ঢাকা ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঝালকাঠিতে বাড়ছে আমড়ার চাষ ; বাম্পার ফলনে কৃষকরা খুশী Logo প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরে বাংলাদেশের স্বার্থ ও বৈশ্বিক সম্ভাবনার বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে: মাহদী আমিন Logo সলঙ্গা-তাড়াশ সড়কের বেহাল দশা: দুর্ভোগে যাত্রী ও চালক, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি Logo কীট সংকটে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু পরীক্ষা বন্ধ Logo জাংগালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ডেঙ্গু মশা নিধন সম্পর্কে র‌্যালি ও আলোচনা Logo নবীনগর দেওয়ানী আদালত পরিদর্শন করেন দুই হাইকোটের বিচারপতি Logo মনোহরগঞ্জে ২০ মাসেও শেষ হয়নি নির্মাণকাজ দুর্ভোগে কয়েক হাজার মানুষ Logo ধনবাড়ীতে পুলিশের অভিযানে ৭৮ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার Logo পাঁচবিবিতে মাওড়িতলা ব্রিজে ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল, লাইট পোস্ট দাবি Logo স্পিকারের এপিএস সবুজকে ঘিরে অপপ্রচার, প্রতিবাদ

সমুদয়কাঠীতে নোংরা রাজনীতি ও প্রতিহিংসার গ্যাঢাকলে সাংবাদিক জিয়াউদ্দীন তৌহিদ!

গ্রাম্য পলিটিক্স ও আপন ভাতিজার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গ্রামের একটা পক্ষ নোংরা রাজনীতি করার গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, বিশিষ্ট সমাজসেবক, সচেতন মানুষ এবং টকশোতে অংশ নেওয়া সুপরিচিত জিয়াউদ্দীন তৌহিদকে নিয়ে গেম খেলার জন্য নষ্ট রাজনীতি করা হয়েছে। প্রাথমিক অভিযোগ উঠেছে তার নিজ এলাকার আশেপাশে শেখ মুজিবুর রহমানের ১৫ আগষ্টের পোস্টার লাগানো নিয়ে। পোষ্টারের মধ্যে সাংবাদিক জিয়াউদ্দিন তৌহিদের ছবি ছিল। শশীদ ও সাগর কন্দা এলাকায় হুটহাট করে পোস্টারের রাজনীতি করার প্রশ্নই আসে না। বরং টকশোতে অংশ নেওয়া ও সাংবাদিক জিয়াউদ্দিন তৌহিদের আপন ভাতিজা রুবেল আল মামুন তালুকদার বিএনপির রাজনীতির মাঠে একজন যোগ্য নেতা। আগামী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের মধ্যে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন একটা পক্ষ। আর এখানেই যত গন্ডগোল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এবং গ্রামের সুশীল সমাজের লোকজন ইতিমধ্যেই বুঝতে সক্ষম হয়েছে জিয়া উদ্দিন তৌহিদ ভাইয়ের গ্রেফতারের আসল রহস্য নিয়ে! সরেজমিনে জেলা ও বিভাগের বেশ কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মীরা এলাকায় যান সঠিক তথ্য উদঘাটন করার নিমিত্তে। গত শনিবার হুটহাট করে জিয়াউদ্দিন তৌহিদের গ্রেফতার করেন স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন। শনিবার দুপুরে নিজ বাস ভবন থেকে জননন্দিত টকশোতে অংশ নেওয়া জিয়া উদ্দিন তৌহিদ ভাইকে গ্রেফতার করেন। আর সেই সূত্র ধরেই সমগ্র এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে সর্বমহলের মধ্যে। সাধারণ মানুষ সহ রাজনীতিবিদরাও হতভম্ব। কেন জিয়া উদ্দিন তৌহিদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আসলে বিগত সময়ে জিয়াউদ্দিন তৌহিদের কাজকর্ম আহমরি কোন ধরনের রাজনীতির মাঠে সম্পৃক্ত ছিল না। যদিও আওয়ামী লীগ কিংবা বিএনপিকে ভালবাসা দোষের নয়। আর সেই সূত্র ধরেই ভালবাসা আওয়ামী লীগের মধ্যে থাকতে পারে। সাধারণ মানুষের ভাষ্য, জিয়া উদ্দিন তৌহিদ একজন সচেতন এবং নিখাদ মনের মানুষ। এছাড়াও তিনি আমেরিকান প্রবাসী হলেও দীর্ঘদিন শারীরিক অসুস্থতার জন্য নিজ পৈত্রিক নিবাসে বসবাস করে আসছেন। গ্রামের বাসিন্দারা গণ মাধ্যম কর্মীদের বলেন, জিয়া উদ্দিন তৌহিদ ভাইয়ের পরিবার একধরনের জমিদার পরিবার। বিশাল সম্পতির মালিক হওয়ার কারনে সাধারণ মানুষ সব সময় উপকৃত হয়েছে। নিঃসন্দেহে একজন যোগ্য এবং চমৎকার মানুষ জিয়াউদ্দিন তৌহিদের গ্রেফতার কোনমতে মেনে নিতে পারছেন না সাধারণ মানুষেরা। গ্রামের এবং ইউনিয়নের মধ্যে একটা রতœ নিঃসন্দেহে জিয়া উদ্দিন তৌহিদ।আসলেই কঠিন প্রতিহিংসার শিকার গ্রামের একটা পক্ষের কারনে। আওয়ামী লীগের তকমা ও ষড়যন্ত্রের পোষ্টার রাজনীতি করে ঠান্ডা মাথায় গ্রেফতার করেন। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, জিয়া উদ্দিন তৌহিদকে গ্রেফতার করার মধ্য দিয়ে ভাতিজার চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্নকে ধুলিস্যাত করার মহা পরিকল্পনা একটা পক্ষের। স্থানীয় বিএনপির একটা অংশ অপপ্রচার ও গভীর ষড়যন্ত্র করে জিয়া উদ্দিন তৌহিদ নিয়ে নোংরা রাজনীতি করে তাশের ঘরের মত খানখান করার পরিকল্পনা করে যাচ্ছেন। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রুভেল আল মামুন যাতে প্রশ্ন বিদ্ব হয় আর সেই মহা পরিকল্পনা স্থানীয় বিএনপির একাংশের। স্থানীয় বিএনপির একাংশ নোংরা রাজনীতি করে ১৫ আগষ্টের শোকের মাসে দুই চারটি পোস্টার লাগানো নিয়ে গ্রেফতারটা হাস্যরসে পরিনত হয়েছে। আর সেই কারনে বিজ্ঞ রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও সহমত পোষণ করেন। সুপরিকল্পিত ভাবে শেখ মুজিবুর রহমানের ১৫ আগষ্টের দিনটিকে পুঁজি করে পোস্টার লাগানো এবং স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে গ্রেফতার! আসলেই বিচিত্র সেলুকাস আর বিচিত্র চিন্তা ভাবনা নিয়ে চলছে সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের রাজনীতির হালচাল। যেন একঢিলে দুই পাখি শিকার করা হয়েছে ঠান্ডা মাথায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রশাসনকে ব্যাবহার করা হয়েছে আইনের ফাঁক ফোকরের মধ্য দিয়ে। আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার আগমন উপলক্ষে ১৫ আগষ্টে স্থানীয় আওয়ামী লীগের লোকজন নড়াচড়া দিয়ে বসতে পারে। আর সেই কারনে একজন চমৎকার মানুষ জিয়া উদ্দিন তৌহিদের ছবি ব্যাবহারের অপরাধে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ দেশের মধ্যে একটা গভীর ষড়যন্ত্র করে আওয়ামী লীগের পোস্টার লাগিয়ে প্রচার প্রচারণা চালানো হচ্ছে নিজ গ্রামের আশেপাশে। আর সেই সূত্র ধরেই সচেতন মানুষ এবং টকশোতে অংশ নেওয়া সুপরিচিত জিয়াউদ্দীন তৌহিদ ভাইয়ের