ভালুকা উপজেলার উথুরা ইউনিয়নে উথুরা মৌজায় সি,এস ৫৮ খতিয়নের প্রায় সাড়ে ৯ একর জমি নিয়ে আদালতে বেশ কয়েখটি মামলা চলমান থাকার পরও প্রতিপক্ষরা আইন অমান্য করে জমি কেনাবেচাসহ বিভিন্ন ধরণের স্থাপনা নিমার্ণ করার অভিযোগ উঠেছে। ওই জমির মালিকগন হারাহারি গড়োয়ানা ওয়ারিশ বন্টনমূলে বিভিন্ন মৌজায় বিভিন্ন খতিয়াভূক্ত সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে বসবাস শুরু করলে উথুরা মৌজার ৫৮ নম্বর সিএস খতিয়ানের সমুদয় সম্পত্তি জাগির মামুদ সরকারে নামে ৫৮ নম্বর সিএস খতিয়ানের মালিক হিসাবে ১০৪ নম্বর আরওআর রেকর্ডভূক্ত হয়। যুগ যুগ ধরে ভোগ দখল ও চাষাবাদ করতে গিয়ে ্িরব্রটিশ আমলে খাজনা পরিশোধের অভাবে দুইবার করে নিলাম ঘোষণা হয়। তাহাও আরওআর মালিকগন আইয়ুব আলী এবং নায়েব আলী আকন্দ নিলাম খরিদ করেন। এইভাবে ভোগ দখল চলা অবস্থায় বিগত ভূমি জরিপকালে আইন অমান্যকারী মাহমুদুল হাসান সোহেল, ইছাহাক আলী, আব্দুস ছালাম এবং মনিবুর রহমান সাকু আকন্দ গং বিজ্ঞ আদালতে ষোষণামূলক ১৮৯/৯৪ নম্বর অন্য প্রকার মোকাদ্দমা দায়ের করে এক তরফা ডিক্রি করিয়ে একভাবে, আবার ভূমি জরিপ হাসিল করে আরেকভাবে। এখানেই আইন আদালত অবমাননার ঘটনা শুরু। পরবর্তীতে জমির প্রকৃত মালিকগন জানার পর দুলাল আকন্দ গং একতরফা ডিক্রি রদ ও রহিত করার মামলা, জরিপ সংশোধ মামলা, কিছু কিছু বেদখল ভূমি উচ্ছেদসহ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে মামলা করেন। এতে ভালুকা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা নম্বর ২৮১/২১ নম্বর মোকাদ্দমার বিবাদীগণের নামে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি হলে কেউ কেউ সময়ের দরখাস্ত দিয়ে, কেউ আবার আপত্তি জানিয়ে সময় ক্ষেপন করে অবৈধ স্থাপনা নিমার্ণসহ একের পর এক জমি বিক্রি করে চলেছেন। আর এলাকায় প্রচার করে চলেছেন যে, মামলা নিস্পত্তি করে ফেলেছেন। অথচ মামালা চূড়ান্ত শুনানীই হয়নি। মামলার বাদি দুলাল আকন্দ জানান, আমাদের লোকবল না থাকার সুযোগে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিপক্ষরা আমাদের জমি ভোগদখল কওে রেখেছেন। আমি মামলা করার পর বিবাদীগন আদালত অবমাননা করে একের পর এক জমি বিক্রি কওে চলেছেন। শুধু তাই নয়, আমি জমি বিক্রিতে বাঁধা দিতে গেলে প্রতিপক্ষরা আমাকে খুম জখমের হুমকী দিয়ে আসছেন। জমির ক্রেতা বুলবুল জানান, মনিবুর রহমান সাকু আকন্দের দুই ফুফুর কাছ থেকে ২০১৯ সালে সাড়ে তিন শতক জমি সাফকবলা করে নেন। পরে ওই জমির নামজারি ও জমাখারিজ করেন। তবে মামলার বিষয়টি তাকে জানানো হয়নি বলে বুলবুল জানান। মামলার বিবাদী মাহমুদুল হাসান সোহেল জানান, আমরা বৈধ জমির মালিকের কাছ থেকে জমি ক্রয় কওে স্থাপনা নিমার্ণ করছি। প্রতিপক্ষরা আমাদের বিরুদ্ধে ৬ টি মামলা করেছেন এবং মামলাগুলো চলামান আছে। আদালত এ ব্যাপারে যে সিদ্ধান্ত দিবেন, তাই আমরা মেনে নিবো।