ঢাকা ১২:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা বাদীকে হত্যার হুমকি, বিচার দাবিতে মানববন্ধন Logo বোয়ালমারী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৫ শতাধিক ছাত্রীর জন্য শিক্ষক মাত্র ৩ জন: ১২ পদের ৯টিই শূন্য Logo বদলগাছীতে জাতীয় কবি “ নজরুল বর্ষের “ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ Logo কয়রায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র‌্যালি Logo ঘাটাইলে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি Logo আগৈলঝাড়ায় র‌্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উদযাপিত Logo মানবিক বিবেচনায় ছাড় না দিলে কঠোর কর্মসূচি আগামীতে Logo শতবর্ষী কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির একাডেমিক ভবনঘেঁষে ময়লার ভাগাড়, ছয় মাস ধরে বন্ধ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান Logo কালীগঞ্জে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসে র‌্যালি-আলোচনা Logo প্রবীণরা বোঝা নয় তারা আমাদের শিকড়-আবুজার ইজাজুল হক

মানবতাবিরোধী মামলায় শেরপুরের ৩ বিএনপি নেতার সাজা বাতিল ও মুক্তির দাবি

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত শেরপুরের ৩ বিএনপি নেতার সাজা বাতিল করে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৭ আগষ্ট) দুপুরে নকলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ওই তিন নেতাকে ‘নির্দোষ’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, নকলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.মনসুর আলী। এসময় তিনি জানান, ২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তা মনোয়ারা বেগম নকলা উপজেলায় ৬০ জন আলবদর ও রাজাকারের তালিকা নিয়ে আসেন। তৎকালীন রাজনৈতিক চাপে ওই তালিকায় আমরা সাক্ষর করতে বাধ্য হই। পরে ওই তালিকায় বিএনপি নেতা ও সাবেক পৌর মেয়র মোখলেছুর রহমান তারা, অ্যাডভোকেট একেএম আকরাম হোসেন ও নকলা হাজী জাল মামুদ কলেজের সাবেক প্রভাষক এসএম আনিসুজ্জামান ফারুকের নাম অর্ন্তভূক্ত করা হয়। কিন্তু মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তাদের বয়স অনুযায়ী ওই তালিকায় তাদের নাম থাকায় আমার আপত্তি রয়েছে। বর্তমানে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওই তিন জনই যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে রয়েছেন। এতে তাদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক এবং সামজিক সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা একটি কঠিন বিষয়। এটি নিরপরাধ কোন ব্যক্তিকে রাজনৈতিক বা মতাদর্শের কারণে হয়রানী করার শিক্ষা দেয় না। তিনি আমি মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত, সত্য উদঘাটন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানাই। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাজাপ্রাপ্ত ওই তিন নেতার স্বজন ও বিএনপি নেতারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় তাদের বয়স ছিল ১০ অথবা ১২ বছর। আর মামলার অনেক সাক্ষীদের বয়সও তখন ৭ থেকে ৮ বছর ছিল। বিএনপি করায় শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় তাদের সাজা দিয়ে কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। তাই অনতিবিলম্বে ওই তিন বিএনপি নেতার নিঃশর্ত মুক্তি চাই আমরা। সংবাদ সম্মেলনে নকলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক মো. আব্দুল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হোসেন বাদশা, উপজেলা বিএনপির সদ্য সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মহিউদ্দিন মুক্তার, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য এনামুল হক রিপন, নকলা পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মুরাদুজ্জামান মাসুম, পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক ছানোয়ার হোসেন অভি, মোখলেছুর রহমান তারার ছেলে মো. তানিম, একেএম আকরাম হোসেনের ছেলেসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা বাদীকে হত্যার হুমকি, বিচার দাবিতে মানববন্ধন

মানবতাবিরোধী মামলায় শেরপুরের ৩ বিএনপি নেতার সাজা বাতিল ও মুক্তির দাবি

আপডেট সময় ০৮:৫২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত শেরপুরের ৩ বিএনপি নেতার সাজা বাতিল করে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৭ আগষ্ট) দুপুরে নকলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ওই তিন নেতাকে ‘নির্দোষ’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, নকলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.মনসুর আলী। এসময় তিনি জানান, ২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তা মনোয়ারা বেগম নকলা উপজেলায় ৬০ জন আলবদর ও রাজাকারের তালিকা নিয়ে আসেন। তৎকালীন রাজনৈতিক চাপে ওই তালিকায় আমরা সাক্ষর করতে বাধ্য হই। পরে ওই তালিকায় বিএনপি নেতা ও সাবেক পৌর মেয়র মোখলেছুর রহমান তারা, অ্যাডভোকেট একেএম আকরাম হোসেন ও নকলা হাজী জাল মামুদ কলেজের সাবেক প্রভাষক এসএম আনিসুজ্জামান ফারুকের নাম অর্ন্তভূক্ত করা হয়। কিন্তু মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তাদের বয়স অনুযায়ী ওই তালিকায় তাদের নাম থাকায় আমার আপত্তি রয়েছে। বর্তমানে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওই তিন জনই যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে রয়েছেন। এতে তাদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক এবং সামজিক সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা একটি কঠিন বিষয়। এটি নিরপরাধ কোন ব্যক্তিকে রাজনৈতিক বা মতাদর্শের কারণে হয়রানী করার শিক্ষা দেয় না। তিনি আমি মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত, সত্য উদঘাটন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানাই। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাজাপ্রাপ্ত ওই তিন নেতার স্বজন ও বিএনপি নেতারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় তাদের বয়স ছিল ১০ অথবা ১২ বছর। আর মামলার অনেক সাক্ষীদের বয়সও তখন ৭ থেকে ৮ বছর ছিল। বিএনপি করায় শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় তাদের সাজা দিয়ে কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। তাই অনতিবিলম্বে ওই তিন বিএনপি নেতার নিঃশর্ত মুক্তি চাই আমরা। সংবাদ সম্মেলনে নকলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক মো. আব্দুল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হোসেন বাদশা, উপজেলা বিএনপির সদ্য সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মহিউদ্দিন মুক্তার, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য এনামুল হক রিপন, নকলা পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মুরাদুজ্জামান মাসুম, পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক ছানোয়ার হোসেন অভি, মোখলেছুর রহমান তারার ছেলে মো. তানিম, একেএম আকরাম হোসেনের ছেলেসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।