বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৬:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

জিএম কাদেরের দৌড়ঝাঁপ, রওশনকে আনা হয়েছে বিশেষ উদ্দেশ্যে

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৪
রওশন এরশাদ আনিসুল ইসলাম মাহমুদ জিএম কাদেরের

সংসদে বিরোধী দলের নেতা জিএম কাদেরের গতিবিধির উপর নজর রাখছে সরকার। বলাবলি আছে, সরকার তাকে মোটেই বিশ্বাস করে না। রাখতে পারে না তার ওপর কোনো আস্থা। নির্বাচনের আগে থেকেই বিশ্বাস-অবিশ্বাসের খেলা চলছে। পশ্চিমা কূটনীতিকদের সাথে তার ঘনঘন বৈঠকের খবরে তাকে সন্দেহের চোখেই দেখছে সরকার। জিএম কাদের এসব জানার পরও তার অবস্থান থেকে সরে দাঁড়াননি। তিনি আগাগোড়াই বিশ্বাস করতেন, দলনিরপেক্ষ কোনো সরকার ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। নির্বাচনের পরেও তার অবস্থানের যে পরিবর্তন হয়নি তা তার সর্বশেষ লেখা থেকেও স্পষ্ট। গত ২৭শে মার্চ প্রথম আলোতে ‘দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন আসলে কেমন হলো? ’ শীর্ষক নিবন্ধে লিখেছেন, সঠিক নির্বাচনের অর্থ হলো যে নির্বাচনে জনমত প্রতিফলিত হয়। আর সেটা সম্ভব হয় যখন নির্বাচন নিরপেক্ষ পরিবেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক হয়।
এই দুটোর যেকোনো একটির ব্যত্যয় হলে সেটা ভালো নির্বাচন হিসেবে গণ্য হয় না। জনমতের প্রকৃত প্রতিফলনও থাকে না। দেশে-বিদেশেও গ্রহণযোগ্যতা পায় না।
নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়েছে কিনা- নির্বাচন কমিশন থেকে জানানো হয়েছে গড়ে প্রতিটি এলাকায় ভোটার উপস্থিতি ছিল প্রায় ৪২ শতাংশ। কিন্তু আমাদের প্রার্থী-সমর্থক বা ভোটারদের বেশিরভাগের ধারণা এই সংখ্যাটি অতিরঞ্জিত। ৪২ শতাংশ ভোট পড়ার দাবি বাস্তবসম্মত নয়। বরং ৫ থেকে ১০ শতাংশ ভোটার উপস্থিত হয়ে ভোট দিয়েছেন এমনটাই আমরা জানতে পেরেছি আমাদের নিজস্ব সূত্র থেকে। তবে কিছু এলাকায় ২০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে ধারণা করা যায়। এ নিবন্ধের পর সরকারের অন্দরমহলে তাদেরকে নিয়ে এক ধরনের অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। খতিয়ে দেখার চেষ্টা চলছে, এর পেছনে নয়া কোনো ষড়যন্ত্রের উপাদান রয়েছে কি-না।
ওদিকে রওশন এরশাদকে নিয়ে আরেকটি জাতীয় পার্টির আত্মপ্রকাশে বিশেষ মহলের ইন্ধনের খবর পাকাপাকি বলেই মনে হচ্ছে। শুরুতে জিএম কাদেরকে বিরোধীদলের নেতা না করে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে করার চিন্তাভাবনা ছিল। আলাপ-আলোচনাও শুরু হয়েছিল সেভাবে। পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নিতে পারে এই আশঙ্কা থেকে জিএম কাদের এমপিদের সংগঠিত করে ‘ভেতরের খেলা’ বানচাল করে দেন। কাদেরকে বিরোধী দলের নেতা নির্বাচিত করেন জাতীয় পার্টির এমপিরা। তবে তাকে গ্রহণ করা বা স্বীকৃতি দেয়া নিয়ে নানা তৎপরতাও ছিল অন্দরমহলে। শেষ পর্যন্ত জয়ী হন কাদের। এরপর নতুন খেলায় রওশন এরশাদ দৃশ্যপটে হাজির হন। উদ্দেশ্য একটাই, জিএম কাদেরকে চাপে রাখা, গতিরোধ করা। এমন চিন্তাও রয়েছে যদি কাদের বিকল্প কিছু ভাবেন তখন এমপিদের মধ্যে ভাঙ্গন সৃষ্টি করে আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে বিরোধী দলের নেতা নির্বাচনের জন্য রওশনের জাতীয় পার্টিতে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক এমপি যোগ দেবেন। তখন জাতীয় পার্টি রওশনই হবেন সংসদে বিরোধী দল। জিএম কাদের এসব জানেন। তাই তিনি ঘনিষ্ঠজনদের বলছেন, কোনো কৌশলেই তাকে হঠানো যাবে না।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com