ঢাকা ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কালীগঞ্জ পৌর এলাকার ১০ কিলোমিটার মহাসড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, বেপরোয়া বাস ও অবৈধ পার্কিংয়ে আতঙ্ক Logo আবুল কালাম এম.পির আন্তরিক প্রচেষ্টায় লাকসামে উন্নয়নের বিপ্লব: ৭ মাসে সাড়ে ৩৩ কোটি টাকায় ৪৯ প্রকল্প বাস্তবায়ন Logo বদলগাছীতে সহোদর দুই বোনকে বিয়ে করলেন টিকটকার মাসুদ Logo চাঁদপুরের প্রতিটি ইউনিয়নে গড়ে তোলা হবে একটি করে পাঠাগার-জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান Logo গ্রাম্য আদালতকে উপেক্ষা করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ Logo কলমাকান্দায় কাঠের সেতু সংস্কার, উদ্বোধন করল শিক্ষার্থীরা Logo রাষ্ট্র কাঠামো পরিবর্তন না হলে তারেক রহমানও শেখ হাসিনার পথে হাঁটবেন-আহবায়ক নাহিদ ইসলাম Logo গণ-অধিকার পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য রেলি ও আলোচনা সভা Logo লালমোহনে স্পিকারের অনুদানের চেক পেলেন ১৯০টি অসহায় ও দুস্থ পরিবার Logo মাতামুহুরীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের মহোৎসব: ভারী ট্রাকে পিষ্ট হয়ে ভেঙে চৌচির ১৫ কিমি সড়ক হুমকিতে বেতুয়াবাজার ব্রিজ ও নদীর গাইড ওয়াল, প্রশাসনের কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি

ইউএনও’র বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলে তদন্ত কমিটির কাছে অস্বীকার

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান ছনির বিরুদ্ধে ওঠা মারধরের অভিযোগ করলেও তদন্ত কমিটির কাছে অস্বীকার করেছে অভিযোগকারী। মারধরের অভিযোগের বিষয়টি তিনি ভুল বোঝাবুঝি বলে জানিয়েছেন। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, গত পহেলা এপ্রিল আসাদুজ্জামান টুটুল নামে এক ব্যাক্তি উপজেলা ভূমি অফিসের গেটের সামনে ভ্যানে করে মাইকিং করেন এবং খাজনা আদায়ের প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন অভিযোগের কথা তুলে ধরেন। পরে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে তাকে ইউএনও কার্যালয়ে ডেকে পাঠানো হয়। কিন্তু কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পরপরই টুটুল ইউএনও’র বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তোলেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হলে বিষয়টি তদন্তের জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রশাসন। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিলো অভিযোগকারীর বক্তব্য শুনার জন্যই তাকে ডাকা হয়েছিল ইউএনও অফিসে। স্মারকলিপি দিয়ে তিনি ইউএনও অফিস ত্যাগ করেন। বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাদিয়া আফরিনের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটির সদস্যরা অভিযোগকারী আসাদুজ্জামান টুটুলের বাড়িতে গেলে মারধরের বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি ছিল বলে তদন্ত কমিটিকে জানান। এছাড়াও ভূমি অফিসের সামনে ভ্যানে মাইকিং করার পদ্ধতি তার ঠিক হয়নি। এসময় তিনি খাজনা আদায়ের বর্তমান প্রক্রিয়াকে ‘কালো আইন’ আখ্যা দিয়ে সংশোধনের দাবি জানান তদন্ত কমিটির কাছে। স্থানীয় ফিরোজ, মাহবুব, জামিলসহ কয়েকজন বলেন, টুটুল নামে ওই ব্যাক্তি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মানুষ ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে অস্থিরতা সৃষ্টি করেন। পরবর্তীতে সেগুলো থেকে সরে দাঁড়ান। তার বেশিরভাগ অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। অভিযোগকারীর পরিবারের সদস্য সালমা ও ইভা বলেন, টুটুলের স্থায়ী বসবাস বা নির্দিষ্ট পেশাগত পরিচয় নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তার ব্যক্তিগত জীবন ও কর্মকা- সম্পর্কেও স্পষ্ট ধারণা নেই। কোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনূর ইসলাম স্বপন বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্তে আসার খবরে জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমি সেখানে যাই। পরে তিনি সকলের সামনে ভুল স্বীকার করে ভূল বোঝাবুঝি ছিল বলে জানান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান বলেন, আসাদুজ্জামান টুটুল নামে ওই ব্যাক্তির কাছে থেকে স্মারকলিপি গ্রহণের উদ্দেশ্যে ডাকা হয়েছিল। পরে এখান থেকে বের হয়ে আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলেন সেগুলো সত্য নয়। তারপরও তদন্ত চলছে। তদন্তে প্রকৃত সত্য উঠে আসবে। তদন্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাদিয়া আফরিন বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন আমরা তৈরী করছি। কয়েকদিনের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালীগঞ্জ পৌর এলাকার ১০ কিলোমিটার মহাসড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, বেপরোয়া বাস ও অবৈধ পার্কিংয়ে আতঙ্ক

