পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় স্কুল ছাত্রীকে শাসন করার অপরাধে মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন কাকড়াবুনিয়া রাজেন স্মরনী (আর.এস) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইংরেজী সহকারী শিক্ষক মাসুদ রানা। শনিবার (৮ মার্চ) বিকেলে ওই শিক্ষকের স্ত্রী নাদিরা আক্তার স্থানীয় সাংবাদিক ইউনিয়নে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন। লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, গত ২ অক্টোবর‘২৪ বেয়াদবির কারনে স্কুল ছাত্রী বর্ণিতা সিকদারের হাতে দুটি বেতের আঘাত করে শিক্ষক মাসুদ রানা। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর অভিভাবক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেলে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মধ্যস্থতায় মিমাংসা হলেও তাদের ক্ষোভ কমেনি। যে কারনে আমার স্বামীকে ফাঁসাতে গত ২৬ ফেব্রুয়ারী‘২৫ ওই ছাত্রী বর্ণিতা সিকদার ভিটামিনের বোতলে বিষ এনে মেয়েদের কমন রুমে থাকা জগের পানিতে মিশিয়ে পান করে ইচ্ছাকৃত ভাবে অসুস্থ হয়ে পরে। কমর রুমে বর্ণিতা সিকদার দীর্ঘ সময় একা দাড়িয়ে একটা কিছু ভাবছে যা ৮ম শ্রেণীর ৩ জন ছাত্রী দেখেছে। অসুস্থ বর্ণিতা সিকদারকে আমার স্বামী মাসুদ রানা ও অন্যান্য শিক্ষকরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। কিন্তু আমার স্বামীকে ফাঁসাকে ওই ছাত্রীর অভিভাবকেরা স্বেচ্ছায় বরিশালে ও ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। যার প্রমানাদি ডাক্তারী রেজিস্ট্রি খাতায় পরে রয়েছে। এ ঘটনায় পিছনের শত্রুতা গোপন রেখে শিক্ষক মাসুদ রানার বিরুদ্ধে ওই ছাত্রীর মা জ্যো¯œা রানী মঠবাড়িয়া থানায় হত্যা চেষ্টার মামলা করেন। বর্তমানে আমার স্বামী জেল হাজতে রয়েছেন। এ পরিবাটি একটি মামলাবাজ পরিবার হিসেবে ক্ষ্যাত। আমি তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায় বিচার প্রার্থণা করছি। মঠবাড়িয়া থানার ওসি আব্দুলাহ আল মামুন বলেন, তদন্ত করে প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ভুক্তভোগী স্কুল শিক্ষকের ভাতিজা সোহেল আহম্মেদ, শাশুড়ী তাসলিমা বেগম ও নিকট আত্মীয় মোঃ রুস্তুম হাওলাদার।