রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নির্দেশনায় কেসিসির উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলমান অন্ধকার ভেদ করে আলোর পথে: মানবিক সহায়তায় ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন আল আমিনের খানজাহান অলির উদ্যোগে আবুল হোসেনের খানকা শরীফে বাৎসরিক ওরশ মোবারক পাইকগাছায় মানবাধিকার সাংবাদিক ফোরামের আহ্বায়ক কমিটি গঠন ঘুষের ভিডিও ভাইরাল: উল্টো সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা, মুন্সীগঞ্জে তীব্র ক্ষোভ রাউজানের ডাবুয়া প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ ওমান ও দুবাইয়ের আহবায়ক কমিটি গঠন দাগনভূঞায় পুলিশের অভিযানে ৮ কিশোর গ্যাং সদস্য আটক, মুচলেকায় মুক্তি জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার কারণেই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি-ত্রাণ মন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু নগরকান্দা ও সালথায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু মঠবাড়িয়ায় বসতঘর গুড়িয়ে মালামাল লুটের অভিযোগে থানায় মামলা

দ্রুত দেশে পৌঁছাবে হামসহ ১০ ধরনের টিকা: স্বাস্থ্য সচিব

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ও শিশু মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণে হামসহ ১০ ধরনের টিকার টাকা পরিষোধ করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে টিকা পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী।
গতকাল মঙ্গলাবার (৩১ মার্চ) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, হামসহ ১০ ধরনের টিকা সংগ্রহে সরকার এরই মধ্যে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে এবং এ অর্থ ইউনিসেফকে পরিশোধ করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে টিকা দেশে পৌঁছাবে এবং ডোজ হাতে পেলেই সারাদেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হবে।
সচিব বলেন, করোনা মহামারি চলাকালীন টিকাদান কার্যক্রমে কিছুটা স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল। সেই ঘাটতি পূরণে এবার বৃহৎ পরিসরে টিকাদান কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। যার মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।
রাজশাহীতে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে স্বাস্থ্য সচিব বলেন, রাজশাহীতে শিশু মৃত্যুর জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি। আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল। সেগুলোর ভিত্তিতে আমরা কাজ করছি। হাম নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যাওয়ার কথা বলা হচ্ছে এবং পত্রিকায় এসেছে। আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটা প্রতিবেদনও পেয়েছি, উনারা বলেছেন যে সবাই কিন্তু হামে মারা যায়নি। অন্য জটিলতা নিয়েও তারা হাসপাতালে এসেছিলেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে আমরা এটিকে নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।
তিনি বলেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর চাপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ১২০০ শয্যার এই হাসপাতালে বর্তমানে প্রায় ৩ হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসাধীন থাকায় সেবাদানে বিঘœ ঘটছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় হামে আক্রান্ত নয়, এমন জটিল রোগীদের বিকল্প হাসপাতালে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আইসোলেশন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা হচ্ছে। অতিরিক্ত শয্যা ও চিকিৎসা সুবিধা বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সচিব জানান, রাজশাহীতে নির্মাণ শেষ হওয়ার পরও পড়ে থাকা ২০০ শয্যার শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি চালু হলে চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর চাপ অনেকটাই কমবে। পাশাপশি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর ঘাটতি পূরণে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলোতে জনবল বাড়ানো হবে। সেইসঙ্গে হাসপাতালের সংকট মোকাবিলায় এরই মধ্যে নতুন ভেন্টিলেটর সরবরাহ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া চলছে।
এসময় স্বাস্থ্যের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, রাজশাহী মেডিকেল কালেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পিকে এম মাসুদ-উল-ইসলাম, রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাযার্চ অধ্যাপক ডা. জাওয়াদুল হক, রাজশাহী মেডিকেল কলেজর অধ্যাপক ড. খন্দকার মো. ফয়সাল আলম, রামেক হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সাহিদা ইয়াসমিনসহ হাসপাতালের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী ও চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com