শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

বেলাবতে মোড়ে মোড়ে, ফুটপাতে পিঠার হাট, ক্রেতাদের ভীড়

বেলাব (নরসিংদী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৩

হালকা শীতের আমেজ শুরু। শীতের শুরুতেই নরসিংদী জেলার বেলার উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারের ফুটপাতে, মোড়ে মোড়ে বসেছে শীতের পিঠার দোকান। ভোজন রসিক বাঙালীর শত স্বাদের বাহারি খাবারের চাহিদা দেখা যায় এই শীতকালে। পিঠা এই ভোজন রসিকদের খাবারের সুস্বাদু আইটেম। শীতকালীন পিঠার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় পিঠা ভাপা ও চিতই। তাই এসব দোকানে ভাপা ও চিতইসহ নানা প্রকার পিঠা বিক্রি হয়। প্রতিদিন বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে এ বেচাকেনা। দোকানগুলোতে নানা রকম পিঠার স্বাদ নিতে ভিড় জমান নানান বয়স ও শ্রেণির মানুষ। বেলাব উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন বাজার ও মোড়ে মোড়ে ঘুরে দেখা গেছে ছোট-বড় অসংখ্য পিঠার দোকান। ক্রেতাদের আকর্ষণের জন্য পিঠাগুলোতে স্বাদমতো বিভিন্ন রকম উপকরণ মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে এসব পিঠা। কম দাম আর মজার স্বাদের এ পিঠার চাহিদা প্রচুর। সন্ধ্যার দিকে দোকানগুলোতে সিরিয়াল পড়ে যায়। দেশে শতাধিক ধরনের পিঠার প্রচলন রয়েছে। তবে ফুটপাতের পিঠার দোকানগুলোতে মাত্র কয়েক ধরনের পিঠা পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে- ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, ডিম চিতই, পাটিসাপটা পিঠা। ধরন অনুযায়ী এসব পিঠার দাম আলাদা। চিতই , ভাপা পিঠা, ডিম চিতই ও পাটিসাপটা পিঠা বিক্রি হয় ১০ টাকা করে। অনেক পিঠা খাওয়া হয় বিভিন্ন ধরনের ভর্তা দিয়ে। যেখানে রয়েছে- শুঁটকি, মরিচ ও সরিষার ভর্তা। উপজেলার পাটুলী ইউনিয়নের দুলুর মোড়ে দুটি পিঠার দোকানে প্রতিদিন শতশত মানুষ বিভিন্ন এলাকা থেকে পিঠা খেতে আসেন। পিঠা বিক্রেতা দুলুর দোকানে গিয়ে দেখা যায় নারকেল, কিচমিচ, খেজুর গুড়, বাদাম এসব দিয়ে তৈরি পিঠার স্বাদ নিতে রীতিমতো মানুষের ভীড় লেগে থাকে। দোকানী দুলু বলেন, আমার বিভিন্ন রকম পিঠা তৈরির জন্য আলাদা আলাদা লোক রয়েছে। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বিক্রি করি নানা ধরনের পিঠা। এতে দৈনিক আট থেকে দশ হাজার টাকা বিক্রি হয়। যেখান থেকে লাভ হয় তিন থেকে চার হাজার টাকা। আয়ের এ টাকায় স্ত্রী আর সন্তানদের নিয়ে সংসার চালাই। টঙ্গীরটেক মোড়ের পিঠা বিক্রেতা জানান, শীতকালে পিঠার চাহিদা অনেক বেশি। তৈরি করার সাথে সাথে বিক্রি হয়ে যায়। প্রচুর টাকা উপার্জন করতে পারি এ সময়। আমি মানুষের চাহিদা অনুযায়ী চিতই, ভাপা, তেলের পিঠা এসব তৈরি করি। পিঠা ক্রেতা স্কুলশিক্ষক রাজীব আফ্রাদ জানান, অনেক সময় ব্যস্ততার জন্য শখ থাকলেও বাসায় পিঠা তৈরি করা যায় না। তাই তৈরি করা পিঠা খেতে এসেছি। রাস্তার পাশের পিঠা হলেও এর স্বাদ অতুলনীয়। প্রায় নিয়মিতই পিঠা খাওয়ার পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের জন্যও কিছু নিয়ে যাই। আরেক ক্রেতা শেখ রিটন বলেন, ফুটপাতে অনেক ধরনের পিঠা বিক্রি হচ্ছে। শীতের মধ্যে গরম গরম ভাপা ও চিতই পিঠা খেতে ভালো লাগে। এজন্য এখান থেকে পিঠা কিনে খাচ্ছি। বাসার জন্যও কয়েকটি নিয়েছি। ফুটপাতের পিঠা হলেও এগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে যতœ নিয়ে তৈরি করা হয়।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com