ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড Logo নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo ফ্যামিলি কার্ডের ডাটাবেজে আসবে সাড়ে ৪ কোটি পরিবার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী Logo বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে ১২.৭৮ শতাংশ Logo দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে নারীস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে : জুবাইদা রহমান Logo কবি ও সম্পাদক আবদুল হাই শিকদারকে চেয়ারম্যান করে বাসস পরিচালনা বোর্ড গঠন Logo সরকার প্রধান হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী Logo পাকিস্তানের ২১ বছরের ব্যাটারের তাণ্ডবে শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে সিরিজ জয় Logo বিমানে পাওয়ার ব্যাংক বিস্ফোরণ এড়াতে করণীয় Logo ৩০ মিনিটে ঘর গোছাবেন করবেন যেভাবে

অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড

অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড। ছবি: সংগৃহীত

ম্যাক্রোইকোনমিক স্থায়িত্বের মাইক্রোইকোনমিক ভিত্তি তৈরির গবেষণার জন্য ২০২৬ সালের অর্থনীতিতে মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কার (স্ভেরিজেস রিকসব্যাংক প্রাইজ) পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই অর্থনীতিবিদ রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড। হল ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং উডফোর্ড নিউইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।
গতকাল সোমবার (১২ অক্টোবর) রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস ঘোষণা করেছে, এবারের বিজয়ীরা এমন নতুন সামষ্টিক অর্থনৈতিক মডেল তৈরি করেছেন, যা স্থিতিশীলতা নীতি বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাপী সক্ষমতা বাড়িয়েছে। এই মডেলের ওপর ভিত্তি করে সময়মতো রাজকোষীয় ও মুদ্রানীতি নিলে অর্থনীতির উত্থান-পতন নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়।
অর্থনীতি মন্দা ও প্রবৃদ্ধির চক্রে চলে। কেইনসীয় নীতির পর থেকে স্থিতিশীলতা নীতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের সময় পুরনো কেইনসীয় মডেলগুলো কাজ করেনি। বেকারত্ব কমেনি, উল্টো মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। ফলে পশ্চিমা দেশগুলোতে একসঙ্গে নিম্ন প্রবৃদ্ধি, উচ্চ বেকারত্ব ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি দেখা দিয়েছিল।
হল ও উডফোর্ড দেখিয়েছেন, অর্থনৈতিক মডেল নতুন করে সাজালে স্থিতিশীলতা নীতিকে আবার কার্যকর করা যায়। তারা শুধু মূল্যস্ফীতি, উৎপাদন বা ভোগের পরিসংখ্যানের ওপর নির্ভর করেননি। পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সূক্ষ্ম সিদ্ধান্তকেও মডেলে জায়গা দিয়েছেন। মানুষ ও প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতের কথা ভেবে সঞ্চয় করে বা দাম নির্ধারণ করে এই বাস্তবতাকেই তারা গুরুত্ব দিয়েছেন।
পুরস্কার কমিটির চেয়ারম্যান জন হাসলার বলেছেন, বিজয়ীদের কাজ আমাদের একটা মজবুত তাত্ত্বিক ভিত্তি দিয়েছে। এখন বিশ্বের অনেক কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকার এটা ব্যবহার করছে। জ্বালানি সংকট বা হঠাৎ ভোগ কমে যাওয়ার মতো ধাক্কা সামলাতে আমরা আগের চেয়ে ভালো প্রস্তুত।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড

অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড

আপডেট সময় ০৯:০১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

ম্যাক্রোইকোনমিক স্থায়িত্বের মাইক্রোইকোনমিক ভিত্তি তৈরির গবেষণার জন্য ২০২৬ সালের অর্থনীতিতে মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কার (স্ভেরিজেস রিকসব্যাংক প্রাইজ) পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই অর্থনীতিবিদ রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড। হল ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং উডফোর্ড নিউইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।
গতকাল সোমবার (১২ অক্টোবর) রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস ঘোষণা করেছে, এবারের বিজয়ীরা এমন নতুন সামষ্টিক অর্থনৈতিক মডেল তৈরি করেছেন, যা স্থিতিশীলতা নীতি বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাপী সক্ষমতা বাড়িয়েছে। এই মডেলের ওপর ভিত্তি করে সময়মতো রাজকোষীয় ও মুদ্রানীতি নিলে অর্থনীতির উত্থান-পতন নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়।
অর্থনীতি মন্দা ও প্রবৃদ্ধির চক্রে চলে। কেইনসীয় নীতির পর থেকে স্থিতিশীলতা নীতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের সময় পুরনো কেইনসীয় মডেলগুলো কাজ করেনি। বেকারত্ব কমেনি, উল্টো মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। ফলে পশ্চিমা দেশগুলোতে একসঙ্গে নিম্ন প্রবৃদ্ধি, উচ্চ বেকারত্ব ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি দেখা দিয়েছিল।
হল ও উডফোর্ড দেখিয়েছেন, অর্থনৈতিক মডেল নতুন করে সাজালে স্থিতিশীলতা নীতিকে আবার কার্যকর করা যায়। তারা শুধু মূল্যস্ফীতি, উৎপাদন বা ভোগের পরিসংখ্যানের ওপর নির্ভর করেননি। পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সূক্ষ্ম সিদ্ধান্তকেও মডেলে জায়গা দিয়েছেন। মানুষ ও প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতের কথা ভেবে সঞ্চয় করে বা দাম নির্ধারণ করে এই বাস্তবতাকেই তারা গুরুত্ব দিয়েছেন।
পুরস্কার কমিটির চেয়ারম্যান জন হাসলার বলেছেন, বিজয়ীদের কাজ আমাদের একটা মজবুত তাত্ত্বিক ভিত্তি দিয়েছে। এখন বিশ্বের অনেক কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকার এটা ব্যবহার করছে। জ্বালানি সংকট বা হঠাৎ ভোগ কমে যাওয়ার মতো ধাক্কা সামলাতে আমরা আগের চেয়ে ভালো প্রস্তুত।