শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

ভোগান্তি সঙ্গী করেই রাজধানীতে ফিরছে মানুষ

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১

সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধের সপ্তম দিনেও ভোগান্তিকে সঙ্গী করে রাজধানীতে ফিরছে সাধারণ মানুষ। এ সময় অনেককে রিকশা, ভ্যান, মোটরসাইকেলে আবার কেউ পায়ে হেঁটে নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছাতে দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) দুপুরে সাভার ও আশুলিয়ার বাসস্ট্যান্ড এলাকাগুলোতে লোকজনের ভিড় দেখা যায়। এ সময় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে নিজেদের গন্তব্যে যেতে দেখা যায়। লকডাউনের কারণে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় বেশিরভাগ মানুষকে রিকশাযোগে চলাচল করতে দেখা গেছে।
আফাজ ও বেলাল নামে দুইজন ঝাড়ু ব্যবসায়ী টাংগাইলের মধুপুর থেকে আশুলিয়ায় পৌঁছেছেন দুপুর ১২টায়। এর আগে ভোররাতে বাসা থেকে রওনা দেন তারা। রাস্তায় কখনো রিকশা, কখনো ভ্যান, আবার কখনো অটো, সিএনজিযোগে ঢাকায় ফিরেছেন। এর মধ্যে কিছু রাস্তা পায়ে হেঁটেও আসেন তারা। তারা জানান, হাতে কোনো টাকা-পয়সা না থাকলেও ধার দেনা করে অনেক বেশি টাকা ভাড়া দিয়ে সাভার পর্যন্ত আসলাম। সিরাজুল ইসলাম নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, সিরাজগঞ্জ থেকে হাইসে করে এসেছি। আমাকে গাজিপুরের চন্দ্রা নামিয়ে দিয়েছে। তার পরে রিকশা করে এখানে নবীনগর এসেছি। থাকি সাভার ব্যাংক টাউন এলাকায়। বাবা-মা এখানে থাকেন তাই চলে এসেছি। গ্রামে একা ঈদ করতে গিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।
ফরিদপুর থেকে আসা আশরাফ নামে এক বেসরকারি চাকরিজীবী বলেন, লকডাউন এতো কঠোর হবে বুঝতে পারিনি। আগেও তো লকডাউন দিয়েছে সরকার। তখন তো গাড়ি পাওয়া যেত, এখন তাও নেই। তিনি আক্ষেপ জানিয়ে বলেন, এভাবে চলতে থাকলে কী করবো আমরা বলেন। আমাদের তো গন্তব্যে পৌঁছানোর সুযোগ দেয়া উচিত ছিল। চাকরি বাঁচাতে হবে তাই চলে আসলাম।
উল্লেখ্য, ২৩ জুলাই ভোর ৬টা থেকে আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। এই সময়ে জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠান ছাড়া গণপরিবহন, শিল্প-কারখানা বন্ধ রয়েছে। এর আগে ঈদযাত্রার জন্য বিধিনিষেধে শিথিলতা দেয় সরকার। এই সুযোগে অনেকে গ্রামে ফেরে। পরে বিধিনিষেধের কারণে গণপরিবহন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেকে কর্মস্থলে ফিরতে বিপাকে পড়েন।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com