শরীর সুস্থ রাখতে চাইলে প্রতিদিন নিয়ম করে পানি পান করতেই হয়। সারা দিনে দুই লিটারের কম পানি খেলে শরীর শুকিয়ে যেতে পারে। সবচেয়ে ভালো হয় যদি আপনি দিনে তিন-চার লিটার
অতিরিক্ত তৈলাক্ত, মশলাদার খাবার খেয়ে, রাত জেগে আড্ডার ফলে শরীরের মতো ত্বকেও ক্লান্তির ছাপ পড়ে। চেহারায় ক্লান্তির ছাপ থাকলে সাজের সবটাই মাটি হয়ে যায়। তাই ত্বকের জেল্লা কীভাবে ফিরিয়ে আনবেন
বলা হয়, রক্তদান মানে জীবন দান। কেননা রোগীর শরীরে রক্তের অভাব ঘটলে, জীবনরক্ষা করার একমাত্র উপায় হলো অবিলম্বে তাকে রক্ত দেয়া। কিন্তু চাইলেই আপনি রক্তদান করতে পারবেন না। রক্তদানের ক্ষেত্রে
ত্বক শরীরের প্রতিরক্ষা বেষ্টনি। সুস্থ থাকার জন্য ত্বক অক্ষত রাখা জরুরি। যদিও আমরা এর যতœ নিয়ে বাহ্যিক সৌন্দর্য বাড়ানোর চেষ্টা করি। এ জন্য ব্যবহার করি প্রসাধন সামগ্রী। অনেক সময় না-জেনেও
শীতের মৌসুমে ত্বকের আর্দ্রতা হারাতে শুরু করে। এই সময়ে ত্বকের রুক্ষতা বেড়ে যায় বহুগুণে। এবং সেই সঙ্গে ত্বক ফাটার সমস্যা তো লেগেই থাকে। এসময়ে অনেকেরই ত্বক ফাটা, স্কিন ফ্লেকিং ও
চলছে আবহাওয়া পরিবর্তনের মৌসুম। দিনে যদিও গরম থাকে কিন্তু রাত বাড়লে কমছে সেই তাপমাত্রা। তবে ভোরের দিকের হাওয়াটা জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। যদিও শীত আসতে কিছুটা দেরি আছে এখনো,