ইউএনও’র বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলে তদন্ত কমিটির কাছে অস্বীকার

আপডেট সময় ০২:৫১:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান ছনির বিরুদ্ধে ওঠা মারধরের অভিযোগ করলেও তদন্ত কমিটির কাছে অস্বীকার করেছে অভিযোগকারী। মারধরের অভিযোগের বিষয়টি তিনি ভুল বোঝাবুঝি বলে জানিয়েছেন। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, গত পহেলা এপ্রিল আসাদুজ্জামান টুটুল নামে এক ব্যাক্তি উপজেলা ভূমি অফিসের গেটের সামনে ভ্যানে করে মাইকিং করেন এবং খাজনা আদায়ের প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন অভিযোগের কথা তুলে ধরেন। পরে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে তাকে ইউএনও কার্যালয়ে ডেকে পাঠানো হয়। কিন্তু কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পরপরই টুটুল ইউএনও’র বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তোলেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হলে বিষয়টি তদন্তের জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রশাসন। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিলো অভিযোগকারীর বক্তব্য শুনার জন্যই তাকে ডাকা হয়েছিল ইউএনও অফিসে। স্মারকলিপি দিয়ে তিনি ইউএনও অফিস ত্যাগ করেন। বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাদিয়া আফরিনের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটির সদস্যরা অভিযোগকারী আসাদুজ্জামান টুটুলের বাড়িতে গেলে মারধরের বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি ছিল বলে তদন্ত কমিটিকে জানান। এছাড়াও ভূমি অফিসের সামনে ভ্যানে মাইকিং করার পদ্ধতি তার ঠিক হয়নি। এসময় তিনি খাজনা আদায়ের বর্তমান প্রক্রিয়াকে ‘কালো আইন’ আখ্যা দিয়ে সংশোধনের দাবি জানান তদন্ত কমিটির কাছে। স্থানীয় ফিরোজ, মাহবুব, জামিলসহ কয়েকজন বলেন, টুটুল নামে ওই ব্যাক্তি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মানুষ ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে অস্থিরতা সৃষ্টি করেন। পরবর্তীতে সেগুলো থেকে সরে দাঁড়ান। তার বেশিরভাগ অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। অভিযোগকারীর পরিবারের সদস্য সালমা ও ইভা বলেন, টুটুলের স্থায়ী বসবাস বা নির্দিষ্ট পেশাগত পরিচয় নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তার ব্যক্তিগত জীবন ও কর্মকা- সম্পর্কেও স্পষ্ট ধারণা নেই। কোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনূর ইসলাম স্বপন বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্তে আসার খবরে জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমি সেখানে যাই। পরে তিনি সকলের সামনে ভুল স্বীকার করে ভূল বোঝাবুঝি ছিল বলে জানান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান বলেন, আসাদুজ্জামান টুটুল নামে ওই ব্যাক্তির কাছে থেকে স্মারকলিপি গ্রহণের উদ্দেশ্যে ডাকা হয়েছিল। পরে এখান থেকে বের হয়ে আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলেন সেগুলো সত্য নয়। তারপরও তদন্ত চলছে। তদন্তে প্রকৃত সত্য উঠে আসবে। তদন্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাদিয়া আফরিন বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন আমরা তৈরী করছি। কয়েকদিনের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে।