ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার এক সপ্তাহের মাথায় মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে উঠেছে। যদিও সামরিক দিক থেকে কিছু অগ্রগতি আছে, তবু রাজনৈতিক ও কৌশলগত পরিণতি
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, কোনো দেশ থেকে সরাসরি হামলা না হলে ভবিষ্যতে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোকে আর লক্ষ্যবস্তু
ইরানের তৈরি সস্তা ড্রোনের মুখে ব্যাপক অর্থনৈতিক ও কৌশলগত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা। ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,
ইসরায়েলি ও মার্কিন নেতারা জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক লড়াই আরও কয়েক সপ্তাহ ধরে চলতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্র বলছে, এটা কোনো সমস্যাই নয়, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক
খামেনেয়ীর মৃত্যুর পর বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কট্টরপন্থী সদস্যরা আরো সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে, যারা ধর্মতাত্ত্বিক বিষয়ের চেয়ে পশ্চিমা বিশ্ব ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াইকে বেশি গুরুত্ব দেয়। বর্তমান নেতৃত্বের ওপর
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। নেতানিয়াহুর কার্যালয় ছাড়াও ইসরায়েলি বিমান বাহিনী প্রধানের সদরদপ্তরকে লক্ষ্যবস্তু করেছে ইরান। সোমবার আইআরজিসির এক বিবৃতির