মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
জয়পুরহাটে ১ লাখ ৩৫ হাজার মেট্রিক টন শাক সবজি উৎপাদন হয়েছে সাউথইস্ট ব্যাংক রেমিট্যান্স ক্যাম্পেইনের সাথে ১০টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা জেলার হাজরাহাটী এলাকায় শীতবস্ত্র বিতরণ করল শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক শ্রীমঙ্গল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচন ঝলক সভাপতি এবং আখতার সম্পাদক সংগীত পরিচালক আনোয়ার জাহান নান্টু আর নেই এ যেন চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষের প্রতিচ্ছবি, পদধ্বনি: প্রিন্স ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপ তুরস্ক ও সিরিয়া, মৃত প্রায় ২০০০ প্রতিটি জায়গায় লুটপাটের কারণে দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাচ্ছে : খসরু হিরো আলম নিয়ে কিছুই বলিনি, ফখরুলের মন্তব্যের জবাব দিয়েছি: কাদের তিন ফসলি জমিতে সরকারি প্রকল্পও নয়: প্রধানমন্ত্রী

কুমিল্লার লালমাইয়ের টিলাগুলোতে সবুজ পাতা মেলেছে চা গাছগুলো

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৩

জেলার লালমাইয়ের টিলাগুলোতে সবুজ পাতা মেলেছে চা গাছগুলো। পৌষের মিষ্টি রোদে নতুন কুড়িগুলো আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। বছর দু’য়েকের মধ্য ডালপালাগুলো ঝুপড়ি হয়ে উঠবে। পরিপূর্ণ হবে গাছগুলো। গাছের ডাল থেকে কঁচি পাতা সংগ্রহ করা হবে। সেই পাতা থেকে হবে চা। চায়ের সুঘ্রাণে মনমাতাবে সবার। এমন স্বপ্ন নিয়েই কুমিল্লা লালমাই পাহাড়ে গড়ে তোলা হয়েছে একটি চা বাগান। চা বাগানের মালিক তারিকুল ইসলাম মজুমদার শখের বসেই কুমিল্লা লালমাই পাহাড়ের বড় ধর্মপুর এলাকায় প্রায় এক একর জমিতে ছয় হাজার চা গাছ রোপণ করেছেন। তার ইচ্ছে এখানে চাপাতা প্রক্রিয়াকরণের কারখানাও করবেন। লালমাই পাহাড়ে উৎপাদিত চা দেশ ও দেশের বাহিরে বিখ্যাত হবে। সে লক্ষ্য গত বছরে মার্চ মাসে ৩ হাজার এবং জুন জুলাই মাসে আরো ৩ হাজার চা গাছ রোপণ করেন। অদূর ভবিষ্যতে আরো অন্তত ৬ হাজার একর জমিতে অন্তত ১০ হাজার চা গাছ রোপণ করার ইচ্ছে রয়েছে। তারিকুল ইসলাম মজুমদার বাসসকে বলেন, শখের বসে চা বাগান তৈর করেছি। বিটি ২ জাতের চা গাছ রোপণ করেছি। বর্তমানে এ জাতের চায়ের রং স্বাদ খুবই চমৎকার। বাজারে বিটি ২ জাতের চাহিদা ব্যাপক।
শ্রীমঙ্গলে আমার এক উপজাতি বন্ধু আছে। তার নাম জিডি সান। সে খাসিয়াদের রাজা। চা বাগান করতে সেই মূলত আমাকে সহযোগিতা করেছে। জিডি সান দলবল নিয়ে কুমিল্লায় আসেন। জিডি সান জানান, লালমাই পাহাড়ের মাটি চা চাষের জন্য খুবই উপযোগী। তারপর আমি চা বাগান করতে আগ্রহী হই। এর আগে শ্রীমঙ্গলে চায়ের বাগান করতে গিয়ে আমি সফল হই নি। তবে লালমাই পাহাড়ে চা বাগান শুরু করেছি। নিজের জেলায় নিজের বাড়ির কাছে। আশাকরি ব্যর্থ হবো না। তারিকুল ইসলাম মজুমদার বলেন, এখানে আমার দেখাদেখি অন্যরা উদ্যোগী হবে চা বাগান করতে। পাশাপাশি আমি এখানে চা তৈরির কারখানা করার ইচ্ছে আছে। যেন লালমাই পাহাড়ে উৎপাদিত চা কুমিল্লা জেলার চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করা যায়।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান বাসসকে বলেন, লালমাই পাহাড় চা চাষের জন্য অনেক উপযোগী। লাল মাটির এ পাহাড়ে যদি বৃহৎ আকারে চা চাষের পরিকল্পনা করা যায় তাহলে এখান থেকে চা নিয়ে ভালো কিছু করা সম্ভব। সে লক্ষ্য পূরণে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উদ্যোক্তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সব রকম সাপোর্ট করবে।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com