খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার গাজিরহাট হাজী নঈম উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী নন্দিতা রায়। ২০ আগস্ট বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭:০০ টায় স্কুলের বাথরুম থেকে হাত,মুখ ,পা বাধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তালাবদ্ধ অবস্থায় বাথরুমে ছিল। নির্মাণ শ্রমিকরা বাথরুমের ভিতর শব্দ পেয়ে তালা ভেঙ্গে নন্দিতা কে উদ্ধার করে। তার সাথে খারাপ আচরণের চিহ্ন নাই। সে সুযোগও নাই। তবে কেন নন্দিতা কে হাতমুখ বেঁধে বাথরুমে রাখা হলো? নন্দিতা বলেছে সে কাউকে চিনতে পারেনি পিছন দিক থেকে তার মাথায় আঘাত করলে সে প্রায় জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়ে। আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে যেটা আসে সেটা হল নন্দিতা একজন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। এজন্য দেশে বিদেশে আলোচিত হবে। কত বড় প্ল্যান দেখুন।ঘটনার দিন ছিল বৃহস্পতিবার। শুক্র ও শনিবার স্কুল ছুটি। রবিবার সবাই স্কুলে আসবেন। এসে বাথরুম খুলবে ও নন্দিতার মৃতদেহ উদ্ধার হবে। এটা কত বড় পরিকল্পনা। নন্দিতার মৃত্যু হলে দায়ী হবে কারা? প্রথম যে আয়া বাথরুমে তালা দিয়েছিলেন তিনি। প্রধান শিক্ষক, সাথে কিছু সাধারণ শিক্ষক জড়িয়ে যেতেন। প্রাথমিক পর্যায়ে এনারা সাসপেন্ড হতেন। স্কুল কমিটি দোষ এড়াতে পারতো না। স্থানীয় বিএনপি নেতারা কি এড়িয়ে যেতে পারতেন? সর্বোপরি বর্তমান সরকারের বদনাম হতো। তাই আমার দৃষ্টিতে এটা একটা পরিকল্পিত প্ল্যান। এই ঘটনার সাথে কারা জড়িত? প্রশাসনের সুষ্ঠু তদন্ত করে এদের বের করতে হবে।
সংবাদ শিরোনাম
নন্দিতা রায়কে নিয়ে কি কোন মাস্টার প্ল্যান ছিল? সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে প্রকৃত ঘটনা
-
কালিয়া (নড়াইল) প্রতিনিধি - আপডেট সময় ০৮:০৪:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
- 46
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ
























