নোংরা রাজনীতির গেম প্ল্যান কমবেশি সব জায়গাই আছে। মিথ্যা গল্প সাজিয়ে কমবেশি হয় স্থান কাল পাত্র হিসেবে। আর সেই সূত্র ধরেই বরিশাল বিভাগের মধ্যে নেছারাবাদ উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়নেও সেই ধরনের মিথ্যা তথ্যের মাধ্যমে বস্তাপচা গল্প সাজিয়ে ঠান্ডা মাথায় হতদরিদ্র পরিবারের একজন বাবাকে গ্রাম ছাড়া করলো গুয়ারেখা ইউনিয়নের চাঁদকাঠী এলাকার একটা সংঘবদ্ধ চক্র। আর এ চক্রের সদস্যরা ঠান্ডা মাথায় বাবার বিরুদ্ধে মেয়েকে নিয়ে বাবার নামে মিথ্যা গল্প সাজিয়ে কিছু নামসর্বস্ব কন্টেন্ট ক্রিয়েটিভ দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেন।আসল উদ্দেশ্য আজিজ শেখের সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার মহা পরিকল্পনা। ইউনিয়নের মধ্যে প্রবাদ আছে নোংরা রাজনীতি জন্য বিসালগ্রাম, বাটনাতলা গ্রামের পর সর্বশেষ সংযোজন চাঁদকাঠী এলাকা। একটা সঙ্ঘবদ্ধ গ্রুপের সদস্যরা বিগত সময়ই নানান কায়দায় গভীর ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছেন আজিজ শেখের বিরুদ্ধে। সূত্র অনুযায়ী নেছারাবাদ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ সহিদ উল আহসানের নিজ এলাকা চাঁদকাঠী গ্রাম। নিঃসন্দেহে একজন ক্লিন ইমেজের সমাজ সেবক ও শিল্পপতি সৈয়দ সহিদ উল আহসান। জন্ম স্থান চাঁদকাঠী গ্রাম হলেও এখানকার নোংরা রাজনীতির কথা আদৌ জানা ছিল না। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, চাঁদকাঠী এলাকায় কিছু কিছু লোকজন সরকারি জায়গা জামি বেআইনী ভাবে ভোগদখলে মত্ত। তথ্য মতে, আওয়ামী লীগের সভাপতির চাচাতো ভাই মিজান মুন্সিও নিজ এলাকায় কমবেশি দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকার সত্যতা রয়েছে। যদিও আজিজ শেখ সাহসী উচ্চারণ করে অসৎ চক্রের রব-হক ও কাদের গংদের মুখোশ উন্মোচন করেন। আর সেই সূত্র ধরেই আজকের শত্রুতার মূল কারণ। ঠান্ডা মাথায় কাদের গংরা চিরতরে চাঁদ কাঠী থেকে উৎখাত করার মহা পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে আজিজ শেখ ও তার পরিবারের সদস্যরা এলাকা ছাড়া! এব্যাপারে এলাকার বাসিন্দারা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আজিজ শেখের বাড়ী গুয়ারেখা গ্রামের মধ্যে। কিন্তু ক্রয়সূত্রে চাঁদকাঠী এলাকায় জমি ক্রয় করে মালিক হন। আর সেই কারনেই গ্রামের কাদের গংরা আজিজ শেখের জমি ক্রয় ও পরবর্তী সময়ে বসবাসকে কোন ক্রমেই মেনে নিতে পারেনি। ফলে একের পর এক গভীর ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছেন সুকৌশলে। সরেজমিনে যাওয়া গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, গত দেড় মাস আগে আজিজের মেঝ মেয়েকে নিয়ে আমোদ ফুর্তির কেচ্ছা কাহিনি রটিয়ে গ্রাম ছাড়া করে আজিজ শেখ সহ পুরো পরিবারকে। কিন্তু বড় ছেলেকে রেখে দেয় কাদের গংরা। ঘটনা এখানেই শেষ নয় বরং পরিকল্পিত ভাবে গ্রাম থেকে উৎখাত করা হয়েছে আজিজ শেখ সহ তার দুই মেয়ে ও এক সন্তানকে। অনুসন্ধানে জানা যায় আজিজের বড় ছেলেকে রেখে দেওয়া হয়েছে কিন্তু কেন রাখা হয়েছে? সাংবাদিকদের প্রশ্নের সঠিক জবাব দিতে হিমশিম খেতে হয়েছে কাদের গংদের। আর এখানেই নানান প্রশ্ন উঁকি ঝুঁকি দিচ্ছে সর্ব মহলে। মানষিক লজ্জা ও ঘৃণা নিয়ে নিজ বাসা থেকে পালিয়ে যেতে হয়েছে। কঠিন ট্রাজেডি হয়েছে বাবা ও মেয়ের লজ্জাসকর ঘটনা নিয়ে। সমগ্র এলাকায় তোলপাড় বাবা কতৃক মেয়ের সর্বনাশ অথচ সমাজের কেহই একটি বার বললো না ডিএনএ টেষ্ট করার মধ্যে আসল রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব। সাহসী উচ্চারণ করা কোন গণমাধ্যম কর্মী শক্ত হাতে প্রতিবাদ করেননি। প্রকৃত সত্য ঘটনা উদঘাটন করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনেও ছিল না। অথচ হতদরিদ্র পরিবারের সদস্য আজিজ শেখের আপন শালা ঘটনার কিছু দিন পর তার ভাগিনাকে নিতে আসে চাঁদকাঠী থেকে। কিন্তু সেই ষড়যন্ত্রকারী চক্রের সদস্য কাদের গংদের লোকজন আজিজ শেখের বড় ছেলেকে মামার সাথে যেতে দেয়নি। প্রশ্ন হলো, কেন তার বড় ছেলেকে দেওয়া হয়নি? গভীর ষড়যন্ত্রের আরও কিছু আলামত সুস্পষ্ট হয়েছে সুপ্রিয় পাঠক সমাজের চোখে। আজিজ শেখের কারনে যদি তার মেয়ের(১৩) গর্ভে বাচ্চা আসে। তাহলে কেন ডিএনএ টেষ্ট করানো হয়নি? অনুসন্ধানে অভিযোগ উঠেছে কাউখালি উপজেলার হোগলা বেতকা গ্রামের ডাব নারিকেল ব্যাবসায়ীর সাথে আজিজ শেখের মেয়ে সালামার যোগাযোগ ছিল।গত দেড় মাস ধরে অনুসন্ধানের পর গণমাধ্যম কর্মীরা সালমা ও ডাব ব্যাবসায়ীর কথার সত্যতা নিশ্চিত করেন। যদিও হতদরিদ্র পরিবারের সঙ্গে বসবাস মেয়ে সালমা সহ চার ভাই বোনের। অভাব এবং হাবাগোবার কারণেই সালমা কিছুটা বোকা স্বভাবের মেয়ে। ভালো মন্দের বিষয়ে আহমরি সামান্য জ্ঞানটুকু নেই বললেই চলে। সরলতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে যড়যন্ত্রকারীদের যোগসাজশে ডাব ব্যাবসায়ীর বদৌলতে মেয়ের সর্বনাশ কিন্তু গভীর ষড়যন্ত্র করে শেষ সময়ে নিজ পিতার নামে অপবাদ সত্যি সত্যিই চরম ঘৃণার জন্ম দেয় পুরো চাদকাঠী সহ সমগ্র ইউনিয়নের মধ্যে। আর সেই সূত্র ধরেই কাদের গংরা আজিজ শেখকে এলাকা ছাড়ার মহা পরিকল্পনা করে যাচ্ছেন। বিগত সময়েও আগের সংসারের বড় মেয়ে নিয়ে মহা নাটক করেছেন। আজিজ শেখের প্রথম স্ত্রীর বাড়ি বরিশালের বাবুগঞ্জে। প্রথম স্ত্রীর সাথে ছাড়াছাড়ি হয়েছে বহু বছর আগে। সেই ঘরে একটা মেয়ে ছিল আর সেখানেও প্রতিবেশী কাদের গংদের গভীর ষড়যন্ত্র করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে ছিল। সেই সময়ে সামাজিক ভাবে এবং আওয়ামী লীগের সময়ে সামাজিক ভাবে হেও প্রতিপন্ন করে মান সন্মানে আঘাত করে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বেদম প্রহারও করেছেন মিথ্যা গল্প সাজিয়ে। ষড়যন্ত্রকারীরা সেই সময়ে বাড়ি থেকে উৎখাত করতে সক্ষম হয়নি।
বরং মাত্র দেড়মাস আগে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে গ্রাম ছাড়া করে আজিজ শেখকে। বিচিত্র সেলুকাস আর বিচিত্র চিন্তা ভাবনা নিয়ে চলছে চাঁদকাঠী এলাকায় নোংরা রাজনীতি। এব্যাপারে কথা হয় হতদরিদ্র পরিবারের সদস্য মোঃ আজিজ শেখের সাথে। তিনি হাউমাউ করে কেঁদে ফেললেন এবং বললেন। গভীর ষড়যন্ত্র আমাকে নিয়ে কারণ আমার বোকার মতো কাদের গংদের বহু তথ্য তুলে ধরি। হিন্দু সম্প্রদায়ের একজন ব্যাক্তির জায়গা ভোগ দখলে মত্ত কাদের গংরা। আর সেই সূত্র ধরেই আমার সাথে শত্রুতা শুরু। আমি বাঁচতে চাই এবং আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তি বসত ঘরে বসবাস করতে চাই। আমি চোরও নয় ডাকাতও নয়। গভীর ষড়যন্ত্র করে আমাকে গ্রাম থেকে উৎখাত করা হয়েছে শুধু মাত্র আমার জায়গা জামির দখল নেওয়ার জন্য। তিনি অকপটে গণমাধ্যম কর্মীদের সন্মানে আরও বলেন, আমার ঘর থেকে ব্যাংকের চেক বই হারিয়ে যায়। আমি এটা নিয়ে থানায় অভিযোগও করিনি। কিন্তু গত রবিবার যড়যন্ত্রকারীর সক্রিয় সদস্য মোঃ কাদের আমার হারিয়ে যাওয়া চেকবই স্বরূপকাঠি শাখা রুপালী ব্যাংকে জমা দেয় আট লক্ষ টাকা লিখে। ভাগ্য ভালো ব্যাংক কতৃপক্ষ টাকার পরিমাণ বেশি দেখে তাদের সন্দেহ হয় এবং চেক আটকেও দেয়। অবশ্য গণমাধ্যম কর্মীরা ব্যাংক কতৃপক্ষের সাথে কথা বললেন এবং সবকিছু নিশ্চিত হলো। মনে হচ্ছে কেঁচো খুঁজতে অনেক কিছু বের হবে অনুসন্ধানে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী কথা হয় কাদের গংদের সাথে। কাদের গংরা সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার সাথে সাথে মোবাইল ফোন কেটে দেয়। এদিকে মেয়ের ও বাবার ন্যাক্কারজনক ঘটনার কথা কেহই বিশ্বাস করতে চাচ্ছেন না। সকলে মনে করেন এটা একটা গভীর ষড়যন্ত্র আর যড়যন্ত্র জায়গা জামি নিয়ে।
সংবাদ শিরোনাম
গুয়ারেখার চাঁদকাঠীতে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ঘরছাড়া করার অভিযোগ
-
নিয়াজ মোর্শেদ (স্বরূপকাঠি) পিরোজপুর - আপডেট সময় ০৮:৫৩:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
- 91
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ













