ঢাকা ০২:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo দৌলতখানে গ্রামীণ সড়কের কোর নেটওয়ার্ক ও তথ্য যাচাই বিষয়ক কর্মশালা Logo মানিকগঞ্জে বাইচ প্রতিযোগিতায় মায়ের দোয়া নৌকা চ্যাম্পিয়ন Logo কুমিল্লায় অবৈধ ভাবে ইউনানী ঔষধ উৎপাদন কারখানা গড়ে উঠার অভিযোগ Logo কালীগঞ্জে চাকরিজীবী ছয় ভাইরাভাইয়ের ছয় বিঘার ফলবাগান Logo ফেসবুকে কর্নেল অলিকে হত্যার হুমকি, কিশোরগঞ্জে জাহানের গ্রেফতার দাবি Logo মাদক না ছাড়লে বাড়িতে টাঙানো হবে ‘এখানে সুলভ মূল্যে মাদক বিক্রি হয়’ ব্যানার Logo সুনামগঞ্জে আনারস চাষ সম্প্রসারণে কৃষকদের সাথে মতবিনিময় Logo রায়পুরায় ম্যারাথন প্রতিযোগিতা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা Logo শ্রীমঙ্গলে ক্রিকেট একাডেমি ও খেলোয়াড়দের জন্য নবনির্মিত ড্রেসিং রুম উদ্বোধন Logo টুঙ্গিপাড়া সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে কেমন হচ্ছে পাঠদান

প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ ও বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

একটি সমৃদ্ধ, জ্ঞানভিত্তিক ও মানবিক জাতি গঠনের লক্ষ্যে প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ, বৈষম্যহীন ও স্নেহ-মমতায় পরিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ মঙ্গলবার শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, আজকের শিশুই আগামী দিনের বাংলাদেশ। তাদের সুস্থ বিকাশ, আনন্দময় শৈশব, মানসম্মত শিক্ষা এবং মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশের ওপরই নির্ভর করছে একটি সমৃদ্ধ, জ্ঞানভিত্তিক ও মানবিক জাতি গঠনের ভবিষ্যৎ। তাই প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ, বৈষম্যহীন ও স্নেহ-মমতায় পরিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব।
তিনি বলেন, শিশুর সুরক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সার্বিক বিকাশে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মানসম্মত শিক্ষা, পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, ঝরে পড়া শিশু-কিশোরদের কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ প্রদান এবং শিশুবান্ধব বিচারব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য।
রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের সুবিধাবঞ্চিত, প্রতিবন্ধী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশুদের কাছেও এসব সেবা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দিতে আমাদের তৎপর হতে হবে।
শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, স্কুল পর্যায়ে বিভিন্ন খেলায় শিশুদের অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের ৬৪ জেলায় ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা, ‘স্পোর্টস কার্ড’ ও ক্রীড়া ভাতা চালু এবং তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভা অন্বেষণে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি পুনরায় চালু করা হয়েছে।
তিনি বলেন, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলার সমন্বিত চর্চার মধ্য দিয়ে শিশুরা জ্ঞান, মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে সমৃদ্ধ হয়ে গড়ে উঠবে। তাদের মেধা, মনন ও প্রতিভার যথাযথ বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারলে তারাই আগামী দিনে বাংলাদেশকে আরও সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলবে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, এবারের আয়োজন বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে, কারণ শিশু অধিকার দিবসের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী। পাঁচ দশক ধরে এ একাডেমি সংগীত, নৃত্য, চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি ও সাহিত্যসহ নানা সৃজনশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুদের প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনে দেশের প্রতিটি প্রান্তের প্রতিটি শিশুর কাছে এই সুযোগ ও সম্ভাবনার আলো আরও বিস্তৃতভাবে পৌঁছে যাবে।
রাষ্ট্রপতি শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
তিনি বলেন, বিশ্বের প্রতিটি শিশুর জীবন নিরাপদ, আনন্দময় ও আলোকিত হওয়াই সবার অঙ্গীকার হওয়া উচিত।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

দৌলতখানে গ্রামীণ সড়কের কোর নেটওয়ার্ক ও তথ্য যাচাই বিষয়ক কর্মশালা

প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ ও বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আপডেট সময় ০৬:৩৯:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

একটি সমৃদ্ধ, জ্ঞানভিত্তিক ও মানবিক জাতি গঠনের লক্ষ্যে প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ, বৈষম্যহীন ও স্নেহ-মমতায় পরিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ মঙ্গলবার শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, আজকের শিশুই আগামী দিনের বাংলাদেশ। তাদের সুস্থ বিকাশ, আনন্দময় শৈশব, মানসম্মত শিক্ষা এবং মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশের ওপরই নির্ভর করছে একটি সমৃদ্ধ, জ্ঞানভিত্তিক ও মানবিক জাতি গঠনের ভবিষ্যৎ। তাই প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ, বৈষম্যহীন ও স্নেহ-মমতায় পরিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব।
তিনি বলেন, শিশুর সুরক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সার্বিক বিকাশে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মানসম্মত শিক্ষা, পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, ঝরে পড়া শিশু-কিশোরদের কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ প্রদান এবং শিশুবান্ধব বিচারব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য।
রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের সুবিধাবঞ্চিত, প্রতিবন্ধী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশুদের কাছেও এসব সেবা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দিতে আমাদের তৎপর হতে হবে।
শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, স্কুল পর্যায়ে বিভিন্ন খেলায় শিশুদের অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের ৬৪ জেলায় ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা, ‘স্পোর্টস কার্ড’ ও ক্রীড়া ভাতা চালু এবং তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভা অন্বেষণে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি পুনরায় চালু করা হয়েছে।
তিনি বলেন, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলার সমন্বিত চর্চার মধ্য দিয়ে শিশুরা জ্ঞান, মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে সমৃদ্ধ হয়ে গড়ে উঠবে। তাদের মেধা, মনন ও প্রতিভার যথাযথ বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারলে তারাই আগামী দিনে বাংলাদেশকে আরও সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলবে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, এবারের আয়োজন বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে, কারণ শিশু অধিকার দিবসের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী। পাঁচ দশক ধরে এ একাডেমি সংগীত, নৃত্য, চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি ও সাহিত্যসহ নানা সৃজনশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুদের প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনে দেশের প্রতিটি প্রান্তের প্রতিটি শিশুর কাছে এই সুযোগ ও সম্ভাবনার আলো আরও বিস্তৃতভাবে পৌঁছে যাবে।
রাষ্ট্রপতি শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
তিনি বলেন, বিশ্বের প্রতিটি শিশুর জীবন নিরাপদ, আনন্দময় ও আলোকিত হওয়াই সবার অঙ্গীকার হওয়া উচিত।