গ্রেফতারের মধ্যে আহমরি বাহাদুরি নেই। বরং সমুদয়কাঠী ইউনিয়নে বিএনপির একটা অংশ ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের রাজনীতি করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে রয়েছে। একজন জিয়া উদ্দিন তৌহিদকে তুরুপের ত্রাস বানিয়ে আগামী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে তৌহিদের আপনা ভাতিজা বিএনপির নেতার রাজনৈতিক মাঠে কাঁদা ছোড়াছুড়ি করার মিশনে রয়েছে। প্রতিপক্ষের চেয়ারম্যান প্রার্থী তৌহিদের আপন ভাতিজা রুভেল আল মামুনকে ঘায়েল করতে মরিয়া ইউনিয়নের নোংরা রাজনীতি। স্থানীয় বিএনপির একাংশ সরাসরি গণ মাধ্যম কর্মীদের বলেন আল মানুনের বাবা প্রতিষ্ঠাতা বিএনপির নেতা ছিলেন। বিএনপির গিয়াস উদ্দিন তালুকদারের সুপরিচিত সর্বমহলে গ্রহনযোগ্য ছিল। আর তাঁরই পুত্র রুবেল আল মামুন আগামীর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। ফলে এলাকার একটা অংশ সুকৌশলে টকশোতে অংশ নেওয়া এবং সচেতন মানুষ জিয়া উদ্দিন তৌহিদকে আওয়ামী লীগের সাইনবোর্ড দিয়ে নোংরা রাজনীতি করে যাচ্ছেন যত্রতত্র ভাবে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বিএনপির একটা অংশ শশীদ এলাকায় মিথ্যা গল্প সাজায় জিয়া উদ্দিন তৌহিদ ভাইকে নিয়ে। গভীর ষড়যন্ত্র করে আওয়ামী লীগের ১৫ আগষ্টের শোকের মাসে জিয়া উদ্দিন তৌহিদের পোষ্টাল প্যাকেজ করে প্রশাসনের মাধ্যমে গ্রেফতার করা হয়েছে। অথবা গ্রামের দলমত নির্বিশেষে সকলেই অবগত আছেন জিয়া উদ্দিন তৌহিদ কোন দলের রাজনীতি পছন্দ করেন না। বরং প্রায়ই টকশোতে সব দলেরই গঠন মূলক আলোচনা সমালোচনা করেন। স্থানীয় প্রশাসনের ভাষ্য ১৫ আগষ্ট জিয়া উদ্দিন তৌহিদ ভাইয়ের ছবি সমৃদ্ধ পোষ্টার লাগানো হয়েছে শশীদ এলাকায়। আর সেই খবর পাওয়ার পর পরই আমরা তাকে জিজ্ঞাসা বাদের জন্য নিয়ে আসি। আলাপ চারিতায় অপরাধ প্রমাণ হলে আইনানুসারে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। কারন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রচার প্রচারণা করা নিষেধ। এদিকে জিয়া উদ্দিন তৌহিদের পরিবারের সঙ্গে কথা হয়। এককথায় গণমাধ্যম কর্মীদের সন্মানে বলেন, এটা একটা গভীর ষড়যন্ত্র। জিয়া উদ্দিন তৌহিদকে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন বিএনপির একটা অংশ। জিয়া উদ্দিন তৌহিদ ভাইয়ের আপন ভাতিজা বিএনপির নেতা রুভেল আল মামুন আগামী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। তা-ই ঠান্ডা মাথায় একঢিলে দুই পাখি শিকারের নোংরা রাজনীতি করেছেন। তালুকদার পরিবারের কৃতি সন্তান সাংবাদিক মোঃ জিয়া উদ্দিন তৌহিদ আওয়ামী লীগের রাজনীতির মাঠে সম্পৃক্ত নয়। আমেরিকান প্রবাসী জিয়া উদ্দিন তৌহিদ ভাই একজন টকশোতে অংশ নেওয়া একজন জ্ঞানী মানুষ। আমাদের স্বরূপকাঠি উপজেলার সম্পদও বলা যায় নিঃসন্দেহে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঝালকাঠিতে বাড়ছে আমড়ার চাষ ; বাম্পার ফলনে কৃষকরা খুশী

সমুদয়কাঠীতে নোংরা রাজনীতি ও প্রতিহিংসার গ্যাঢাকলে সাংবাদিক জিয়াউদ্দীন তৌহিদ!

