বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
ফেরিঘাটে বাস নদীতে আরো হতাহতের আশঙ্কা স্বাধীনতার ৫৫ বছরে আজ দেশের মানুষের প্রত্যাশা এখনও পূরণ হয়নি: বিরোধীদলীয় নেতা প্রথম ধাপে ১১ উপজেলার ২১ হাজার ১৪ জন পাবেন ‘কৃষক কার্ড’ : তথ্যমন্ত্রী চট্টগ্রাম বন্দরে ঈদের ছুটিতে ৫৫ হাজার কন্টেইনার হ্যান্ডলিং ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে দেশবাসীকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির মহান স্বাধীনতা দিবস আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের চেতনাকে নতুন করে উজ্জীবিত করে: প্রধানমন্ত্রী মেহেরপুরে আমের গুটিতে ভরে গেছে গাছ আজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয়’ নিয়ে বিশেষ সভা ২৬শে মার্চ, ১৯৭১ সাল ‘বাঙালির হৃদয়ে রক্তাক্ষরে লেখা দিন’ : শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান

গুরুদাসপুরে বাঙ্গি চাষে বিপাকে কৃষকেরা

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় বুধবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৫

তুলনামূলক কম খরচে রসুনের সাথী ফসল হিসেবে বাঙ্গি চাষ জনপ্রিয় ও লাভজনক। ফলে নাটোরের গুরুদাসপুরে কৃষকেরা ২০ বছর ধরে বাঙ্গি চাষ করে আসছিলেন। এ বছর চাহিদা কম ও ন্যায্য মূল্য না থাকায় হতাশ তারা। জমি থেকে সংগ্রহ ও পরিবহন খরচ না ওঠায় মাঠেই পচে নষ্ট হচ্ছে অনেক কৃষকের বাঙ্গি।
কৃষকেরা জানান, চাহিদা থাকা এবং লাভজনক হওয়ায় আগ্রহ নিয়ে বাঙ্গি চাষ করেছিলেন তারা। হঠাৎ এ বছর ক্রেতা শূন্যতা ও দরপতনে উৎপাদিত বাঙ্গি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। শ্রমিক মজুরি ও পরিবহন ব্যয় না ওঠায় এ ফল সংগ্রহে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকেরা। ফলে ক্ষেতেই পচে নষ্ট হচ্ছে অধিকাংশ বাঙ্গি।
উপজেলার পোয়ালশুড়া দড়িপাড়ার কৃষক আব্দুল ওয়াহাব জানান, এ বছর দুই বিঘা জমিতে বাঙ্গি চাষ করেছেন। সমপরিমাণ জমিতে গত বছর ৮০ হাজার টাকা বিক্রি হলেও এ বছর বিক্রি করেছেন মাত্র ১৮ হাজার টাকা। বাজারে ক্রেতা না থাকায় অনেক সময় বাঙ্গির স্তূপ ফেলেই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে।
উদবাড়িয়া গ্রামের টমেট আলী, নয়াবাজারের সোহেলসহ অন্তত ১০ জন কৃষক জানান, তারা অধিকাংশ বর্গা চাষি। প্রতি বিঘা জমির লিজ ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা। লিজমূল্য, চাষ, বীজ, সার, পানি সেচ, শ্রমিক ও মজুরি মিলিয়ে প্রতি বিঘা রসুন চাষে খরচ লক্ষাধিক টাকা। রসুনের সাথী ফসল বাঙ্গি চাষে খরচের প্রায় অর্ধেক টাকা উঠে আসতো। কিন্তু এ বছর দাম না থাকায় ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকারের কাছে প্রণোদনা ও সুদমুক্ত কৃষি ঋণের দাবি তাদের।
স্থানীয় আড়ৎদার শাহীন আলী বলেন, ‘প্রতিদিন গুরুদাসপুর থেকে ৮০ থেকে ১০০ ট্রাক বাঙ্গি দেশের বিভিন্ন জেলায় পাইকারি বিক্রি হয়। গত বছর প্রতিটি বাঙ্গির পাইকারি দাম ছিল ২০-৩৫ টাকা। কিন্তু এ বছর চাহিদা না থাকায় সেই বাঙ্গি বিক্রি হচ্ছে ৮ থেকে ১০ টাকায়। ক্রেতা চাহিদা না থাকায় কম দামে কিনেও বিক্রি হচ্ছে না। এতে পচে নষ্ট হচ্ছে বাঙ্গি। পুজি হারাচ্ছেন পাইকাররা।’ গুরুদাসপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হারুনর রশিদ বলেন, ‘গুরুদাসপুরের বাঙ্গির সুনাম দেশজুড়ে। এ বছর ৮৫০ হেক্টর জমিতে বাঙ্গি চাষ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়ায় ফলন ভালো হয়েছে। কিছুটা দরপতন হলেও চাষিদের খুব ক্ষতি হবে না।’




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com