ঢাকা ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান Logo দেশের পুনর্গঠনে তারেক রহমানের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে যুবদল: রুহুল কবির রিজভী Logo বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান Logo ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ মৃত্যু, ১০ মাসে প্রাণ গেল ৪০০ জনের Logo জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ Logo দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo পাকিস্তান এবার অলআউট ১১০ রানে Logo বাজারে আসতে না আসতেই আইফোন ডুওর পর্দায় ফাটল Logo খিটখিটে মেজাজের সহকর্মীর সঙ্গে কাজ করতে করণীয় Logo ‘সিআইডি’র স্রষ্টা বিপি সিং মারা গেছেনব্রিজেন্দ্র পাল সিং

‘তারে জমিন পার’ ছবির সেই ছোট্ট ইয়োহান এখন ডেন্টিস্ট ও পাইলট

  • বিনোদন
  • আপডেট সময় ০৯:১৪:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
  • 140

আমির খান অভিনীত বলিউড সিনেমা ‘তারে জমিন পার’ ২০০৭ সালে মুক্তি পায়। এটি শুধু একটি চলচ্চিত্র ছিলো না, হয়ে উঠেছিলো এক সাংস্কৃতিক আন্দোলন। শিশুদের শেখার সমস্যা, অভিভাবকত্ব ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করেছিল এই সিনেমা।
একই সঙ্গে ছবিটি পরিচয় করিয়ে দেয় দুই শিশুশিল্পীর সঙ্গে। তারা হলো দর্শিল সাফারি এবং সচেত ইঞ্জিনিয়ার।
সিনেমায় ‘ইশান নন্দকিশোর আউস্তি’র বড় ভাই ইয়োহান আউস্তি চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন সচেত ইঞ্জিনিয়ার। মেধাবী, খেলাধুলায় পারদর্শী এবং ছোট ভাইয়ের প্রতি দায়িত্বশীল এক বড় ভাই হিসেবে তার চরিত্রটি দর্শকদের মনে গভীর ছাপ ফেলে।
দীর্ঘদিন পর জানা গেছে, শিশু অভিনেতা সচেত ইঞ্জিনিয়ার এখন আর অভিনয় জগতে নেই। তিনি বর্তমানে যুক্তরাজ্যে একজন সফল ডেন্টিস্ট। একইসঙ্গে পাইলট প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলছেন।
জানা যায়, তিনি ডি ওয়াই পাটিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডেন্টিস্ট্রিতে পড়াশোনা শেষ করেন এবং লন্ডনের ইউসিএল ইস্টম্যান ডেন্টাল ইনস্টিটিউট থেকে পিরিওডন্টোলজিতে এম.ক্লিন.ডেন্ট ডিগ্রি অর্জন করেন। পাশাপাশি ইউরোপিয়ান ফেডারেশন অব পিরিওডন্টোলজির সদস্যও তিনি। ওভারসিজ রেজিস্ট্রেশন এক্সামের দুই ধাপ পাস করে যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা পেশায় কাজ করার যোগ্যতা অর্জন করেছেন তিনি।
ভারতে পড়াশোনার সময় তিনি পিরিওডন্টোলজিতে গোল্ড মেডেলও অর্জন করেছিলেন।
শুধু চিকিৎসা নয়, আকাশেও নিজের স্বপ্নকে ছুঁতে চাইছেন সচেত। ২০২৪ সালে তিনি একটি বিমানের ককপিট থেকে ছবি শেয়ার করে জানান, তিনি পাইলট হওয়ার প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। সেখানে তিনি লেখেন, উড়োজাহাজ নিয়ন্ত্রণের অভিজ্ঞতা তাকে জীবনের বড় চ্যালেঞ্জগুলোকে নতুনভাবে দেখতে সাহায্য করে।
পরিবারসূত্রে জানা যায়, সচেত চলচ্চিত্র পরিবারের সন্তান হলেও তিনি শুরু থেকেই অভিনয়কে পেশা হিসেবে নিতে চাননি। ‘তারে জমিন পার’ ছবিতে তার উপস্থিতি ছিল মূলত আকস্মিক এক সুযোগ। তবে ছবিটির সাফল্যের পরও তিনি অভিনয় ছেড়ে শিক্ষাজীবনেই মনোযোগ দেন এবং প্রস্তাব পেলেও তা গ্রহণ করেননি।
একসময় তিনি জানিয়েছিলেন, পড়াশোনা শেষ করার পর সুযোগ পেলে আবারও অভিনয়ে ফিরতে আগ্রহী ছিলেন। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তার শোবিজে ফেরার কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান

‘তারে জমিন পার’ ছবির সেই ছোট্ট ইয়োহান এখন ডেন্টিস্ট ও পাইলট

আপডেট সময় ০৯:১৪:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

আমির খান অভিনীত বলিউড সিনেমা ‘তারে জমিন পার’ ২০০৭ সালে মুক্তি পায়। এটি শুধু একটি চলচ্চিত্র ছিলো না, হয়ে উঠেছিলো এক সাংস্কৃতিক আন্দোলন। শিশুদের শেখার সমস্যা, অভিভাবকত্ব ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করেছিল এই সিনেমা।
একই সঙ্গে ছবিটি পরিচয় করিয়ে দেয় দুই শিশুশিল্পীর সঙ্গে। তারা হলো দর্শিল সাফারি এবং সচেত ইঞ্জিনিয়ার।
সিনেমায় ‘ইশান নন্দকিশোর আউস্তি’র বড় ভাই ইয়োহান আউস্তি চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন সচেত ইঞ্জিনিয়ার। মেধাবী, খেলাধুলায় পারদর্শী এবং ছোট ভাইয়ের প্রতি দায়িত্বশীল এক বড় ভাই হিসেবে তার চরিত্রটি দর্শকদের মনে গভীর ছাপ ফেলে।
দীর্ঘদিন পর জানা গেছে, শিশু অভিনেতা সচেত ইঞ্জিনিয়ার এখন আর অভিনয় জগতে নেই। তিনি বর্তমানে যুক্তরাজ্যে একজন সফল ডেন্টিস্ট। একইসঙ্গে পাইলট প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলছেন।
জানা যায়, তিনি ডি ওয়াই পাটিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডেন্টিস্ট্রিতে পড়াশোনা শেষ করেন এবং লন্ডনের ইউসিএল ইস্টম্যান ডেন্টাল ইনস্টিটিউট থেকে পিরিওডন্টোলজিতে এম.ক্লিন.ডেন্ট ডিগ্রি অর্জন করেন। পাশাপাশি ইউরোপিয়ান ফেডারেশন অব পিরিওডন্টোলজির সদস্যও তিনি। ওভারসিজ রেজিস্ট্রেশন এক্সামের দুই ধাপ পাস করে যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা পেশায় কাজ করার যোগ্যতা অর্জন করেছেন তিনি।
ভারতে পড়াশোনার সময় তিনি পিরিওডন্টোলজিতে গোল্ড মেডেলও অর্জন করেছিলেন।
শুধু চিকিৎসা নয়, আকাশেও নিজের স্বপ্নকে ছুঁতে চাইছেন সচেত। ২০২৪ সালে তিনি একটি বিমানের ককপিট থেকে ছবি শেয়ার করে জানান, তিনি পাইলট হওয়ার প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। সেখানে তিনি লেখেন, উড়োজাহাজ নিয়ন্ত্রণের অভিজ্ঞতা তাকে জীবনের বড় চ্যালেঞ্জগুলোকে নতুনভাবে দেখতে সাহায্য করে।
পরিবারসূত্রে জানা যায়, সচেত চলচ্চিত্র পরিবারের সন্তান হলেও তিনি শুরু থেকেই অভিনয়কে পেশা হিসেবে নিতে চাননি। ‘তারে জমিন পার’ ছবিতে তার উপস্থিতি ছিল মূলত আকস্মিক এক সুযোগ। তবে ছবিটির সাফল্যের পরও তিনি অভিনয় ছেড়ে শিক্ষাজীবনেই মনোযোগ দেন এবং প্রস্তাব পেলেও তা গ্রহণ করেননি।
একসময় তিনি জানিয়েছিলেন, পড়াশোনা শেষ করার পর সুযোগ পেলে আবারও অভিনয়ে ফিরতে আগ্রহী ছিলেন। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তার শোবিজে ফেরার কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।