ঢাকা ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo পুঁজিবাজার প্রাতিষ্ঠানিক ও পুরোপুরি কাগজবিহীন করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর Logo ভিন্নমত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের শক্তি : মাহদী আমিন Logo রাজনৈতিক পরিচয়ে কারো প্রতি বৈষম্য হবে না : ৪৯তম বিসিএস প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo শাপলা এখন শরীয়তপুরের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবিকায়নের অংশ Logo বিনিয়োগ, এলএনজি সরবরাহ ও দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo সরকার সর্বশক্তি দিয়ে দেশে আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করবে: প্রধানমন্ত্রী Logo দল ছেড়ে ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় রোনালদো Logo কতদিন পরপর ফোন বদলাবেন? Logo মিষ্টি ভালো লাগলেও কম খাবেন যারা Logo ‘দুনিয়াদারি হোক যাই ভেতরে রবের জিকির চাই’, মিশা সওদাগর

উলিপুরে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে নদীর গর্ভে শতাধিক বাড়িঘর

কুড়িগ্রামের উলিপুরে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে এক কিলোমিটার এলাকায় গত বিশ দিনে প্রায় শতাধিক বাড়িঘর সহ হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ (ব্যারিবাঁধ)সহ বসুনিয়াপাড়ার প্রায় দুইশতাধিক বাড়ী-ঘর। জানাগেছে ,উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নে গত ২০ দিনের ব্যবধানে বসুনিয়াপাড়া এলাকায় তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে প্রায় শতাধিক বাড়ি ঘরসহ হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। এতে অনেকেই খোলা আকাশে নিচে মানবেতর জীবনযাপন যাপন করছেন। হুমকির মুখে রযেছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ (ব্যারিবাঁধ)সহ বসুনিয়াপাড়ার দুইশতাধিক বাড়ী-ঘরসহ হাজার হাজার ফসলী জমি। দলদলিয়া ইউনিয়নের বসুনিয়া পাড়া এলাকায় আবু বক্কর(৬৫) বলেন, সাত বার ঘর-বাড়ী ভাঙনের পরেও আবারো বাড়ি ঘর ভাঙলো। যাওয়ার মতো জায়গা নাই, পরিবার পরিজন নিয়ে খুব বিপদে আছি, টাকাও নাই কেমন করি সংসার চালাবো মহুবর রহমান(৬৫) বলেন, গত বর্ষা মৌসুমের আগে কর্পূরা ও বসুনিয়াপাড়া রক্ষায় কিছু জিও ব্যাগ ডাম্পিং করলেও তা খরস্রোতে নদীর গর্ভে চলে গেছে। বর্তমানে নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ভাঙ্গনের তীব্রতা বেড়েছে। আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমরা এলাকায়বাসীর পক্ষ থেকে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর স্যারের কাছে আবেদন দিয়েছি তিনি জানান, আমাদের কাছে বরাদ্দ নেই, আমরা এখন কোথায় যাবো। সরকারের কাছে অনুরোধ হামার নদী যেন বান্দি দেয় তা না হলে এই গ্রামটা বিলিন হওয়া যাইবে। সখিনা বেওয়া(৯০) ও আনোয়ারা বেওয়া( ৫০) বলেন, হামার ঘর বাড়ি ভাঙি যাওয়ায় মানুষের জায়গাত আছি খুব কষ্টে দিন যাচ্ছে সরকার যদি আমার দেখি দেখিল হয় তাহলে ভালো হতো। আব্দুল জলিল মিয়া বলেন, দুই পাশ্বে বস্তা দেয়া আছে মাঝ খানে প্রায় ১ কিলোমিটার বস্তা ফেলা নাই, যে ভাবে নদী ভাঙবের লাগছে কয়েক দিনের মধ্যে গ্রামটি মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে। তিস্তার ভাঙনে সর্বসান্ত হয়ে অনেকই ভিক্ষা করে সংসার চালাচ্ছে। উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ. টি. এম. আরিফ বলেন, ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি এবিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড কুড়িগ্রামকে জানানো হয়েছে। এবিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড, কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, জিও ব্যাগ শেষ হয়ে যাওয়ায় চাহিদা পাঠানো হয়েছে। এখনো অনুমোদন পাওয়া যায়নি। বরাদ্দ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পুঁজিবাজার প্রাতিষ্ঠানিক ও পুরোপুরি কাগজবিহীন করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর

উলিপুরে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে নদীর গর্ভে শতাধিক বাড়িঘর

আপডেট সময় ০৮:৪৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুড়িগ্রামের উলিপুরে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে এক কিলোমিটার এলাকায় গত বিশ দিনে প্রায় শতাধিক বাড়িঘর সহ হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ (ব্যারিবাঁধ)সহ বসুনিয়াপাড়ার প্রায় দুইশতাধিক বাড়ী-ঘর। জানাগেছে ,উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নে গত ২০ দিনের ব্যবধানে বসুনিয়াপাড়া এলাকায় তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে প্রায় শতাধিক বাড়ি ঘরসহ হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। এতে অনেকেই খোলা আকাশে নিচে মানবেতর জীবনযাপন যাপন করছেন। হুমকির মুখে রযেছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ (ব্যারিবাঁধ)সহ বসুনিয়াপাড়ার দুইশতাধিক বাড়ী-ঘরসহ হাজার হাজার ফসলী জমি। দলদলিয়া ইউনিয়নের বসুনিয়া পাড়া এলাকায় আবু বক্কর(৬৫) বলেন, সাত বার ঘর-বাড়ী ভাঙনের পরেও আবারো বাড়ি ঘর ভাঙলো। যাওয়ার মতো জায়গা নাই, পরিবার পরিজন নিয়ে খুব বিপদে আছি, টাকাও নাই কেমন করি সংসার চালাবো মহুবর রহমান(৬৫) বলেন, গত বর্ষা মৌসুমের আগে কর্পূরা ও বসুনিয়াপাড়া রক্ষায় কিছু জিও ব্যাগ ডাম্পিং করলেও তা খরস্রোতে নদীর গর্ভে চলে গেছে। বর্তমানে নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ভাঙ্গনের তীব্রতা বেড়েছে। আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমরা এলাকায়বাসীর পক্ষ থেকে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর স্যারের কাছে আবেদন দিয়েছি তিনি জানান, আমাদের কাছে বরাদ্দ নেই, আমরা এখন কোথায় যাবো। সরকারের কাছে অনুরোধ হামার নদী যেন বান্দি দেয় তা না হলে এই গ্রামটা বিলিন হওয়া যাইবে। সখিনা বেওয়া(৯০) ও আনোয়ারা বেওয়া( ৫০) বলেন, হামার ঘর বাড়ি ভাঙি যাওয়ায় মানুষের জায়গাত আছি খুব কষ্টে দিন যাচ্ছে সরকার যদি আমার দেখি দেখিল হয় তাহলে ভালো হতো। আব্দুল জলিল মিয়া বলেন, দুই পাশ্বে বস্তা দেয়া আছে মাঝ খানে প্রায় ১ কিলোমিটার বস্তা ফেলা নাই, যে ভাবে নদী ভাঙবের লাগছে কয়েক দিনের মধ্যে গ্রামটি মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে। তিস্তার ভাঙনে সর্বসান্ত হয়ে অনেকই ভিক্ষা করে সংসার চালাচ্ছে। উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ. টি. এম. আরিফ বলেন, ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি এবিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড কুড়িগ্রামকে জানানো হয়েছে। এবিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড, কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, জিও ব্যাগ শেষ হয়ে যাওয়ায় চাহিদা পাঠানো হয়েছে। এখনো অনুমোদন পাওয়া যায়নি। বরাদ্দ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।