ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বিক্ষোভে উত্তাল ইতালি, মিলানে সেনা মোতায়েন Logo ‘মা ভালো’: ১৭ বছরের সেবাযত্ন অচেতন পুত্রবধূকে জাগিয়ে তুললেন চীনা নারী Logo বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস উত্তোলনে সুইডিশ কোম্পানিকে স্পিকারের আমন্ত্রণ Logo ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে সেন্ট মার্টিন Logo আমরা যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: ডা. শফিকুর রহমান এমপি Logo অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের জন্মদিন আজ Logo সারা দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত প্রবারণা পূর্ণিমা Logo জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫৪৮ ছাত্রীকে বাইসাইকেল দিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম Logo টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় গুরুত্ব আরোপ রাষ্ট্রপতির Logo বাংলাদেশে পলাতক অপরাধীকে কোন অপতৎপরতা চালানোর সুযোগ দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সুরক্ষার নজর নেই, কলকাতার হোটেলগুলোতে নিরাপত্তা ঝুঁকি

স্থানীয় সময় রাত তখন ২টা ৩০ মিনিট। সবাই তখন গভীর নিদ্রায় আচ্ছন্ন। কিন্তু ঘুমের মধ্যে হঠাৎ করে শ্বাসকষ্ট! যিনি উপলব্ধি করতে পেরেছেন বেঁচে গেছেন, বাকিরা ঘুমের ঘোরেই শেষ! গত মঙ্গলবার গভীর রাতে কলকাতার নিউ মার্কেটের মির্জা গালিব স্ট্রিটে একটি আবাসিক হোটেলের অগ্নিকা-ের ঘটনা ফের একবার হোটেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থার নাজুক অবস্থা চোখে আঙুল দেখিয়ে দিল। ‘শিখা ইন’ হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকা-ে এখনো ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ৭ জনই বাংলাদেশের নাগরিক, বাকি দুজন ভারতীয়। কলকাতায় বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে দুঃখ ভারতের, ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস
কলকাতায় বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে দুঃখ ভারতের, ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস
কলকাতার মিনি বাংলাদেশে পরিচিত এই নিউ মার্কেটের কলিন স্ট্রিট, মির্জা গালিব স্ট্রিট, ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, সদর স্ট্রিট, মার্কুইস স্ট্রিট সহ একাধিক জায়গায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ হোটেল রয়েছে। নিউমার্কেটের মতো ঘিঞ্জি এলাকায় বেশিরভাগ ভবনই অনেক বছরের পুরনো। সেখানেই গজিয়ে উঠেছে একের পর এক হোটেল। ভিতর একেবারে ঘুণে খাওয়া। উপরটা সানমাইকা, প্লাইউড দিয়ে ডেকোরেশন করা। আসলে সৌন্দর্যায়নের মাধ্যমে গ্রাহক টানাই মূল লক্ষ্য। নিরাপত্তা-সুরক্ষায় কোনো নজরদারি নেই।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বিদেশি পর্যটকরা বলছেন, বেশিরভাগ গেস্ট হাউজেরই অবস্থা গোলক ধাঁধার মতো। কোনটা প্রবেশ পথ, কোনটা বের হওয়ার পথ বোঝা মুশকিল। ফলে একবার ঢুকলে হারিয়ে যাওয়ার সামিল! বেশিরভাগ হোটেলের ইলেকট্রিক ওয়ারিং অবস্থা করুণ, যত্রতত্র ঝুলছে ইলেকট্রিকের তার। লিফট কয়েক দশক পুরনো, একটি ঘর থেকে আরেকটি ঘরে যাওয়ার জন্য রয়েছে সরু গলি, তা দিয়ে পাশাপাশি দুটো লোকও যাতায়াত করা কঠিন। অনেক জায়গায় আবার ব্যালকনি বলেও কিছু নেই। নেই কোন অতিরিক্ত সিঁড়ি- যেখানে বিপদের সময় দুর্গত মানুষদের উদ্ধার করা যায়। এমন অবস্থায় দশকের পর দশক ধরে চলছে গেস্ট হাউজ, আবাসিক হোটেলগুলো। কেউ কেউ বলছেন, একটা দুর্ঘটনার পর কেবলমাত্র অর্থের বিনিময়ে স্থানীয় পৌরসভা, পুলিশ প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিসের একাংশ কর্মকর্তা অনুমতি দিয়ে দিচ্ছেন। আর সেই অনুমতিতেই ফিরে অনৈতিকভাবে শুরু হচ্ছে ব্যবসা। গত মঙ্গলবার রাতে যে হোটেলে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেই ‘শিখা ইন’ হোটেলেও ছিল না ফায়ার লাইসেন্স, অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে অডিটও করা হয় নি। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে এসির শর্ট সার্কিট থেকে এই অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটেছে। রাতে যখন আগুন লাগে তখন সবাই ছিলেন ঘুমন্ত। ফলে নিহতদের কেউই বেরিয়ে আসতে পারেননি। বিষাক্ত গ্যাসে দম বন্ধ হয়ে হোটেলেই মৃত্যু হয় তাদের। এমনকি ওই হোটেলে ফায়ার এক্সিটও ছিল না। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন ওঠে এত অপর্যাপ্ততা সত্ত্বেও কিভাবে ট্রেড লাইসেন্স পেল ওই হোটেল কর্তৃপক্ষ।
প্রাথমিকভাবে কলকাতা পুলিশ ও দমকল বিভাগের তরফ থেকে যে তদন্ত করা হয়েছে তাতে একটি বিষয় পরিষ্কার হয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্থ ওই হোটেলটিতে কোনো ফায়ার লাইসেন্স ছিল না, এমনকি দীর্ঘদিন ধরে কোনো অডিটও করা হয়নি। দেওয়াল তুলে এমার্জেন্সি গেট দিয়ে বের হওয়ার পথও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
কলকাতায় চিকিৎসা করতে এসে দুর্ঘটনাগ্রস্ত ওই হোটেলেই উঠেছিলেন গাজীপুরের বাসিন্দা মো. আসাদুজ্জামান। কিন্তু আল্লাহর রহমতে কোনরকমে বেঁচে ফেরেন তিনি। কিন্তু ওই হোটেলে নিরাপত্তা সুরক্ষা ব্যবস্থা যে মোটেই ঠিকঠাক ছিল না তা নিজেই জানিয়েছেন আসাদুজ্জামান।
তিনি বলেন, “পাঁচ তলায় ছিলাম। অগ্নিকা-ের পরই কোনক্রমে নিজের পরনের গেঞ্জি নাকচাপা দিয়ে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি। আর এক মিনিট হলেই আমিও হয়তো মারা যেতে পারতাম।”
বিজেপির কনভেনার নবীন মিশ্রও হোটেলগুলোর নিরাপত্তা সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
তিনি বলেন, “আগের বামফ্রন্ট ও তৃণমূল কংগ্রেসের সরকারের আমলের অবৈধভাবে একের পর এক হোটেলকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। রেসিডেন্সিয়াল ভবনগুলোকে বাণিজ্যিক ভবন করে দেওয়া হয়েছে।”
নবীন জানান,মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তিনি অনুরোধ করবেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে একটা কমিটি গঠন করে যতগুলো অবৈধ হোটেল এবং গেস্টহাউজ আছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার। সেক্ষেত্রে কাগজে-কলমে নয়, প্রকৃত অর্থেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জিও জানান তিনি। যারা অবৈধভাবে অর্থের বিনিময় নথি তৈরি করে হোটেল চালাচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে হোটেলগুলোকে সিলগালা করে দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, যদি কোন অবৈধ নির্মাণ বা স্থাপনা থাকে সে ক্ষেত্রে বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নবীন মিশ্র।
সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম বলেন, “বাংলাদেশ থেকে প্রচুর মানুষ এই কলকাতায় আসে। অতিথি দেবতার সমান। কিন্তু তাদের জন্য কলকাতা পুলিশ রাজ্য সরকার কীব্যবস্থা নিয়েছে? বাংলাদেশেও যে আগুন লাগে না তা নয়! কিন্তু একটা আগুন লাগার পর দোষারোপ না করে কারণ খুঁজতে হয় এবং ভবিষ্যতে যাতে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয় তার ব্যবস্থা নিতে হয়। কিন্তু যদি দুর্নীতি হয়, তবে পুরসভা, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ কিছু অর্থের বিনিময়ে ফের বেআইনি কাজ করার অনুমতি দেবে।”

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিক্ষোভে উত্তাল ইতালি, মিলানে সেনা মোতায়েন

সুরক্ষার নজর নেই, কলকাতার হোটেলগুলোতে নিরাপত্তা ঝুঁকি

আপডেট সময় ০৮:৫৮:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

স্থানীয় সময় রাত তখন ২টা ৩০ মিনিট। সবাই তখন গভীর নিদ্রায় আচ্ছন্ন। কিন্তু ঘুমের মধ্যে হঠাৎ করে শ্বাসকষ্ট! যিনি উপলব্ধি করতে পেরেছেন বেঁচে গেছেন, বাকিরা ঘুমের ঘোরেই শেষ! গত মঙ্গলবার গভীর রাতে কলকাতার নিউ মার্কেটের মির্জা গালিব স্ট্রিটে একটি আবাসিক হোটেলের অগ্নিকা-ের ঘটনা ফের একবার হোটেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থার নাজুক অবস্থা চোখে আঙুল দেখিয়ে দিল। ‘শিখা ইন’ হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকা-ে এখনো ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ৭ জনই বাংলাদেশের নাগরিক, বাকি দুজন ভারতীয়। কলকাতায় বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে দুঃখ ভারতের, ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস
কলকাতায় বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে দুঃখ ভারতের, ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস
কলকাতার মিনি বাংলাদেশে পরিচিত এই নিউ মার্কেটের কলিন স্ট্রিট, মির্জা গালিব স্ট্রিট, ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, সদর স্ট্রিট, মার্কুইস স্ট্রিট সহ একাধিক জায়গায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ হোটেল রয়েছে। নিউমার্কেটের মতো ঘিঞ্জি এলাকায় বেশিরভাগ ভবনই অনেক বছরের পুরনো। সেখানেই গজিয়ে উঠেছে একের পর এক হোটেল। ভিতর একেবারে ঘুণে খাওয়া। উপরটা সানমাইকা, প্লাইউড দিয়ে ডেকোরেশন করা। আসলে সৌন্দর্যায়নের মাধ্যমে গ্রাহক টানাই মূল লক্ষ্য। নিরাপত্তা-সুরক্ষায় কোনো নজরদারি নেই।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বিদেশি পর্যটকরা বলছেন, বেশিরভাগ গেস্ট হাউজেরই অবস্থা গোলক ধাঁধার মতো। কোনটা প্রবেশ পথ, কোনটা বের হওয়ার পথ বোঝা মুশকিল। ফলে একবার ঢুকলে হারিয়ে যাওয়ার সামিল! বেশিরভাগ হোটেলের ইলেকট্রিক ওয়ারিং অবস্থা করুণ, যত্রতত্র ঝুলছে ইলেকট্রিকের তার। লিফট কয়েক দশক পুরনো, একটি ঘর থেকে আরেকটি ঘরে যাওয়ার জন্য রয়েছে সরু গলি, তা দিয়ে পাশাপাশি দুটো লোকও যাতায়াত করা কঠিন। অনেক জায়গায় আবার ব্যালকনি বলেও কিছু নেই। নেই কোন অতিরিক্ত সিঁড়ি- যেখানে বিপদের সময় দুর্গত মানুষদের উদ্ধার করা যায়। এমন অবস্থায় দশকের পর দশক ধরে চলছে গেস্ট হাউজ, আবাসিক হোটেলগুলো। কেউ কেউ বলছেন, একটা দুর্ঘটনার পর কেবলমাত্র অর্থের বিনিময়ে স্থানীয় পৌরসভা, পুলিশ প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিসের একাংশ কর্মকর্তা অনুমতি দিয়ে দিচ্ছেন। আর সেই অনুমতিতেই ফিরে অনৈতিকভাবে শুরু হচ্ছে ব্যবসা। গত মঙ্গলবার রাতে যে হোটেলে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেই ‘শিখা ইন’ হোটেলেও ছিল না ফায়ার লাইসেন্স, অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে অডিটও করা হয় নি। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে এসির শর্ট সার্কিট থেকে এই অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটেছে। রাতে যখন আগুন লাগে তখন সবাই ছিলেন ঘুমন্ত। ফলে নিহতদের কেউই বেরিয়ে আসতে পারেননি। বিষাক্ত গ্যাসে দম বন্ধ হয়ে হোটেলেই মৃত্যু হয় তাদের। এমনকি ওই হোটেলে ফায়ার এক্সিটও ছিল না। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন ওঠে এত অপর্যাপ্ততা সত্ত্বেও কিভাবে ট্রেড লাইসেন্স পেল ওই হোটেল কর্তৃপক্ষ।
প্রাথমিকভাবে কলকাতা পুলিশ ও দমকল বিভাগের তরফ থেকে যে তদন্ত করা হয়েছে তাতে একটি বিষয় পরিষ্কার হয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্থ ওই হোটেলটিতে কোনো ফায়ার লাইসেন্স ছিল না, এমনকি দীর্ঘদিন ধরে কোনো অডিটও করা হয়নি। দেওয়াল তুলে এমার্জেন্সি গেট দিয়ে বের হওয়ার পথও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
কলকাতায় চিকিৎসা করতে এসে দুর্ঘটনাগ্রস্ত ওই হোটেলেই উঠেছিলেন গাজীপুরের বাসিন্দা মো. আসাদুজ্জামান। কিন্তু আল্লাহর রহমতে কোনরকমে বেঁচে ফেরেন তিনি। কিন্তু ওই হোটেলে নিরাপত্তা সুরক্ষা ব্যবস্থা যে মোটেই ঠিকঠাক ছিল না তা নিজেই জানিয়েছেন আসাদুজ্জামান।
তিনি বলেন, “পাঁচ তলায় ছিলাম। অগ্নিকা-ের পরই কোনক্রমে নিজের পরনের গেঞ্জি নাকচাপা দিয়ে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি। আর এক মিনিট হলেই আমিও হয়তো মারা যেতে পারতাম।”
বিজেপির কনভেনার নবীন মিশ্রও হোটেলগুলোর নিরাপত্তা সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
তিনি বলেন, “আগের বামফ্রন্ট ও তৃণমূল কংগ্রেসের সরকারের আমলের অবৈধভাবে একের পর এক হোটেলকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। রেসিডেন্সিয়াল ভবনগুলোকে বাণিজ্যিক ভবন করে দেওয়া হয়েছে।”
নবীন জানান,মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তিনি অনুরোধ করবেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে একটা কমিটি গঠন করে যতগুলো অবৈধ হোটেল এবং গেস্টহাউজ আছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার। সেক্ষেত্রে কাগজে-কলমে নয়, প্রকৃত অর্থেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জিও জানান তিনি। যারা অবৈধভাবে অর্থের বিনিময় নথি তৈরি করে হোটেল চালাচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে হোটেলগুলোকে সিলগালা করে দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, যদি কোন অবৈধ নির্মাণ বা স্থাপনা থাকে সে ক্ষেত্রে বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নবীন মিশ্র।
সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম বলেন, “বাংলাদেশ থেকে প্রচুর মানুষ এই কলকাতায় আসে। অতিথি দেবতার সমান। কিন্তু তাদের জন্য কলকাতা পুলিশ রাজ্য সরকার কীব্যবস্থা নিয়েছে? বাংলাদেশেও যে আগুন লাগে না তা নয়! কিন্তু একটা আগুন লাগার পর দোষারোপ না করে কারণ খুঁজতে হয় এবং ভবিষ্যতে যাতে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয় তার ব্যবস্থা নিতে হয়। কিন্তু যদি দুর্নীতি হয়, তবে পুরসভা, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ কিছু অর্থের বিনিময়ে ফের বেআইনি কাজ করার অনুমতি দেবে।”