জয়পুরহাটে সড়কের দুই পাশে এখন চাষ হচ্ছে বিভিন্ন প্রকার সবজি। জয়পুরহাট-হিলি সড়কের ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে বসবাস করা ভূমিহীনরা পতিত জায়গায় সবজি চাষ করে আর্থিকভাবে বাড়তি আয় করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। আবাদকৃত সবজির মধ্যে রয়েছে তিল, মিষ্টি লাউ, সিম, মাশ কালাইসহ বিভিন্ন প্রকারের শাক । সড়কের দু’পাশেই প্রায় ৩শ মিটার পতিত জায়গায় বিদেশি ঘাসচাষ করেছেন পাঁচবিবি উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের ভুমিহীন সাইফুল ইসলাম।
সাইফুল বলেন, আমার নিজের জমি না থাকায় সবজি চাষ করতে পারতাম না। বর্তমানে সড়কের দুই পাশেই বিভিন্ন প্রকার সবজিসহ ঘাস চাষ করি। বাড়িতে লালন-পালন করা গৃহপালিত পশুকে খাওয়ানোর পরও আবার ঘাস বাজারে নিয়ে গিয়ে বিক্রিও করি। পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানার চম্পাতলী এলাকায় বাঁশ ও সুতা দিয়ে ঝাংলা বানিয়ে সিম মিষ্টি লাউ চাষ করছেন আশরাফ হোসেন। তিনি বলেন, এবছর সবজি চাষ করে খরচ বাদে প্রায় ৫০ হাজার টাকা আয় করেছি। এই বাড়তি আয় দিয়ে সংসার চালাই।
এছাড়াও কোকতারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে মাশকালাইর চাষ করেছেন রিয়াজ উদ্দিন। জয়পুরহাট সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জাকির হোসেন বলেন, জয়পুরহাট-হিলি সড়ক ছাড়াও জেলার অনেক সড়কেই এখন ভূমিহীনরা সবজি চাষ করছেন। রাস্তার নিরাপদ দূরত্বে বনবিভাগ, জেলা পরিষদসহ বিভিন্ন এনজিও গাছ লাগায় কিন্ত প্রাপ্তবয়সে ওইসব গাছ কাটতে অনুমতির প্রয়োজন হয়। গাছ ও সবজি চাষ করলে এসবের শিকড়ের কল্যাণে বর্ষার পানিতে রাস্তার ধারের মাটি ক্ষয় কম হয়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা আছে কোন জায়গা যেনো পতিত না থাকে-বলেন সড়ক বিভাগের এ কর্মকর্তা।