শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

পাঁচবিবিতে বাঁশের তৈরী ফাঁদ ব্যবহারে হারিয়ে যাচ্ছে ছোট প্রজাতির মাছ

আব্দুল কাইয়ুম জয়পুরহাট :
  • আপডেট সময় বুধবার, ৫ জুলাই, ২০২৩

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় বাঁশের তৈরী ফাঁদ ব্যবহারের ফলে দেশী ছোট প্রজাতির মাছ রুপ কথা গল্পের মতো হয়ে যাচ্ছে। ফাঁদ ব্যবহারের কারণে বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছের পোনা ও মাছ উৎপাদন কমে যাচ্ছে। গ্রামগঞ্জে বাঁশের তৈরী ঢেল, ডেরু, চাটায়, খোলইসহ এসব বিভিন্ন নামের ফাঁদ জলাশয়ে পেতে মাছের বংশ নষ্ট করছে এক শ্রেণীর অসাধু শিকারিরা। অন্যদিকে বিভিন্ন খালে ও ডোবায় অধিকহারে কীটনাশক ব্যবহারের কারণে মাছের বংশ বিস্তার করতে পারছে না। এসব অবৈধ ফাঁদ প্রতিরোধ করতে না পারলে দেশীয় প্রতাজির মাছের উৎপাদন কমে যাবে। তারপরও থেমে নেই মাছ শিকারে অসাধু শিকারিরা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে অবৈধভাবে বাঁশের তৈরী ফাঁদ বিক্রি করে থাকে স্থানীয় সুবিধাভোগী ব্যবসায়ীরা। বৈশাখ থেকে ভাদ্র মাসের শেষ পর্যন্ত উপজেলার পৌরসভাসহ ৮টি ইউনিয়নের ধানের জমি ও খাল-বিলে, ডোবা-নালা ও নদীতে বাঁশের ফাঁদ পেতে বিভিন্ন প্রজাতির পোনা মাছ ও ডিমওয়ালা মাছ শিকার করা হয়। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মাছ শিকারের জন্য ব্যবহৃত নিয়ম-কানুন না মেনে অবৈধভাবে ফাঁদ পেতে মাছ শিকারের মেতে উঠেছে অসাধু শিকারিরা। এই সকল অসাধু শিকারির দুই সুতা পরিমাণ ফাঁকা রেখে বাঁশের ফাঁদ তৈরী করে ব্যবহার করছে। ফলে দেশীয় প্রজাতির মাছের বংশ নষ্ট করছে। আর দেশী মাছের প্রজনন কমে যাচ্ছে। অন্যদিকে এ অঞ্চলের মানুষের মাছের আকাল দিন দিন বেড়েই চলেছে। এমতাবস্থায় বাঁশের ফাঁদ ব্যবহার দ্রুত বন্ধ না করলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে দেশীয় মাছে রুপকথা গল্পের মতো থেকে যাবে। এ ব্যাপারে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন বলেন, বাঁশের তৈরী ফাঁদ মাছ শিকারের কারণে এই অঞ্চলে দেশীয় প্রজাতি মাছের উৎপাদন কমে যাচ্ছে। তবে এই বাঁশের ফাঁদগুলো ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকার জন্য উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে এবং খালগুলোতে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে অভিযান পরিচালনা করা হবে।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com