সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

স্মরণ: কাজী মোতাহার হোসেন

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় সোমবার, ৮ আগস্ট, ২০২২

কাজী মোতাহার হোসেন একজন বাংলাদেশি পরিসংখ্যানবিদ, বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ। তার পৈতৃক বাড়ি তৎকালীন ফরিদপুর জেলার পাংশা উপজেলার বাগমারা গ্রামে। তবে তার জন্ম কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থানার লক্ষ্মীপুর গ্রামে মামাবাড়িতে; ১৮৯৭ সালের ৩০ জুলাই। মায়ের নাম তাসিরুন্নেসা। কাজী মোতাহার হোসেনের শিক্ষাজীবন শুরু হয় কুষ্টিয়াতেই। মেধাবী ছাত্র হিসেবে বৃত্তি নিয়ে ১৯০৭ সালে নি¤œ প্রাইমারি ও ১৯০৯ সালে উচ্চ প্রাইমারি পাস করেন। ১৯১৫ সালে কুষ্টিয়া মুসলিম হাই স্কুল থেকে মেট্রিক পরীক্ষায় পাস করে ভর্তি হন কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে। ১৯১৭ সালে রাজশাহী কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। ১৯১৯ সালে ঢাকা কলেজ থেকে পদার্থবিজ্ঞানে অনার্সসহ বিএ পরীক্ষায় বাংলা ও আসাম জোনে প্রথম স্থান অর্জন করেন। ১৯২১ সালে কলকাতা বিশ্ব^বিদ্যালয়ের অধীনে ঢাকা কলেজ থেকে পদার্থবিজ্ঞানে দ্বিতীয় শ্রেণিতে প্রথম স্থান নিয়ে এমএ পাস করেন। ১৯৩৮ সালে ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল ইনস্টিটিউট থেকে পরিসংখ্যান বিষয়ে ডিপ্লোমা ডিগ্রি লাভ করেন। যুগপৎভাবে কলকাতা বিশ্ব^বিদ্যালয় থেকে গণিতে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৫১ সালে ঢাকা বিশ্ব^বিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যানে পিএইচডি করেন। ১৯৫১ সালে তিনি পরিসংখ্যানে একজন রিডার ও ১৯৫৪ সালে অধ্যাপক হন। ১৯৬১ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ব^বিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণ করেন। কাজী মোতাহার হোসেন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন দাবা খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃত। বাংলাদেশে দাবা খেলার পথিকৃৎ হিসেবে তাকে সম্মানিত করা হয়। পুরস্কার : বাংলা একাডেমি পুরস্কার, স্বাধীনতা পুরস্কার। ১৯৮১ সালের ৯ অক্টোবর তিনি ঢাকায় মারা যান।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com