আপডেট সময় ০২:৪৩:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

গ্রাম্য পলিটিক্স ও আপন ভাতিজার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গ্রামের একটা পক্ষ নোংরা রাজনীতি করার গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, বিশিষ্ট সমাজসেবক, সচেতন মানুষ এবং টকশোতে অংশ নেওয়া সুপরিচিত জিয়াউদ্দীন তৌহিদকে নিয়ে গেম খেলার জন্য নষ্ট রাজনীতি করা হয়েছে। প্রাথমিক অভিযোগ উঠেছে তার নিজ এলাকার আশেপাশে শেখ মুজিবুর রহমানের ১৫ আগষ্টের পোস্টার লাগানো নিয়ে। পোষ্টারের মধ্যে সাংবাদিক জিয়াউদ্দিন তৌহিদের ছবি ছিল। শশীদ ও সাগর কন্দা এলাকায় হুটহাট করে পোস্টারের রাজনীতি করার প্রশ্নই আসে না। বরং টকশোতে অংশ নেওয়া ও সাংবাদিক জিয়াউদ্দিন তৌহিদের আপন ভাতিজা রুবেল আল মামুন তালুকদার বিএনপির রাজনীতির মাঠে একজন যোগ্য নেতা। আগামী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের মধ্যে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন একটা পক্ষ। আর এখানেই যত গন্ডগোল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এবং গ্রামের সুশীল সমাজের লোকজন ইতিমধ্যেই বুঝতে সক্ষম হয়েছে জিয়া উদ্দিন তৌহিদ ভাইয়ের গ্রেফতারের আসল রহস্য নিয়ে! সরেজমিনে জেলা ও বিভাগের বেশ কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মীরা এলাকায় যান সঠিক তথ্য উদঘাটন করার নিমিত্তে। গত শনিবার হুটহাট করে জিয়াউদ্দিন তৌহিদের গ্রেফতার করেন স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন। শনিবার দুপুরে নিজ বাস ভবন থেকে জননন্দিত টকশোতে অংশ নেওয়া জিয়া উদ্দিন তৌহিদ ভাইকে গ্রেফতার করেন। আর সেই সূত্র ধরেই সমগ্র এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে সর্বমহলের মধ্যে। সাধারণ মানুষ সহ রাজনীতিবিদরাও হতভম্ব। কেন জিয়া উদ্দিন তৌহিদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আসলে বিগত সময়ে জিয়াউদ্দিন তৌহিদের কাজকর্ম আহমরি কোন ধরনের রাজনীতির মাঠে সম্পৃক্ত ছিল না। যদিও আওয়ামী লীগ কিংবা বিএনপিকে ভালবাসা দোষের নয়। আর সেই সূত্র ধরেই ভালবাসা আওয়ামী লীগের মধ্যে থাকতে পারে। সাধারণ মানুষের ভাষ্য, জিয়া উদ্দিন তৌহিদ একজন সচেতন এবং নিখাদ মনের মানুষ। এছাড়াও তিনি আমেরিকান প্রবাসী হলেও দীর্ঘদিন শারীরিক অসুস্থতার জন্য নিজ পৈত্রিক নিবাসে বসবাস করে আসছেন। গ্রামের বাসিন্দারা গণ মাধ্যম কর্মীদের বলেন, জিয়া উদ্দিন তৌহিদ ভাইয়ের পরিবার একধরনের জমিদার পরিবার। বিশাল সম্পতির মালিক হওয়ার কারনে সাধারণ মানুষ সব সময় উপকৃত হয়েছে। নিঃসন্দেহে একজন যোগ্য এবং চমৎকার মানুষ জিয়াউদ্দিন তৌহিদের গ্রেফতার কোনমতে মেনে নিতে পারছেন না সাধারণ মানুষেরা। গ্রামের এবং ইউনিয়নের মধ্যে একটা রতœ নিঃসন্দেহে জিয়া উদ্দিন তৌহিদ।