ঢাকা ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কালীগঞ্জ পৌর এলাকার ১০ কিলোমিটার মহাসড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, বেপরোয়া বাস ও অবৈধ পার্কিংয়ে আতঙ্ক Logo আবুল কালাম এম.পির আন্তরিক প্রচেষ্টায় লাকসামে উন্নয়নের বিপ্লব: ৭ মাসে সাড়ে ৩৩ কোটি টাকায় ৪৯ প্রকল্প বাস্তবায়ন Logo বদলগাছীতে সহোদর দুই বোনকে বিয়ে করলেন টিকটকার মাসুদ Logo চাঁদপুরের প্রতিটি ইউনিয়নে গড়ে তোলা হবে একটি করে পাঠাগার-জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান Logo গ্রাম্য আদালতকে উপেক্ষা করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ Logo কলমাকান্দায় কাঠের সেতু সংস্কার, উদ্বোধন করল শিক্ষার্থীরা Logo রাষ্ট্র কাঠামো পরিবর্তন না হলে তারেক রহমানও শেখ হাসিনার পথে হাঁটবেন-আহবায়ক নাহিদ ইসলাম Logo গণ-অধিকার পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য রেলি ও আলোচনা সভা Logo লালমোহনে স্পিকারের অনুদানের চেক পেলেন ১৯০টি অসহায় ও দুস্থ পরিবার Logo মাতামুহুরীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের মহোৎসব: ভারী ট্রাকে পিষ্ট হয়ে ভেঙে চৌচির ১৫ কিমি সড়ক হুমকিতে বেতুয়াবাজার ব্রিজ ও নদীর গাইড ওয়াল, প্রশাসনের কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি

বিশ্বে বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকায় তৃতীয় ঢাকা

বিশ্বের সবচেয়ে বাসযোগ্য শহরের তালিকা প্রকাশ করে ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিট বা ইআইইউ। লাইভেবিলিটি ইনডেক্সে র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে ১৭৩ শহরের তালিকা। তালিকা অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে বসবাস অযোগ্য শহরের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। ২০২৫ সালেও একই অবস্থানে ছিল ঢাকা। গত সোমবার ব্রিটেনের প্রভাবশালী সাময়িকী ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) বার্ষিক বাসযোগ্য শহরের তালিকায় এই তথ্য উঠে এসেছে। ইআইইউ’র প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের সবচেয়ে বসবাসযোগ্য শহর ডেনমার্কের কোপেনহেগেন। টানা দ্বিতীয়বারের মতো শীর্ষে অবস্থান করছে শহরটি। স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা এবং অবকাঠামোর মতো সূচকের আলোকে পয়েন্টের ভিত্তিতে করা হয় এই র‌্যাংকিং। একশ’র মধ্যে কোপেনহেগেনের গড় পয়েন্ট ৯৮। তালিকার দুই নম্বরে থাকা অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার পয়েন্ট ৯৭।
শীর্ষ দশে সবচেয়ে বেশি শহর অস্ট্রেলিয়ার। তালিকার তিন নম্বরে মেলবোর্ন ও চারে অবস্থান সিডনির। আর আটে অ্যাডিলেড। এশিয়ার একমাত্র দেশ হিসেবে জাপানের ওসাকা ও টোকিও দু’টি শহর রয়েছে শীর্ষ দশে। এছাড়াও রয়েছে সুইজারল্যান্ডের দু’টি ও কানাডার একটি শহর।
এদিকে ইআইইউয়ের বাসযোগ্য শহরের তালিকায় চলতি বছরের জরিপে ১০০ নম্বরের মধ্যে ৪২ স্কোর পেয়েছে ঢাকা। এই স্কোর নিয়ে বিশ্বের ১৭৩টি শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান ১৭১তম।
বাসযোগ্যতার দিক থেকে বাংলাদেশের রাজধানীর নিচে রয়েছে কেবল যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি এবং সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক। ইআইইউ বলেছে, চীনের বিভিন্ন শহরের স্বাস্থ্যসেবার মানের উন্নয়ন আর জাপানের অগ্রগতির ওপর ভর করে সব অঞ্চলের মধ্যে এশিয়াতে সবচেয়ে বড় ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটেছে।
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ এই অঞ্চলের অনুন্নত দেশগুলোর কিছু শহরের কম স্কোরের কারণে সামগ্রিক গড় উন্নতি ব্যাহত হচ্ছে। ইআইইউয়ের এই সূচকে স্থিতিশীলতায় ৪৫, স্বাস্থ্যসেবায় ৪২, সংস্কৃতি ও পরিবেশে ৪১, শিক্ষায় ৬৭ এবং অবকাঠামোতে মাত্র ২৭ স্কোর পেয়েছে ঢাকা।
সূচকে বলা হয়েছে শিক্ষা খাত তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকলেও অবকাঠামো, স্বাস্থ্যসেবা এবং সামগ্রিক নগর পরিবেশের দীর্ঘস্থায়ী দুর্বলতা ঢাকার বাসযোগ্যতাকে ক্রমাগত তলানির দিকে টেনে নামাচ্ছে।
চলতি বছরের সূচক অনুযায়ী, বৈশ্বিক গড় বাসযোগ্যতার স্কোর ৭৬.১-এ অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বিশেষ করে ইরান যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির জেরে বিশ্বজুড়ে স্থিতিশীলতার সূচকে অবনতি ঘটেছে। স্বাস্থ্যসেবা খাতে উন্নতির পাশাপাশি চীনের অগ্রগতির ঘটনায় সামগ্রিক বৈশ্বিক সূচকের পতন এড়ানো গেছে।
তালিকার তলানির দিকে থাকা দক্ষিণ এশিয়ার শহরগুলোর মধ্যে পাকিস্তানের করাচি ৪৩ স্কোর নিয়ে ঢাকার ঠিক এক ধাপ ওপরে, অর্থাৎ ১৭০তম অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে তালিকার শীর্ষে থেকে ডেনমার্কের কোপেনহেগেন টানা দ্বিতীয় বছরের মতো বিশ্বের সবচেয়ে বাসযোগ্য শহরের খেতাব ধরে রেখেছে। এর পরের দুটি অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভিয়েনা ও মেলবোর্ন।
এশিয়ার সামগ্রিক উন্নতি সত্ত্বেও এই সুফল সব শহরে সমানভাবে পৌঁছায়নি। ঢাকা আঞ্চলিক গড়ের চেয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। এশিয়ার গড় বাসযোগ্যতার স্কোর বেড়ে ৭৪ হলেও বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার স্কোর তার চেয়ে ৩২ পয়েন্ট কম। প্রতিবেদনে এশিয়ার শহরগুলোর মাঝে বড় বৈসাদৃশ্যও দেখা গেছে। স্বাস্থ্যসেবার উন্নতি ঘটিয়ে চীনের কয়েকটি শহরের সূচকে উন্নতি ঘটেছে। আবার সংস্কৃতি ও পরিবেশের উন্নতি করে সূচকে ওপরে উঠে গেছে জাপানের রাজধানী টোকিও
সেখানে ঢাকা বিশ্বের অন্যতম সর্বনিম্ন বাসযোগ্য শহরের তালিকাতেই আটকে রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অনেক শহরের মতো কোনও যুদ্ধবিগ্রহের কারণে নয়, বরং দীর্ঘস্থায়ী কাঠামোগত দুর্বলতাই ঢাকার এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী বলে সূচকে বলা হয়েছে।
এর আগে ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের ২০২৫ সালের সূচকে ১৭৩টি শহরের মধ্যে ঢাকা তিন ধাপ পিছিয়ে ১৭১তম স্থানে নেমে গিয়েছিল। তার আগের বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে ঢাকার অবস্থান ছিল ১৬৮তম এবং ২০২৩ ছিল ১৬৬তম।
বিশ্বের সবচেয়ে কম বাসযোগ্য শহরের তালিকায় আগের মতোই তলানিতে রয়েছে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সূচকের তলানির দিকে বড় ধরনের ওলটপালট হয়েছে। যুদ্ধের প্রভাবে ১৬৪তম স্থানে নেমে গেছে ইরানের রাজধানী তেহরান। আর ১৬৬তম স্থানে রয়েছে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালীগঞ্জ পৌর এলাকার ১০ কিলোমিটার মহাসড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, বেপরোয়া বাস ও অবৈধ পার্কিংয়ে আতঙ্ক

