শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৯:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

পানির নিচে রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

উজানের পানি নেমে আসায় বেড়ে গেছে কাপ্তাই হ্রদের পানি। এর ফলে পানিতে তলিয়ে গেছে রাঙামাটির আইকনিক ঝুলন্ত সেতু। গতকাল রোববার সকাল ৯ টার দিকে সেতুর পাটাতন স্পর্শ করে হ্রদের পানি। দুর্ঘটনা এড়াতে সেতু নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন সেতুর উপর পর্যটকদের চলাফেরা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সেতুটি প্রায় ৬ ইি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এদিকে সেতু ডুবায় সেতু দেখতে আসা পর্যটকরা ফিরছেন হতাশ হয়ে। চট্টগ্রাম থেকে বেড়াতে আসা রাহুল সাহা (২৫) বলেন, জীবনে প্রথম রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু দেখতে আসলাম। এসে দেখি এ অবস্থা। তাই এ দৃশ্য আমাকে হতাশ করেছে। এটি যেন আমার দুর্ভাগ্য মনে হচ্ছে। পর্যটন বোট ঘাট ইজারাদার মো রমজান বলেন, সেতু ডুবে যাওয়ায় আজ আমাদের কোন বোট ভাড়া হয়নি। গত ৫ দিন ধরে আমাদের আয় কমেছে। পানি না কমলে আমাদের আয় কমে যাবে।
বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের তথ্য মতে, প্রতিদিন গড়ে এক হাজারের অধিক পর্যটক উঠে ঝুলন্ত সেতুতে। এতে আয় বাড়ে পর্যটন কর্পোরেশনের।
কর্পোরেশনের রাঙামাটি ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা বলেন, সেতু ভেসে না উঠলে পর্যটনে লোকসান হবার পাশাপাশি পর্যটক কমবে বলছে পর্যটন কর্পোরেশন। এ বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
রাঙামাটিতে কাপ্তাই জল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের এক প্রকৌশলী জানান, বর্তমানে হ্রদে ১০৫.৬৬ ফুট পানি রয়েছে। এটি প্রতিনিয়ত বাড়ছে। পানির লেভেল ১০৭ ফুট হলে পানি ছাড়ার কথা চিন্তা করা হবে। এখনো পানি ছাড়ার চিন্তাভাবনা নেই। বর্তমানে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ২০৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। হ্রদে পানি বাড়লে উৎপাদনও বাড়ে। উল্লেখ্য, ১৯৮৩ সালে সেতুটি নির্মাণ করে পর্যটন কর্পোরেশন। এর পর এ সেতুটি আরও উচুতে স্থানান্তরের কথা বলা হলেও উচুতে স্থানান্তর হয়নি। ১৯৬০ সালে রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিয়ে নির্মাণ করা হয় কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র। কর্ণফুলী, কাচালং, মাইনী, চেঙ্গী, রাইংখ্যং নদীর পানি বাঁধ দিয়ে আটকে রাখায় ৭২৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। এ তলিয়ে যাওয়া অংশকে কাপ্তাই হ্রদ বলা হয়। শুকনো মৌসুমে পানি কমলে নৌ পথে দুর্ভোগ বাড়ে। বর্ষায় পানি বাড়লে নিম্নাঞ্চল তলিয়ে যায়। এতেও দুর্ভোগ বাড়ে।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com