ঢাকা ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo পলাশবাড়ীতে প্রায় ৩০ কিঃ মিঃ রাস্তায় বৃক্ষ রোপণ করে অমর হয়ে আছেন আব্দুল হাকিম মাস্টার Logo রৌমারীতে বলগেট ও ড্রেজারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে নদী ভাঙ্গনে নিঃস্ব এলাকার মানুষ Logo রায়গঞ্জে ছয় ওয়ার্ড নিয়ে নতুন ইউনিয়ন গঠনের উদ্যোগ, গণশুনানি Logo পাবনা জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে প্রস্তাব প্রেরণ সংক্রান্ত সভা Logo লামায় ইউএনওকে বিদায় সংবর্ধনা Logo মঠবাড়িয়ায় বাড়তি দামেও পাওয়া যাচ্ছে না রান্নার এলপিজি গ্যাস Logo জাতীয় কন্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে খুলনায় র‌্যালী ও আলোচনা সভা Logo ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় বিলুপ্তির পথে বড়দিয়া বাজার Logo ‘অধিকার’এর ৩২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী নোয়াখালীতে আলোচনা ও মতবিনিময় Logo সুন্দরবনে সম্রাট বাহিনীর হাত থেকে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪ জেলে উদ্ধার

অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড

অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড। ছবি: সংগৃহীত

ম্যাক্রোইকোনমিক স্থায়িত্বের মাইক্রোইকোনমিক ভিত্তি তৈরির গবেষণার জন্য ২০২৬ সালের অর্থনীতিতে মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কার (স্ভেরিজেস রিকসব্যাংক প্রাইজ) পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই অর্থনীতিবিদ রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড। হল ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং উডফোর্ড নিউইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।
গতকাল সোমবার (১২ অক্টোবর) রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস ঘোষণা করেছে, এবারের বিজয়ীরা এমন নতুন সামষ্টিক অর্থনৈতিক মডেল তৈরি করেছেন, যা স্থিতিশীলতা নীতি বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাপী সক্ষমতা বাড়িয়েছে। এই মডেলের ওপর ভিত্তি করে সময়মতো রাজকোষীয় ও মুদ্রানীতি নিলে অর্থনীতির উত্থান-পতন নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়।
অর্থনীতি মন্দা ও প্রবৃদ্ধির চক্রে চলে। কেইনসীয় নীতির পর থেকে স্থিতিশীলতা নীতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের সময় পুরনো কেইনসীয় মডেলগুলো কাজ করেনি। বেকারত্ব কমেনি, উল্টো মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। ফলে পশ্চিমা দেশগুলোতে একসঙ্গে নিম্ন প্রবৃদ্ধি, উচ্চ বেকারত্ব ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি দেখা দিয়েছিল।
হল ও উডফোর্ড দেখিয়েছেন, অর্থনৈতিক মডেল নতুন করে সাজালে স্থিতিশীলতা নীতিকে আবার কার্যকর করা যায়। তারা শুধু মূল্যস্ফীতি, উৎপাদন বা ভোগের পরিসংখ্যানের ওপর নির্ভর করেননি। পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সূক্ষ্ম সিদ্ধান্তকেও মডেলে জায়গা দিয়েছেন। মানুষ ও প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতের কথা ভেবে সঞ্চয় করে বা দাম নির্ধারণ করে এই বাস্তবতাকেই তারা গুরুত্ব দিয়েছেন।
পুরস্কার কমিটির চেয়ারম্যান জন হাসলার বলেছেন, বিজয়ীদের কাজ আমাদের একটা মজবুত তাত্ত্বিক ভিত্তি দিয়েছে। এখন বিশ্বের অনেক কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকার এটা ব্যবহার করছে। জ্বালানি সংকট বা হঠাৎ ভোগ কমে যাওয়ার মতো ধাক্কা সামলাতে আমরা আগের চেয়ে ভালো প্রস্তুত।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পলাশবাড়ীতে প্রায় ৩০ কিঃ মিঃ রাস্তায় বৃক্ষ রোপণ করে অমর হয়ে আছেন আব্দুল হাকিম মাস্টার

অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড

আপডেট সময় ০৯:০১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

ম্যাক্রোইকোনমিক স্থায়িত্বের মাইক্রোইকোনমিক ভিত্তি তৈরির গবেষণার জন্য ২০২৬ সালের অর্থনীতিতে মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কার (স্ভেরিজেস রিকসব্যাংক প্রাইজ) পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই অর্থনীতিবিদ রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড। হল ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং উডফোর্ড নিউইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।
গতকাল সোমবার (১২ অক্টোবর) রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস ঘোষণা করেছে, এবারের বিজয়ীরা এমন নতুন সামষ্টিক অর্থনৈতিক মডেল তৈরি করেছেন, যা স্থিতিশীলতা নীতি বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাপী সক্ষমতা বাড়িয়েছে। এই মডেলের ওপর ভিত্তি করে সময়মতো রাজকোষীয় ও মুদ্রানীতি নিলে অর্থনীতির উত্থান-পতন নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়।
অর্থনীতি মন্দা ও প্রবৃদ্ধির চক্রে চলে। কেইনসীয় নীতির পর থেকে স্থিতিশীলতা নীতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের সময় পুরনো কেইনসীয় মডেলগুলো কাজ করেনি। বেকারত্ব কমেনি, উল্টো মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। ফলে পশ্চিমা দেশগুলোতে একসঙ্গে নিম্ন প্রবৃদ্ধি, উচ্চ বেকারত্ব ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি দেখা দিয়েছিল।
হল ও উডফোর্ড দেখিয়েছেন, অর্থনৈতিক মডেল নতুন করে সাজালে স্থিতিশীলতা নীতিকে আবার কার্যকর করা যায়। তারা শুধু মূল্যস্ফীতি, উৎপাদন বা ভোগের পরিসংখ্যানের ওপর নির্ভর করেননি। পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সূক্ষ্ম সিদ্ধান্তকেও মডেলে জায়গা দিয়েছেন। মানুষ ও প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতের কথা ভেবে সঞ্চয় করে বা দাম নির্ধারণ করে এই বাস্তবতাকেই তারা গুরুত্ব দিয়েছেন।
পুরস্কার কমিটির চেয়ারম্যান জন হাসলার বলেছেন, বিজয়ীদের কাজ আমাদের একটা মজবুত তাত্ত্বিক ভিত্তি দিয়েছে। এখন বিশ্বের অনেক কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকার এটা ব্যবহার করছে। জ্বালানি সংকট বা হঠাৎ ভোগ কমে যাওয়ার মতো ধাক্কা সামলাতে আমরা আগের চেয়ে ভালো প্রস্তুত।