মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রামের সাবেক এমপি প্রফেসর মাসুদা এম, রশীদ চৌধুরীর ১ম মৃত্যুবার্ষিকী

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২

বর্তমান একাদশ জাতীয় সংসদের মরহুম সংসদ সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর, বীরমুক্তিযোদ্ধা, ড. মাসুদা এম, রশীদ চৌধুরী’র গতকাল মঙ্গলবার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী।
ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট, শিক্ষক, চিত্রশিল্পী, নারী উদ্যোগতা, রাজনীতিবিদ এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সংরক্ষিত আসনের এমপি ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন প্রফেসর মাসুদা।
তিনি একমাত্র নারী ব্যবসায়ী নেত্রী যিনি সর্বোচ্চ ভোটে এফবিসিসিআই পরিচালক নির্বাচিত হন। সর্বোচ্চ ভোটে একাধারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনবার সিনেট সদস্য, তিনবার সিন্ডিকেট সদস্য ও একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য হন। তিনি সার্ক চেম্বার অব কমার্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট, ইউনেস্কো ক্লাব অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট, ওআইসি টাস্কফোর্সে বাংলাদেশের প্রতিনিধি, জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও প্রেসিডিয়াম সদস্য, এসএমই ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি, বিসিক এবং ইপিবি’র পরিচালক, নাসিবের সহ-সভাপতি, বাংলা ক্রাফ্টের সভাপতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট লিডার, আন্তর্জাতিক এশিয়ান আর্ট বিএনএলের সমন্বয়কারী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টুরিস্ট সোসাইটির প্রধান উপদেষ্টা ও মডারেটর,পরিকল্পনা কমিশন ও মাইডাসের কনসাল্ট্যান্ট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং ক্লাবের উপদেষ্টা, বিজিএমইএ এবং বারভিডা’র একাধিকবার নির্বাচন কমিশনার, খ-কালীন প্রফেসর- বুয়েট, চারুকলা অনুষদ এবং পিপলস্ ইউনির্সিটির ডিন পদে দায়িত্ব পালন করেন এই মহীয়সী নারী এবং অর্জন করেন ৭৬টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। ১৯৮৬ সালে ফিলিপাইনস থেকে ১৫, ০০০ নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টির কারণে সে দেশের সর্বোচ্চ পদকে ভূষিত হন।
সমাজ বিজ্ঞান, নারী উদ্যোক্তা, রাজনীতি, চিত্র কলার উপরে লিখেছেন তিনি ৭৪টি বই।
তার পিতা মরহুম আবুল মনসুর পাকিস্তানের শীর্ষ ব্যবসায়ী, মাতা মৌসুফা মনসুর বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা সংস্থার সভানেত্রী ও চট্টগ্রাম বাওয়া স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা। নানা খাঁন বাহাদুর আবুল মজিদ জিয়াউস সামস্ ছিলেন ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান পার্লামেন্টের শিক্ষামন্ত্রী। দাদা খাঁন বাহাদুর টি আহম্মেদ উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম ডিপিআই ও ঢাকা ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা। পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের বিরোধী দলের নেতা এ কে এম ফজলুল কবির চৌধুরী’র জ্যেষ্ঠ পুত্রবধূ তিনি। তার স্বামী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট এ বি এম ফজলে রশীদ চৌধুরী। তিনি পুত্র ব্যারিস্টার সানজীদ রশীদ চৌধুরী এবং কন্যা সানজানার জননী। রাউজানের সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী তার দেবর।
দেশে নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি, শিক্ষা’র প্রসার, সোনারগাঁও লোকশিল্প জাদুঘরকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, চট্টগ্রামের মুসলিম ইনস্টিটিউটের পুনঃ নির্মাণে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের বিএফএ ছাত্রী থাকাকালীন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের নেতৃত্বে তিনি সরাসরি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। গতবছর এ দিনে, ঢাকার বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মরহুমার রুহের মাগফিরাতের জন্য ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বাসভবনে এবং রাউজানের পারিবারিক বাসভবনে পবিত্র কোরআনখানি, মিলাদ মাহফিল এবং দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com