ঢাকা ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বোয়ালমারী প্রাণিসম্পদ দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ; প্রশ্নের মুখে উন্নয়ন বরাদ্দ ও মাঠসেবা Logo ঈশ্বরগঞ্জে গভীর রাতে কৃষি ব্যাংকে ডাকাতির চেষ্টা-যুবক গ্রেফতার Logo সাংবাদিক আলিফ হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন Logo বালাগঞ্জ-ওসমানীনগর উপজেলা কল্যাণ সমিতি, সিলেটের নতুন কমিটি গঠন Logo সুনামগঞ্জের ৪৪৪টি পূজামন্ডপে সম্পন্ন হলো শারদীয় দুর্গাপূজা, প্রতিমা বির্সজনে সমাপ্ত Logo স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রচেষ্টায় সেই জলকদর খালে এবার নির্মিত হবে পাকা সেতু Logo রাউজান কদলপুরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রাক্তন ছাত্র সমিতির বই বিতরণ Logo মতলবে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬৪ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জগন্নাথকাঠীতে রাতের অন্ধকারে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিষ্ঠানে তালা! Logo দলের দুঃসময়ে পাশে ছিলেন, পহরডাঙ্গা ইউপিতে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ঠাকুর আবুল আজম

প্রয়োজনে পরস্পরের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে পারবে ভারতীয় এবং রুশ সেনা, প্রতিরক্ষা চুক্তি প্রকাশ করল মস্কো

একে অপরের ভূখণ্ডে ভারত ও রাশিয়াকে ৩,০০০ সৈন্য, ৫টি যুদ্ধজাহাজ ও ১০টি বিমান মোতায়েনের অনুমতি দেওয়া চুক্তি কার্যকর করেছে। রাশিয়ার সরকারি আইনি তথ্য পোর্টাল শুক্রবার জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে নয়াদিল্লি ও মস্কোর মধ্যে স্বাক্ষরিত এবং এই বছরের ১২ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়া একটি চুক্তির অংশ হিসেবে ভারত ও রাশিয়া এখন একে অপরের ভূখণ্ডে ৩,০০০ সৈন্য এবং সীমিত সংখ্যক নৌ জাহাজ ও বিমান মোতায়েন করতে পারবে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে রাশিয়া চুক্তিটি অনুমোদনকারী আইনটি পাস করে।ভারত-রাশিয়া পারস্পরিক রসদ বিনিময় চুক্তি (RELOS) অনুযায়ী, ‘পাঁচটি যুদ্ধজাহাজ, দশটি বিমান এবং তিন হাজার সৈন্যকে অংশীদার দেশের ভূখণ্ডে একযোগে পাঁচ বছরের জন্য মোতায়েন করা যাবে এবং উভয় পক্ষ সম্মত হলে তা আরও পাঁচ বছরের জন্য বাড়ানো যেতে পারে,’ রুশ সংসদ কর্তৃক অনুমোদনের পর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কমিটির প্রথম ডেপুটি চেয়ারম্যান ভ্যাচেস্লাভ নিকোনভ সম্প্রতি মস্কোতে স্টেট ডুমাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এই চুক্তিতে দুই দেশের আকাশসীমার পারস্পরিক ব্যবহার এবং রাশিয়া ও ভারতীয় যুদ্ধজাহাজের একে অপরের বন্দর বা পোতাশ্রয়ে প্রবেশের বিষয়টিকেও নিশ্চিত করেছে। রয়েছে সামরিক পরিকাঠামো ব্যবহারের প্রসঙ্গও।
শুধু যৌথ উদ্যোগে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম নির্মাণ কিংবা প্রযুক্তি হস্তান্তর নয়, সম্ভাব্য সংঘাত-পরিস্থিতিতে ভারত এবং রাশিয়া একে অন্যের ভূখণ্ড ও সামরিক পরিকাঠামোও ব্যবহার করতে পারবে। গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে সই হওয়া দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তিতে এই বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানাল রুশ সংবাদ সংস্থা ‘তাস’।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি, রাশিয়া ও ভারতের মধ্যে সেনাকর্মী ও সামরিক সরঞ্জামের পাশাপাশি জাহাজ ও যুদ্ধবিমান একে অপরের ভূখণ্ডে পাঠানোর পদ্ধতি সম্পর্কিত চুক্তির শর্তাবলী শুক্রবার সরকারি ভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সরকার জানিয়েছে, যৌথ মহড়া, প্রশিক্ষণ, মানবিক সহায়তা প্রদান, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মানবসৃষ্ট বিপর্যয়ের মোকাবিলা এবং পারস্পরিক সম্মতিতে অন্যান্য ক্ষেত্রেও পরস্পরের সামরিক পরিকাঠামো ব্যবহার করা যাবে।
এই চুক্তিতে দুই দেশের আকাশসীমার পারস্পরিক ব্যবহার এবং রাশিয়া ও ভারতীয় যুদ্ধজাহাজের একে অপরের বন্দর বা পোতাশ্রয়ে প্রবেশের বিষয়টিকেও নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে পুতিনের ভারত সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকের পরে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা চুক্তি সই হয়েছিল। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহের সঙ্গে রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রে বেলুসোভের বৈঠকে চূড়ান্ত হয়েছিল চুক্তির রূপরেখা। সেটি আইনগত ভাবে কার্যকর করতে গত ডিসেম্বরে সামরিক বিধির প্রয়োজনীয় সংশোধন করেছিল মস্কো। নয়াদিল্লি-মস্কো যৌথ উদ্যোগে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পে তৈরি অস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জাম ভারত যাতে তৃতীয় দেশে রফতানি করতে পারে, বিধি সংশোধনের মাধ্যমে তারও ছাড়পত্র দিয়েছে পুতিন সরকার।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বোয়ালমারী প্রাণিসম্পদ দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ; প্রশ্নের মুখে উন্নয়ন বরাদ্দ ও মাঠসেবা

প্রয়োজনে পরস্পরের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে পারবে ভারতীয় এবং রুশ সেনা, প্রতিরক্ষা চুক্তি প্রকাশ করল মস্কো

আপডেট সময় ০৯:১১:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

একে অপরের ভূখণ্ডে ভারত ও রাশিয়াকে ৩,০০০ সৈন্য, ৫টি যুদ্ধজাহাজ ও ১০টি বিমান মোতায়েনের অনুমতি দেওয়া চুক্তি কার্যকর করেছে। রাশিয়ার সরকারি আইনি তথ্য পোর্টাল শুক্রবার জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে নয়াদিল্লি ও মস্কোর মধ্যে স্বাক্ষরিত এবং এই বছরের ১২ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়া একটি চুক্তির অংশ হিসেবে ভারত ও রাশিয়া এখন একে অপরের ভূখণ্ডে ৩,০০০ সৈন্য এবং সীমিত সংখ্যক নৌ জাহাজ ও বিমান মোতায়েন করতে পারবে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে রাশিয়া চুক্তিটি অনুমোদনকারী আইনটি পাস করে।ভারত-রাশিয়া পারস্পরিক রসদ বিনিময় চুক্তি (RELOS) অনুযায়ী, ‘পাঁচটি যুদ্ধজাহাজ, দশটি বিমান এবং তিন হাজার সৈন্যকে অংশীদার দেশের ভূখণ্ডে একযোগে পাঁচ বছরের জন্য মোতায়েন করা যাবে এবং উভয় পক্ষ সম্মত হলে তা আরও পাঁচ বছরের জন্য বাড়ানো যেতে পারে,’ রুশ সংসদ কর্তৃক অনুমোদনের পর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কমিটির প্রথম ডেপুটি চেয়ারম্যান ভ্যাচেস্লাভ নিকোনভ সম্প্রতি মস্কোতে স্টেট ডুমাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এই চুক্তিতে দুই দেশের আকাশসীমার পারস্পরিক ব্যবহার এবং রাশিয়া ও ভারতীয় যুদ্ধজাহাজের একে অপরের বন্দর বা পোতাশ্রয়ে প্রবেশের বিষয়টিকেও নিশ্চিত করেছে। রয়েছে সামরিক পরিকাঠামো ব্যবহারের প্রসঙ্গও।
শুধু যৌথ উদ্যোগে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম নির্মাণ কিংবা প্রযুক্তি হস্তান্তর নয়, সম্ভাব্য সংঘাত-পরিস্থিতিতে ভারত এবং রাশিয়া একে অন্যের ভূখণ্ড ও সামরিক পরিকাঠামোও ব্যবহার করতে পারবে। গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে সই হওয়া দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তিতে এই বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানাল রুশ সংবাদ সংস্থা ‘তাস’।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি, রাশিয়া ও ভারতের মধ্যে সেনাকর্মী ও সামরিক সরঞ্জামের পাশাপাশি জাহাজ ও যুদ্ধবিমান একে অপরের ভূখণ্ডে পাঠানোর পদ্ধতি সম্পর্কিত চুক্তির শর্তাবলী শুক্রবার সরকারি ভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সরকার জানিয়েছে, যৌথ মহড়া, প্রশিক্ষণ, মানবিক সহায়তা প্রদান, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মানবসৃষ্ট বিপর্যয়ের মোকাবিলা এবং পারস্পরিক সম্মতিতে অন্যান্য ক্ষেত্রেও পরস্পরের সামরিক পরিকাঠামো ব্যবহার করা যাবে।
এই চুক্তিতে দুই দেশের আকাশসীমার পারস্পরিক ব্যবহার এবং রাশিয়া ও ভারতীয় যুদ্ধজাহাজের একে অপরের বন্দর বা পোতাশ্রয়ে প্রবেশের বিষয়টিকেও নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে পুতিনের ভারত সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকের পরে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা চুক্তি সই হয়েছিল। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহের সঙ্গে রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রে বেলুসোভের বৈঠকে চূড়ান্ত হয়েছিল চুক্তির রূপরেখা। সেটি আইনগত ভাবে কার্যকর করতে গত ডিসেম্বরে সামরিক বিধির প্রয়োজনীয় সংশোধন করেছিল মস্কো। নয়াদিল্লি-মস্কো যৌথ উদ্যোগে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পে তৈরি অস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জাম ভারত যাতে তৃতীয় দেশে রফতানি করতে পারে, বিধি সংশোধনের মাধ্যমে তারও ছাড়পত্র দিয়েছে পুতিন সরকার।