বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

শরীয়তপুরে অধিকাংশ বাসের ফিটনেস নেই!

শরীয়তপুর প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন, ২০২১

শরীয়তপুরে অধিকাংশ বাসের ফিটনেস নেই বলে অভিযোগ উঠেছে। সামন্য বৃষ্টি হলেই ভিজে যায় যাত্রী ও মালামাল। মালিক ও শ্রমিকরা অফিস ম্যানেজ করেই চালাচ্ছেন তাদের ফিটনেস বিহীন ও লক্কর ঝক্কর গাড়ী। এতে করে এক দিকে যেমন বাড়ছে দুর্ঘটনা। অপর দিকে সরকার হারাচ্ছে বিশাল অংকের রাজস্ব। বাস মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ বলছেন অবৈধ সি এন জি অটো রিক্সার কারনে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা। বিআরটি এ ও শ্রমিকদের সুত্রে জানাযায, শরীয়তপুর জেলা সদরের সাথে ৬ টি উপজেলায় ১৭২ টি বাস চলাচল করে। এসব বাস গুলোর মধ্যে অধিকাংশ বাসই পুরাতন ও লক্কর ঝক্কর । বিআরটিএ অফিস বলছেন এ জেলার ১৭২ টি বাসের মধ্যে ৩০/৩২টি বাসের কাগজ পত্র আছে। বাকী ১৪০টি বাসের কাগজ পত্র বিভিন্ন জেলা থেকে করার কথা বললে ও বাস্তবচিত্র ভিন্ন। অধিকাংশ বাসই সামান্য বৃষ্টি এলে বাসের ছাদ দিয়ে ভিতরে পানি পড়ে। সামান্য বৃষ্টি হলেই যাত্রীসহ তাদের মালামাল ভিজে যায়। সীটের অবস্থা এতো সরু যে যাত্রীরা তাদের পা সোজা করে বসতে পারে না। অধিকাংশ পুরাতন এ বাস গুলো মাঝে মাঝে রং করলেও অধিকাংশ বাসের দরজা জানালা গুলো ভাংগা। ফলে চলাচলে অযোগ্য হয়ে পড়েছে অধিকাংশ বাস। লক্কর ঝক্কর ভাবে চলছে পুরো জেলায়। এতে করে এক দিকে দুষিত হচ্ছে পরিবেশ, বাড়ছে দুর্ঘটনা। অপরদিকে সরকার হারাচ্ছে মোটা অংকের রাজস্ব। মালিক ও শ্রমিকরা অফিস ম্যানেজ করেই চালাচ্ছেন তাদের ফিটনেস বিহীন এ লক্কর ঝক্কর গাড়ী। কোন যাত্রী বাসে উঠে এর প্রতিবাদ করলে তাকে করা হয় লাঞ্চিত। শরীয়তপুরের সিটিং বাসের এক ড্রাইভার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমরা বাসের ছাদ দিয়ে পানি পড়ার বিষয়ে বার বার মালিককে গাড়ী মেরামতের কথা বললেও তারা ঠিক করে দেন না। আমাদের কি করার আছে। শরীয়তপুর থেকে মাঝিরঘাট যাওয়ার সিটিং বাস দোলা পরিবহনের যাত্রী আলী ঘরামী ও রিপন মিয়া বলেন, আমরা শরীয়তপুরের কোট এলাকা থেকে গত সোমবার দুপুরে মাঝির ঘাট এর উদ্যেশ্যে রওয়ানা দেই। পথি মধ্যে বৃষ্টি শুরু হলে বাসের ছাদ দিয়ে পানি পড়ে অধিকাংশ যাত্রী ও মালামাল ভিজে যায়। এ অবস্থা শরীয়তপুরের অধিকাংশ বাসের। সিট গুলো চাপাচাপি হওয়ায় স¦াভাবিক ভাবে বসা যায় না। শরীয়তপুর জেলা সিএনজি অটোরিকসা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি এডভোকেট আজিজুর রহমান রোকন বলেন, শরীয়তপুর জেলায় চলমান অধিকাংশ গাড়ীই লক্কর ঝক্কর ও ফিটনেস বিহীন। তবে প্রশাসনের অনেককে ম্যানেজ করেই দীর্ঘদিন যাবৎ চলছে এ সকল গাড়ী। ফিটনেস সনদ ও গাড়ীর কাগজ পত্র সম্পর্কে জানতে চাইলে শরীয়তপুর জেলা বাস মালিক সমিতির সহ-সভাপতি ও দোলা পরিবহনের মালিক আব্দুল বারেক মিয়া বলেন, কাগজপত্র না দেরখ বলা যাবেনা। বাসের ছাদ দিয়ে একটু পানি পড়তেই পারে। আমি চালক ও হেলপারকে পুটিন লাগাতে বলেছিলাম। ওরা লাগাতে ভুলে গেছে। শরীয়তপুর জেলা বাস মিনি বাস মালিক সমিতির সভাপতি ফারুক আহাম্মেদ তালুকদার বলেন, বেশী বৃষ্টি হলে কিছু বাসে পানি পড়তে পারে। পদ্মা সেতু হলে ও রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন হলে আমরা মালিকরা নতুন নতুন গাড়ী কিনবো। আর কাগজ পত্রের বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করেননি। শরীয়তপুর বিআরটি এ উপ-পরিচালক জি এম নাজির হোসেন বলেন, শরীয়তপুর জেলায় ১৭২ টি বাস রয়েছে। তার মধ্যে ৩০ টির সনদ পত্র শরীয়তপুর থেকে নেওয়া হয়েছে। আর বাকীগুলো ঢাকাসহ অন্য জেলা থেকে কিনেছে। যেখান থেকে বাস কিনা হয়েছে সেখান থেকে কাগজ করার কথা।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com