শুক্রবার, ১৭ মে ২০২৪, ০৩:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
বিশ্বমানের টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে : রাষ্ট্রপতি রাসূল (সা.)-এর সীরাত থেকে শিক্ষা নিয়ে দৃঢ় শপথবদ্ধ হয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে—ড. রেজাউল করিম চৌদ্দগ্রামে বাস খাদে পড়ে নিহত ৫, আহত ১৫ চাহিদার চেয়ে ২৩ লাখ কোরবানির পশু বেশি আছে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী রাজনীতিবিদেরা অর্থনীতিবিদদের হুকুমের আজ্ঞাবহ হিসেবে দেখতে চান: ফরাসউদ্দিন নতজানু বলেই জনগণের স্বার্থে যে স্ট্যান্ড নেয়া দরকার সেটিতে ব্যর্থ হয়েছে সরকার মালয়েশিয়ার হুমকি : হামাস নেতাদের সাথে আনোয়ারের ছবি ফেরাল ফেসবুক হামাসের অভিযানে ১২ ইসরাইলি সেনা নিহত আটকে গেলো এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের অর্থ ছাড় গাজানীতির প্রতিবাদে বাইডেন প্রশাসনের ইহুদি কর্মকর্তার লিলির পদত্যাগ

তরমুজের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৪

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ঝালকাঠিতে এ বছর তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। ভালো ফলন ও দাম বেশি পাওয়ায় হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে। চাষিরা জানান, ঝালকাঠির তরমুজ খেতে সুমিষ্ট। তাই দেশব্যাপী এর সুনাম রয়েছে। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। আর পাইকাররা সরাসরি ক্ষেত থেকে তরমুজ কেনায় কৃষকের লাভ বেশি হচ্ছে। চাষিরা এ সময় অভিযোগ করেন, ক্ষেতে তরমুজ পিস হিসেবে বিক্রি হলেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নিয়ে গিয়ে কেজি হিসেবে বিক্রি করেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এ বছর ৭৭ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে, রাজাপুর উপজেলায় ৪০ হেক্টর, নলছিটি উপজেলায় ২৮ হেক্টর, ঝালকাঠি সদর উপজেলায় ৫ হেক্টর ও কাঁঠালিয়া উপজেলায় ৪ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। জেলার সব চেয়ে বড় তরমুজ ক্ষেত রাজাপুর উপজেলার মঠবাড়ি ইউনিয়নের মানকি সুন্দর ও বরইয়া ইউনিয়নের পালট গ্রামে। মানকি সুন্দর চরে প্রায় ৭০ একর জমিতে একটি তরমুজ ক্ষেত রয়েছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য কবির হোসেনের নেতৃত্বে কৃষকরা একত্রিত হয়ে এখানে তরমুজ আবাদ করেছেন।

ক্ষেতটি বিষখালী নদীর তীরবর্তী হওয়ায় পানি দেওয়ায় কৃষকদের সুবিধা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকাররা এখান থেকে নৌপথে তরমুজ নিয়ে যাচ্ছেন। তিন দিন পূর্বে এখানকার তরমুজ বিক্রি শুরু হয়েছে। আকারভেদে ২০০-৬০০ টাকা পর্যন্ত প্রতিটি তরমুজ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য ও তরমুজ চাষি মো. কবির হোসেন বলেন, গত পাঁচ-ছয় বছর ধরে আমরা তরমুজ চাষ করছি। এবার ফলন ভালো হয়েছে। আশা করি লাভবান হতে পারব।
তরমুজ চাষি মামুন মোল্লা বলেন, তরমুজ বিক্রির মৌসুম কেবল শুরু হয়েছে। আমাদের এখানকার তরমুজ আকারে বড় ও মিষ্টি হওয়ায় ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বরিশাল, পিরোজপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আমাদের তরমুজ যাচ্ছে। ঝালকাঠি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মুনিরুল ইসলাম বলেন, কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে তরমুজ চাষিদের সব ধরণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। আশা করা যায়, কৃষকরা এ বছর লাভবান হবেন।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com