বিশ্বে বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকায় তৃতীয় ঢাকা

আপডেট সময় ০৯:০৭:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

বিশ্বের সবচেয়ে বাসযোগ্য শহরের তালিকা প্রকাশ করে ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিট বা ইআইইউ। লাইভেবিলিটি ইনডেক্সে র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে ১৭৩ শহরের তালিকা। তালিকা অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে বসবাস অযোগ্য শহরের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। ২০২৫ সালেও একই অবস্থানে ছিল ঢাকা। গত সোমবার ব্রিটেনের প্রভাবশালী সাময়িকী ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) বার্ষিক বাসযোগ্য শহরের তালিকায় এই তথ্য উঠে এসেছে। ইআইইউ’র প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের সবচেয়ে বসবাসযোগ্য শহর ডেনমার্কের কোপেনহেগেন। টানা দ্বিতীয়বারের মতো শীর্ষে অবস্থান করছে শহরটি। স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা এবং অবকাঠামোর মতো সূচকের আলোকে পয়েন্টের ভিত্তিতে করা হয় এই র‌্যাংকিং। একশ’র মধ্যে কোপেনহেগেনের গড় পয়েন্ট ৯৮। তালিকার দুই নম্বরে থাকা অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার পয়েন্ট ৯৭।
শীর্ষ দশে সবচেয়ে বেশি শহর অস্ট্রেলিয়ার। তালিকার তিন নম্বরে মেলবোর্ন ও চারে অবস্থান সিডনির। আর আটে অ্যাডিলেড। এশিয়ার একমাত্র দেশ হিসেবে জাপানের ওসাকা ও টোকিও দু’টি শহর রয়েছে শীর্ষ দশে। এছাড়াও রয়েছে সুইজারল্যান্ডের দু’টি ও কানাডার একটি শহর।
এদিকে ইআইইউয়ের বাসযোগ্য শহরের তালিকায় চলতি বছরের জরিপে ১০০ নম্বরের মধ্যে ৪২ স্কোর পেয়েছে ঢাকা। এই স্কোর নিয়ে বিশ্বের ১৭৩টি শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান ১৭১তম।
বাসযোগ্যতার দিক থেকে বাংলাদেশের রাজধানীর নিচে রয়েছে কেবল যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি এবং সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক। ইআইইউ বলেছে, চীনের বিভিন্ন শহরের স্বাস্থ্যসেবার মানের উন্নয়ন আর জাপানের অগ্রগতির ওপর ভর করে সব অঞ্চলের মধ্যে এশিয়াতে সবচেয়ে বড় ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটেছে।
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ এই অঞ্চলের অনুন্নত দেশগুলোর কিছু শহরের কম স্কোরের কারণে সামগ্রিক গড় উন্নতি ব্যাহত হচ্ছে। ইআইইউয়ের এই সূচকে স্থিতিশীলতায় ৪৫, স্বাস্থ্যসেবায় ৪২, সংস্কৃতি ও পরিবেশে ৪১, শিক্ষায় ৬৭ এবং অবকাঠামোতে মাত্র ২৭ স্কোর পেয়েছে ঢাকা।
সূচকে বলা হয়েছে শিক্ষা খাত তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকলেও অবকাঠামো, স্বাস্থ্যসেবা এবং সামগ্রিক নগর পরিবেশের দীর্ঘস্থায়ী দুর্বলতা ঢাকার বাসযোগ্যতাকে ক্রমাগত তলানির দিকে টেনে নামাচ্ছে।
চলতি বছরের সূচক অনুযায়ী, বৈশ্বিক গড় বাসযোগ্যতার স্কোর ৭৬.১-এ অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বিশেষ করে ইরান যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির জেরে বিশ্বজুড়ে স্থিতিশীলতার সূচকে অবনতি ঘটেছে। স্বাস্থ্যসেবা খাতে উন্নতির পাশাপাশি চীনের অগ্রগতির ঘটনায় সামগ্রিক বৈশ্বিক সূচকের পতন এড়ানো গেছে।
তালিকার তলানির দিকে থাকা দক্ষিণ এশিয়ার শহরগুলোর মধ্যে পাকিস্তানের করাচি ৪৩ স্কোর নিয়ে ঢাকার ঠিক এক ধাপ ওপরে, অর্থাৎ ১৭০তম অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে তালিকার শীর্ষে থেকে ডেনমার্কের কোপেনহেগেন টানা দ্বিতীয় বছরের মতো বিশ্বের সবচেয়ে বাসযোগ্য শহরের খেতাব ধরে রেখেছে। এর পরের দুটি অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভিয়েনা ও মেলবোর্ন।
এশিয়ার সামগ্রিক উন্নতি সত্ত্বেও এই সুফল সব শহরে সমানভাবে পৌঁছায়নি। ঢাকা আঞ্চলিক গড়ের চেয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। এশিয়ার গড় বাসযোগ্যতার স্কোর বেড়ে ৭৪ হলেও বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার স্কোর তার চেয়ে ৩২ পয়েন্ট কম। প্রতিবেদনে এশিয়ার শহরগুলোর মাঝে বড় বৈসাদৃশ্যও দেখা গেছে। স্বাস্থ্যসেবার উন্নতি ঘটিয়ে চীনের কয়েকটি শহরের সূচকে উন্নতি ঘটেছে। আবার সংস্কৃতি ও পরিবেশের উন্নতি করে সূচকে ওপরে উঠে গেছে জাপানের রাজধানী টোকিও
সেখানে ঢাকা বিশ্বের অন্যতম সর্বনিম্ন বাসযোগ্য শহরের তালিকাতেই আটকে রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অনেক শহরের মতো কোনও যুদ্ধবিগ্রহের কারণে নয়, বরং দীর্ঘস্থায়ী কাঠামোগত দুর্বলতাই ঢাকার এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী বলে সূচকে বলা হয়েছে।
এর আগে ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের ২০২৫ সালের সূচকে ১৭৩টি শহরের মধ্যে ঢাকা তিন ধাপ পিছিয়ে ১৭১তম স্থানে নেমে গিয়েছিল। তার আগের বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে ঢাকার অবস্থান ছিল ১৬৮তম এবং ২০২৩ ছিল ১৬৬তম।
বিশ্বের সবচেয়ে কম বাসযোগ্য শহরের তালিকায় আগের মতোই তলানিতে রয়েছে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সূচকের তলানির দিকে বড় ধরনের ওলটপালট হয়েছে। যুদ্ধের প্রভাবে ১৬৪তম স্থানে নেমে গেছে ইরানের রাজধানী তেহরান। আর ১৬৬তম স্থানে রয়েছে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ।