শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

জলঢাকায় মাঠ জুড়ে হলুদের ফুলে ফুলে ভরে গেছে পুরো ক্ষেত

রিয়াদুল ইসলাম (জলঢাকা) নীলফামারী :
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২২

নীলফামারী জলঢাকায় মাঠে মাঠে হলুদ বরণ সরিষা ফুলে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন। মাঠ জুড়ে চির সবুজের বুকে কাচা হলুদের রঙের উৎসব এনেছে। যা প্রকৃতিকে এনে দিয়েছে ভিন্ন রুপ। এ যেন প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য্যে। ফুলে ফুলে ভরে গেছে পুরো ক্ষেত। রঙের এই মেলায় প্রকৃতি যেন নিজের খেলায় হাসছে। হলুদের এই চোখ জুড়ানো দৃশ্য দেখে যে কারো মন জুড়িয়ে যাবে।কাচা হলুদের ছন্দে হাসি ফুটেছে সরিষা চাষির মুখে। খরচ কম ও কম সময়ে বেশি ফলন ও ভালো দাম পাওয়ার আশায় জলঢাকা উপজেলার কৃষকরা দিন দিন সরিষা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে। এ উপজেলায় তেমন একটা সরিষার চাষ না হলেও এ বছর কম বেশি অনেক এলাকায় সরিষার চাষ লক্ষ্য করা গেছে।এছাড়া কয়েকজন কৃষকের সাথে কথা বলে জানা যায়, সরিষা মুলত বোনাস ফসল। বীজ বপনের পর থেকে সর্বোচ্চ ৭০-৮৫ দিনের মধ্যেই সরিষা ঘরে তোলা যায়। অল্প পরিমাণ ইউরিয়া ও টিএসপি ছাড়া অন্য কোনো সারের প্রয়োজন হয় না। চারা গজানোর পর আগাছা ছাড়া কোনো পরিশ্রমের প্রয়োজন হয় না। তাই সরিষা চাষে বিঘা প্রতি সর্বোচ্চ ১৫০০ থেকে ২০০০ হাজার টাকা খরচ হয় বলে জানান সরিষা চাষিরা।প্রতি বিঘা জমিতে সরিষার ফলন হয় ৬-৭ মণ। যার বাজার মূল্য প্রায় ৯ থেকে ১১ হাজার টাকা।সে বিবেচনা করে কৃষকের লাভ থাকে ৭ থেকে ৯ হাজার টাকা।তাই কম খরচ লাভ বেশি হওয়ায় দিন দিন আগ্রহী হয়ে উঠছে এ উপজেলার সরিষা চাষিরা। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবার সদর উপজেলায় ৮৩০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে।এর মধ্যে বারি সারিষা-১৪, বারি সরিষা-১৫, বারি সরিষা-১৭ উল্লেখ যোগ্য হারে চাষ হয়েছে। উল্লেখ্য যে উপজেলায় এবার যে সরিষা চাষ হয়েছে তার বেশিরভাগই সরকারি প্রণোদনার আওতায় ভুক্ত। সরকারিভাবে উপজেলায় প্রদর্শনী ও দেওয়া আছে ৭০ জনের মধ্যে।এদিকে উপজেলায় আবাদের আনুমানিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪৯৪ মেট্রিক টন। উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা মীর হাসান আল বান্নার সাথে দৈনিক খবরপত্রের একান্ত সাক্ষাৎকার হলে তিনি জানান, জলঢাকা উপজেলা সরিষা চাষের জন্য খুবই উপযোগী। এবছর উপজেলায় ব্যাপক হারে সরিষার চাষ হয়েছে।এছারা এ ফসলের আবাদ খুবই লাভজনক।তাই দিন দিন এ অঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে সরিষা আবাদের আগ্রহ বাড়ছে। তিনি আরও জানান, সরিষার সঙ্গে মৌমাছির চাষ করে মধু সংগ্রহ করে বাড়তি আয় করতে পারে এ জন্য উপজেলার গোলমুন্ডা, কাঠালী শিমুলবাড়ী, শৌলমারী ও ডাউয়াবারী ৫ টি ইউনিয়নে মৌ-বক্স প্রধান করা হয়েছে।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com