মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
গহিরা-ফটিকছড়ি সড়কের বিকল্প সড়ক ভেঙ্গে যান চলাচল বন্ধ, জনদুর্ভোগ চরমে পূরণ হতে চলেছে চিতলমারীবাসীর প্রাণের দাবি বিরামপুর হাসপাতালের বেহাল দশা ইউনিয়ন পরিষদ সচিব সমিতি (বাপসা) চাঁদপুর জেলা শাখার উদ্যেগে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান এর বিদায় সংবর্ধনা সরকার ঘোষিত এসডিজি অর্জনে উৎপাদনমুখী সমবায় সমিতির গুরুত্ব অপরিসীম-জহিরুল হায়াত গঙ্গাচড়ায় তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে ২ হাজার পরিবার পানিবন্দি ডাক্তারের টেবিলে কুকুর! নির্বাচন পর্যবেক্ষণে যাওয়া আ.লীগ নেতার গাড়ি ভাঙচুর সুনামগঞ্জে করোনা প্রতিরোধে ক্যারাভান প্রদর্শনী গজারিয়ায় জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার এর বিদায় সংবর্ধনা।




ছেলেকে বাঁচাতে অটোরিকশা চালক বাবার আকুতি

লালমনিরহাট প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১০ জুন, ২০২১




মাত্র ৪ বছর বয়স থেকে এক দিনও পাচঁ ওয়াক্ত নামাজ বাদ দেননি শিশু ফেরদৌস(৬)। অন্য অন্য শিশুদের চেয়ে সে একটু আলাদা সম্ভাবের। আযানের শব্দ শুনলেই ছুটে যা মসজিদে। গত বছরে হার্টে সমস্যা দেখা দেওয়া পর সে আর হাটতে পারেনা ফেরদৌসের। অসুস্থ্যর মাঝেও পাচঁ ওয়াক্ত নামাজ ছাড়েন নি। কখনও মায়ের কালে কখনও বা দাদীর কোলে চরে মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করেন। এরপর পরীক্ষা-নিরীক্ষায় হার্টের ছিদ্র ধরা পড়ে শিশুটির। তার এমন রোগে হতাশ হয়ে পড়েন দরিদ্র অটোরিকসা চালক বাবা ও তার মা। লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার নিজ গড্ডিমারী গ্রামের অটোরিকসা চালক মঞ্জরুল ইসলাম ও ফেরদৗসী দম্পতির এক মাত্র সন্তান। ছোট এই শিশুর রোগ আক্রান্ত অবস্থা দেখে হতাশায় পড়ছেন দরিদ্র অটোরিকসা চালক বাবা ও মা। মাত্র ৬ বছর বয়সের এই শিশুর অপারেশনের জন্য প্রয়োজন প্রায় ৪ লাখ টাকা। দারিদ্রতার কারণে তার অপারেশন করাতে পাচ্ছেন না পরিবার। জায়গা জমি বলতে বাড়ি ভিটে মাত্র ২ শত জমির উপর বাড়ি। অটোরিকসা চালিয়ে যা আয় হয় তা দিয়ে চলে সংসার।শিশুটির অপারেশন জন্য লাগবে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা। ছেলেকে বাঁচাতে পারবেন না-এমন চিন্তায় বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন বাবা মঞ্জরুল ইসলাম। এর আগে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক(কার্ডিওলজি) ডা: মো: হাসানুল ইসলাম এর মাধ্যমে চিকিৎসা নেওয়ার পর তিনি ঢাকায় ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে আবারও পরীক্ষা-নীরিক্ষায় পরামর্শ দেন।ঢাকায় ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ সার্জন ডাঃ ইলিয়াস পাটোয়ারীকে দেখানোর পর পরীক্ষা-নীরিক্ষায় একটি হার্টে ছিদ্র ধরা পড়ে পাশাপাশি দুই ভেইন(রগ) চিকন হয়ে গেছে তাই দ্রুত অপারেশনের পরামর্শ দেন। টাকার অভাবে অপারেশন করতে না পেরে শিশু ফেরদৌসকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। অপারেশনসহ চিকিৎসা বাবদ খরচ হবে প্রায় ৪ লাখ টাকা। কিন্তু পরিবারের সেই টাকা জোগাড় করার মতো অবস্থা নেই। যা ছিল এতদিন চিকিৎসা করাতে শেষ হয়ে গেছে। কোনো উপায় না থাকায় একমাত্র ছেলে সন্তানকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা চেয়েছেন মঞ্জরুল ইসলাম।শিশু ফেরদৌসের দাদী মোহসেনা বেওয়া জানান, আযান শুনলেই তাকে কোলে উঠে মসজিদে নিতে হবে তা না হলে কান্নাকাটি শুরু করেন দেন। তাই কোন উপায় না পেয়ে ফজর থেকে তাকে কোলে করে মসজিদে নিতে হয়। মঞ্জরুল ইসলাম বলেন, একবছর ধরে ছেলে চিকিৎসা করতে সব শেষ করে ফেলেছি। এখন পরীক্ষা-নীরিক্ষায় একটি হার্টে ছিদ্র ধরা পড়ে অপারেশন করতে প্রায় ৪ লাখ টাকা প্রয়োজন এত টাকা আমি কই পাব। তাই সমাজের মানুষে কাছে হাতজোড় করছি আমার ছেলেকে বাঁচান।গড্ডিমারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল বলেন,সে অত্যন্ত দরিদ্র অটোরিকসা চালক অনেক কষ্টে সংসার চলে। তার ছেলে অপারেশন করতে প্রচুর টাকার প্রয়োজন তাই সকলেই কিছু করে অর্থ দিয়ে সাহায্য করুন। তিনি আরও বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে নগদ অর্থের ব্যবস্থা করব। শিশু ফেরদৌসের অপারেশনের জন্য সহযোগিতা করতে পারেন (বিকাশ নম্বর) ০১৭৪২-১৬১০৩৬ ও ০১৭৪৪-৮১২৩৭৪ শিশুটির বাবা মঞ্জরুল ইসলাম।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com