আসলেই কঠিন প্রতিহিংসার শিকার গ্রামের একটা পক্ষের কারনে। আওয়ামী লীগের তকমা ও ষড়যন্ত্রের পোষ্টার রাজনীতি করে ঠান্ডা মাথায় গ্রেফতার করেন। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, জিয়া উদ্দিন তৌহিদকে গ্রেফতার করার মধ্য দিয়ে ভাতিজার চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্নকে ধুলিস্যাত করার মহা পরিকল্পনা একটা পক্ষের। স্থানীয় বিএনপির একটা অংশ অপপ্রচার ও গভীর ষড়যন্ত্র করে জিয়া উদ্দিন তৌহিদ নিয়ে নোংরা রাজনীতি করে তাশের ঘরের মত খানখান করার পরিকল্পনা করে যাচ্ছেন। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রুভেল আল মামুন যাতে প্রশ্ন বিদ্ব হয় আর সেই মহা পরিকল্পনা স্থানীয় বিএনপির একাংশের। স্থানীয় বিএনপির একাংশ নোংরা রাজনীতি করে ১৫ আগষ্টের শোকের মাসে দুই চারটি পোস্টার লাগানো নিয়ে গ্রেফতারটা হাস্যরসে পরিনত হয়েছে। আর সেই কারনে বিজ্ঞ রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও সহমত পোষণ করেন। সুপরিকল্পিত ভাবে শেখ মুজিবুর রহমানের ১৫ আগষ্টের দিনটিকে পুঁজি করে পোস্টার লাগানো এবং স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে গ্রেফতার! আসলেই বিচিত্র সেলুকাস আর বিচিত্র চিন্তা ভাবনা নিয়ে চলছে সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের রাজনীতির হালচাল। যেন একঢিলে দুই পাখি শিকার করা হয়েছে ঠান্ডা মাথায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রশাসনকে ব্যাবহার করা হয়েছে আইনের ফাঁক ফোকরের মধ্য দিয়ে। আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার আগমন উপলক্ষে ১৫ আগষ্টে স্থানীয় আওয়ামী লীগের লোকজন নড়াচড়া দিয়ে বসতে পারে। আর সেই কারনে একজন চমৎকার মানুষ জিয়া উদ্দিন তৌহিদের ছবি ব্যাবহারের অপরাধে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ দেশের মধ্যে একটা গভীর ষড়যন্ত্র করে আওয়ামী লীগের পোস্টার লাগিয়ে প্রচার প্রচারণা চালানো হচ্ছে নিজ গ্রামের আশেপাশে। আর সেই সূত্র ধরেই সচেতন মানুষ এবং টকশোতে অংশ নেওয়া সুপরিচিত জিয়াউদ্দীন তৌহিদ ভাইয়ের গ্রেফতারের মধ্যে আহমরি বাহাদুরি নেই। বরং সমুদয়কাঠী ইউনিয়নে বিএনপির একটা অংশ ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের রাজনীতি করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে রয়েছে। একজন জিয়া উদ্দিন তৌহিদকে তুরুপের ত্রাস বানিয়ে আগামী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে তৌহিদের আপনা ভাতিজা বিএনপির নেতার রাজনৈতিক মাঠে কাঁদা ছোড়াছুড়ি করার মিশনে রয়েছে। প্রতিপক্ষের চেয়ারম্যান প্রার্থী তৌহিদের আপন ভাতিজা রুভেল আল মামুনকে ঘায়েল করতে মরিয়া ইউনিয়নের নোংরা রাজনীতি। স্থানীয় বিএনপির একাংশ সরাসরি গণ মাধ্যম কর্মীদের বলেন আল মানুনের বাবা প্রতিষ্ঠাতা বিএনপির নেতা ছিলেন। বিএনপির গিয়াস উদ্দিন তালুকদারের সুপরিচিত সর্বমহলে গ্রহনযোগ্য ছিল। আর তাঁরই পুত্র রুবেল আল মামুন আগামীর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। ফলে এলাকার একটা অংশ সুকৌশলে টকশোতে অংশ নেওয়া এবং সচেতন মানুষ জিয়া উদ্দিন তৌহিদকে আওয়ামী লীগের সাইনবোর্ড দিয়ে নোংরা রাজনীতি করে যাচ্ছেন যত্রতত্র ভাবে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বিএনপির একটা অংশ শশীদ এলাকায় মিথ্যা গল্প সাজায় জিয়া উদ্দিন তৌহিদ ভাইকে নিয়ে। গভীর ষড়যন্ত্র করে আওয়ামী লীগের ১৫ আগষ্টের শোকের মাসে জিয়া উদ্দিন তৌহিদের পোষ্টাল প্যাকেজ করে প্রশাসনের মাধ্যমে গ্রেফতার করা হয়েছে। অথবা গ্রামের দলমত নির্বিশেষে সকলেই অবগত আছেন জিয়া উদ্দিন তৌহিদ কোন দলের রাজনীতি পছন্দ করেন না। বরং প্রায়ই টকশোতে সব দলেরই গঠন মূলক আলোচনা সমালোচনা করেন। স্থানীয় প্রশাসনের ভাষ্য ১৫ আগষ্ট জিয়া উদ্দিন তৌহিদ ভাইয়ের ছবি সমৃদ্ধ পোষ্টার লাগানো হয়েছে শশীদ এলাকায়। আর সেই খবর পাওয়ার পর পরই আমরা তাকে জিজ্ঞাসা বাদের জন্য নিয়ে আসি। আলাপ চারিতায় অপরাধ প্রমাণ হলে আইনানুসারে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। কারন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রচার প্রচারণা করা নিষেধ। এদিকে জিয়া উদ্দিন তৌহিদের পরিবারের সঙ্গে কথা হয়। এককথায় গণমাধ্যম কর্মীদের সন্মানে বলেন, এটা একটা গভীর ষড়যন্ত্র। জিয়া উদ্দিন তৌহিদকে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন বিএনপির একটা অংশ। জিয়া উদ্দিন তৌহিদ ভাইয়ের আপন ভাতিজা বিএনপির নেতা রুভেল আল মামুন আগামী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। তা-ই ঠান্ডা মাথায় একঢিলে দুই পাখি শিকারের নোংরা রাজনীতি করেছেন। তালুকদার পরিবারের কৃতি সন্তান সাংবাদিক মোঃ জিয়া উদ্দিন তৌহিদ আওয়ামী লীগের রাজনীতির মাঠে সম্পৃক্ত নয়। আমেরিকান প্রবাসী জিয়া উদ্দিন তৌহিদ ভাই একজন টকশোতে অংশ নেওয়া একজন জ্ঞানী মানুষ। আমাদের স্বরূপকাঠি উপজেলার সম্পদও বলা যায় নিঃসন্দেহে।