিশনার Logo ক্যালিফোর্নিয়ায় গুগলের সদর দপ্তর পরিদর্শন বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের Logo ১৯ কার্গো এলএনজি আসছে ঘাটতির আশংকা নেই Logo দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo বিএনপি সরকারের উদ্যোগ : তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু Logo বাংলাদেশের বিপক্ষে শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া Logo ফোন নীরবে যে ৪ কাজ করে Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধ ঘর থেকেই শুরু হোক Logo মনের জটিল জট খোলার মতো ১০টি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার সিনেমা

তারাকান্দায় কাঠের সেতু নির্মাণে সাময়িক স্বস্তি, দ্রুত পাকা সেতুর দাবি এলাকাবাসীর

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার সীমান্তবর্তী উলামাকান্দি এলাকায় ধলাই নদীর ওপর একটি স্থায়ী পাকা সেতুর অভাবে দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সম্প্রতি উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে ও এলজিইডির অফিসের তত্ত্বাবধানে একটি কাঠের সেতু নির্মাণ হওয়ায় সাময়িকভাবে চলাচলের কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত একটি টেকসই পাকা সেতু নির্মাণ করা হোক। উলামাকান্দি গ্রামটি উপজেলার শেষ প্রান্তে অবস্থিত। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও এলাকায় গড়ে ওঠেনি পর্যাপ্ত শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য মৌলিক অবকাঠামো। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিটি নির্বাচনের আগে জনপ্রতিনিধিরা পাকা সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচনের পর তা আর বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেন না। ফলে বছরের পর বছর ধরে এলাকাবাসী অবহেলা ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের শিকার হয়ে আসছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, পাকা সেতু না থাকায় অ্যাম্বুলেন্স চলাচল সম্ভব হয় না। ফলে জরুরি রোগী, গর্ভবতী নারী ও অন্যান্য অসুস্থ ব্যক্তিদের সময় মতো উপজেলা ও জেলা হাসপাতালে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, উৎপাদিত কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারে নিতে না পারায় তারা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদেরও প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয় ও কলেজে যাতায়াত করতে হচ্ছে। উলামাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা খাইরুল আমিন ফকির বলেন, দীর্ঘ ৫৫ বছরেও এলাকাবাসীর এই সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। বর্তমানে উপজেলা এলজিইডির অর্থায়নে একটি কাঠের সেতু নির্মাণে চলাচলের কিছুটা স্বস্তি হয়েছে। মানুষের কল্যাণে উলামাকান্দি ফেরিঘাটে দ্রুত একটি পাকা সেতু নির্মাণ করা জরুরি। কামারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাঈমুর রহমান উজ্জ্বল বলেন, বর্তমান ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সেতুর পরিবর্তে ভবিষ্যতে একটি পূর্ণাঙ্গ পাকা সেতু নির্মাণের চেষ্টা চলছে। তারাকান্দা উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আয়েশা আখতার বলেন, জনগনের চলাচলে “বর্তমানে কাঠের সেতু স্থাপন করা হয়েছে। পাকা সেতুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রকল্প অনুমোদন পেলেই দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। উলামাকান্দি গ্রামের মোমেন কবির জুয়েল, লিটন সরকার, রাসেল ফকির, আব্দুর রশিদ, সুজন মিয়া, হুমায়ুন কবির, নজরুল ইসলাম, ফারুক হোসেন, লাভীন, জুলহাস উদ্দিন, রফিক, রুহুল মেম্বার, আবু রায়হান, রাফি তালুকদার, নজরুল ইসলাম রাজু তালুকদার, শরাফ উদ্দিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা সাংবাদিকদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উলামাকান্দি ফেরিঘাটে দুত একটি স্থায়ী পাকা সেতু নির্মাণের জোর দাবি জানান।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্গাপূজা পালনে সকল নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তারাকান্দায় কাঠের সেতু নির্মাণে সাময়িক স্বস্তি, দ্রুত পাকা সেতুর দাবি এলাকাবাসীর

আপডেট সময় ০২:১৬:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার সীমান্তবর্তী উলামাকান্দি এলাকায় ধলাই নদীর ওপর একটি স্থায়ী পাকা সেতুর অভাবে দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সম্প্রতি উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে ও এলজিইডির অফিসের তত্ত্বাবধানে একটি কাঠের সেতু নির্মাণ হওয়ায় সাময়িকভাবে চলাচলের কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত একটি টেকসই পাকা সেতু নির্মাণ করা হোক। উলামাকান্দি গ্রামটি উপজেলার শেষ প্রান্তে অবস্থিত। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও এলাকায় গড়ে ওঠেনি পর্যাপ্ত শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য মৌলিক অবকাঠামো। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিটি নির্বাচনের আগে জনপ্রতিনিধিরা পাকা সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচনের পর তা আর বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেন না। ফলে বছরের পর বছর ধরে এলাকাবাসী অবহেলা ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের শিকার হয়ে আসছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, পাকা সেতু না থাকায় অ্যাম্বুলেন্স চলাচল সম্ভব হয় না। ফলে জরুরি রোগী, গর্ভবতী নারী ও অন্যান্য অসুস্থ ব্যক্তিদের সময় মতো উপজেলা ও জেলা হাসপাতালে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, উৎপাদিত কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারে নিতে না পারায় তারা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদেরও প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয় ও কলেজে যাতায়াত করতে হচ্ছে। উলামাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা খাইরুল আমিন ফকির বলেন, দীর্ঘ ৫৫ বছরেও এলাকাবাসীর এই সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। বর্তমানে উপজেলা এলজিইডির অর্থায়নে একটি কাঠের সেতু নির্মাণে চলাচলের কিছুটা স্বস্তি হয়েছে। মানুষের কল্যাণে উলামাকান্দি ফেরিঘাটে দ্রুত একটি পাকা সেতু নির্মাণ করা জরুরি। কামারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাঈমুর রহমান উজ্জ্বল বলেন, বর্তমান ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সেতুর পরিবর্তে ভবিষ্যতে একটি পূর্ণাঙ্গ পাকা সেতু নির্মাণের চেষ্টা চলছে। তারাকান্দা উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আয়েশা আখতার বলেন, জনগনের চলাচলে “বর্তমানে কাঠের সেতু স্থাপন করা হয়েছে। পাকা সেতুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রকল্প অনুমোদন পেলেই দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। উলামাকান্দি গ্রামের মোমেন কবির জুয়েল, লিটন সরকার, রাসেল ফকির, আব্দুর রশিদ, সুজন মিয়া, হুমায়ুন কবির, নজরুল ইসলাম, ফারুক হোসেন, লাভীন, জুলহাস উদ্দিন, রফিক, রুহুল মেম্বার, আবু রায়হান, রাফি তালুকদার, নজরুল ইসলাম রাজু তালুকদার, শরাফ উদ্দিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা সাংবাদিকদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উলামাকান্দি ফেরিঘাটে দুত একটি স্থায়ী পাকা সেতু নির্মাণের জোর দাবি জানান।