ঢাকা ০৭:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo রাজশাহী অঞ্চলে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের AML/CFT (Anti-Money Laundering and Combating Financing of Terrorism) বিষয়ক কর্মশালার আয়োজন Logo চামড়া ও চামড়াজাত শিল্প বিকাশ এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রাক-অর্থায়ন স্কিম-এ অংশগ্রহণ চুক্তি স্বাক্ষর Logo অটোরিকশা চলাচলে সরকারের নতুন বিধিমালা, নিবন্ধন শুরু আজ Logo হাইকোর্টে জামিন পেলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান Logo আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার Logo পরিবহন সেক্টরে শৃঙ্খলা আনতে সাংবাদিক, পুলিশ ও মালিক-শ্রমিকদের সহযোগিতা লাগবে: শিমুল বিশ্বাস Logo দেশের বিশাল যুবশক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo জাতীয় সাঁতারে ২০ রেকর্ড, সেরা সামিউল ও মাইশা Logo কেউ এআই চশমা পরে আছে কি না, বুঝবেন যেভাবে Logo প্রতিদিনের যে খাদ্যাভ্যাস সুস্থ রাখবে লিভার

পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ কাটার অভিযোগ, মামলা ঠেকাতে লাখ টাকার মিশন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপকূলের প্রতিরক্ষায় সরকারী বেড়িবাঁধ কেটে ১৫টি পাইপ (নাসি) বসানোর অভিযোগে প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দিয়েছে। এ ঘটনায় বান্দরবান পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন মগনামা ইউনিয়নের শরৎঘোনা প্রতিরক্ষা বাঁধ কেটে পাইপ (নাসি) বসানোর চেষ্টা করেন হারুন মাতবরপাড়ার জাহাঙ্গীর আলম ও তাঁর ছেলে নুর মুহাম্মদ, লালমিয়া পাড়ার আব্দু ছাত্তারের ছেলে মনু এবং শরৎঘোনার জহিরুল ইসলাম। গত রোববার (২ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে শরৎঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরী গ্রাম পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি মাটি কাটার যন্ত্র (এক্সেভেটর) ও সেখানে মজুত রাখা ১৫টি নাসি জব্দ করেছে। তাৎক্ষণিকভাবে মাটি কাটার কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরদিন সোমবার বিকেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুরুল আখতার নিলয় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে কর্তন করা অংশ পুনরায় মাটি দিয়ে ভরাট করা হয়। এদিকে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নির্দেশনার পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসলে তারা মামলা এড়াতে বিভিন্ন মহলে তদবির শুরু করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রভাব খাটিয়ে মামলা থেকে রক্ষা পেতে তারা বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, জাহাঙ্গীর আলম, নুর মুহাম্মদ, মনু ও জহিরুল ইসলামের একটি সংঘবদ্ধ চক্র রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বাঁধ কেটে লবণ মাঠ ও চিংড়িঘেরে পানি সরবরাহের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, লবণ মৌসুমে তারা প্রতি কানি লবণ মাঠ থেকে ৩ হাজার টাকা এবং চিংড়িঘেরের জন্য প্রতি কানি জমি থেকে ৪ হাজার টাকা করে আদায় করেন। এ বিষয়ে বান্দরবান পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অপু দেব বলেন, আমাদের কাছে একজন আবেদন করেছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, মিথ্যা তথ্য দিয়ে বাঁধ কেটে নাসি বসানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের মাঠকর্মী জমির উদ্দিন থানায় লিখিত অভিযোগ দেবেন। তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মেহেদী হাসান বলেন, এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী অঞ্চলে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের AML/CFT (Anti-Money Laundering and Combating Financing of Terrorism) বিষয়ক কর্মশালার আয়োজন

পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ কাটার অভিযোগ, মামলা ঠেকাতে লাখ টাকার মিশন

আপডেট সময় ০২:৪৪:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

কক্সবাজারের পেকুয়া উপকূলের প্রতিরক্ষায় সরকারী বেড়িবাঁধ কেটে ১৫টি পাইপ (নাসি) বসানোর অভিযোগে প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দিয়েছে। এ ঘটনায় বান্দরবান পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন মগনামা ইউনিয়নের শরৎঘোনা প্রতিরক্ষা বাঁধ কেটে পাইপ (নাসি) বসানোর চেষ্টা করেন হারুন মাতবরপাড়ার জাহাঙ্গীর আলম ও তাঁর ছেলে নুর মুহাম্মদ, লালমিয়া পাড়ার আব্দু ছাত্তারের ছেলে মনু এবং শরৎঘোনার জহিরুল ইসলাম। গত রোববার (২ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে শরৎঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরী গ্রাম পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি মাটি কাটার যন্ত্র (এক্সেভেটর) ও সেখানে মজুত রাখা ১৫টি নাসি জব্দ করেছে। তাৎক্ষণিকভাবে মাটি কাটার কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরদিন সোমবার বিকেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুরুল আখতার নিলয় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে কর্তন করা অংশ পুনরায় মাটি দিয়ে ভরাট করা হয়। এদিকে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নির্দেশনার পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসলে তারা মামলা এড়াতে বিভিন্ন মহলে তদবির শুরু করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রভাব খাটিয়ে মামলা থেকে রক্ষা পেতে তারা বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, জাহাঙ্গীর আলম, নুর মুহাম্মদ, মনু ও জহিরুল ইসলামের একটি সংঘবদ্ধ চক্র রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বাঁধ কেটে লবণ মাঠ ও চিংড়িঘেরে পানি সরবরাহের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, লবণ মৌসুমে তারা প্রতি কানি লবণ মাঠ থেকে ৩ হাজার টাকা এবং চিংড়িঘেরের জন্য প্রতি কানি জমি থেকে ৪ হাজার টাকা করে আদায় করেন। এ বিষয়ে বান্দরবান পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অপু দেব বলেন, আমাদের কাছে একজন আবেদন করেছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, মিথ্যা তথ্য দিয়ে বাঁধ কেটে নাসি বসানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের মাঠকর্মী জমির উদ্দিন থানায় লিখিত অভিযোগ দেবেন। তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মেহেদী হাসান বলেন, এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি।