ঢাকা ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঢাবি অক্সফোর্ড হলে রাবিকে ক্যামব্রিজ করতে চাই: রিজভী Logo তাহসিফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দীপ ৪ দিনের রিমান্ডে Logo গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে চড়া মূল্য দিতে হবে : বিরোধীদলীয় নেতা Logo অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারে দক্ষিণ কোরিয়ায় অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল Logo সবজি চাষে রংপুরের নারী উদ্যোক্তা সেলিনার বাজিমাত Logo অর্থ ছাড়ের অভাবে থমকে আছে সুন্দরবনঘেঁষা কয়রা পর্যটন কেন্দ্রের নির্মাণ Logo ঢাকায় বাস রুট ৯৮ থেকে কমে ৩২ হচ্ছে, ৬টির উদ্বোধন আজ Logo মিরসরাইয়ে ব্ল্যাক রাইস চাষ করে তাক লাগিয়েছে উদ্যোক্তা সোহেল Logo পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়, পাবনার রূপপুরে শুরু হলো পাওয়ার স্টার্টআপ ‘স্টেজ-সি’ কার্যক্রম Logo এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

শুধু গরু নয় এবার মহিষেরও খামার চরফ্যাশনে

ভোলার চরফ্যাশনে এবার গরু নয়, আধুনিক পদ্ধতিতে পিজিয়ান জাতের উন্নত মহিষ খামারে পালন করে সাফল্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে মেসার্স আপন এগ্রো ফার্ম (আবদুল্যাহপুর) উন্নত জাতের মহিষ পালন,সঠিক পরিচর্যা ও পুষ্টিকর খাবার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খামারটি ইতিমধ্যে স্থানীয়ভাবে আগ্রহ তৈরি করেছে। খামার কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রচলিত গবাদিপশু পালনের পাশাপাশি উন্নত জাতের মহিষ পালনের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চর বিহীন যে মহিষ পালন করা যায়,তা একমাত্র ভোলার জেলা মধ্যে এই প্রথম আমি মনজুরুল আলম সায়েম মেসার্স আপন এগ্রো ফার্ম চরফ্যাশন কলকাতা থেকে মরুয়া, নিলিগামীসহ ৪টি পিজিয়ান জাতের মহিষ পালন শুরু করে এখন খামারে প্রায় ৭০/৮০টি মহিষ পালন করছি। খামারে মহিষের পাশাপাশি এখন আমার খামারে প্রায় ৮০/৯০ উন্নত জাতের গরু রয়েছে। মহিষ গুলো খাছার মধ্যে চাষাবাদের ঘাসসহ সব ধরনের খাবার খায়। যেখানে চরের দেশীয় মহিষ ২/৩ কেজি দুধ দেয়,সেখানে আমার এই বন্ধী খামারের মহিষ সর্বনিম্ম ৮/১০ কেজি দুধ দেয়। তার মধ্যে নিলীগামী গাভীটি ১৫ থেকে ১৬ কেজি দুধ দেয়। মহিষগুলো শান্ত সৃষ্ট সল্প জায়গার মধ্যে পালন করা সম্বব। গরুর দুধের চেয়ে মহিষের দুধের দামও চাহিদা বেশি। তাদের আমার খামার থেকে প্রতিদিন প্রায় এক থেকে দেড়’শ কেজি দুধ বিক্রি হয়। এছাড়াও খামারে ছাগল এবং ভেড়া পালন করছি। বর্তমানে আমার খামারে ২০/২২জন শ্রমিক কাজ করছে। পিজিয়ান জাতের মহিষের স্বাস্থ্যদ্রুত বৃদ্ধিও উৎপাদনক্ষমতা বেশি। রোগ প্রতিরোধে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনাতে গুরুত্ব দিচ্ছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ। খামার ঘূরে দেখা যায়, খামারের মধ্যে উন্নত জাতের এসব মহিষ মেসার্স আপন এগ্রো ফার্মে লালন-পালন করায় আশপাশের খামারিও উৎসাহী মানুষজনও খামারে আসছেন। এতে চরফ্যাশনে মহিষ পালনের আধুনিক পদ্ধতি বৃদ্ধির আগ্রহ তৈরি হচ্ছে। প্রাণিসম্পদ খাতে সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা ও আধুনিক প্রশিক্ষণ বাড়ানো গেলে চরফ্যাশনের মত উপকূলীয় এলাকায় মহিষ পালন আরও সম্প্রসারিত হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আপন এগ্রো ফার্মের এই উদ্যোগ স্থানীয় কৃষি ও প্রাণিসম্পদ অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলতে পারে। চরফ্যাশন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আমাদের প্রতনিধিকে বলেন, কলকাতা থেকে উন্নত জাতের মহিষ পালনে আপন এগ্রো ফার্ম দিয়ে শুরু করেছে। তবে মেসার্স আপন এগ্রো ফার্ম নতুন সম্ভবনার দুয়ার খুলছে। এরকম নতুন নতুন উদ্যোক্তাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। এছাড়াও আমরা খামারীদেরকে সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকি।উদ্যোক্তা হলে নিজেরা সাবলম্বী হচ্ছে এবং অন্যকেও কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিচ্ছে। এভাবে গরু,মহিষ, হাস-মুরগী এবং ছাগল পালনে সবাই এগিয়ে আসলে নিজেদের আমিনের চাহিদা পুরুনের পাশাপাশি অন্যের এবং দেশের অর্থনীতি বৃদ্ধি পাবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাবি অক্সফোর্ড হলে রাবিকে ক্যামব্রিজ করতে চাই: রিজভী

শুধু গরু নয় এবার মহিষেরও খামার চরফ্যাশনে

আপডেট সময় ০৮:০৭:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

ভোলার চরফ্যাশনে এবার গরু নয়, আধুনিক পদ্ধতিতে পিজিয়ান জাতের উন্নত মহিষ খামারে পালন করে সাফল্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে মেসার্স আপন এগ্রো ফার্ম (আবদুল্যাহপুর) উন্নত জাতের মহিষ পালন,সঠিক পরিচর্যা ও পুষ্টিকর খাবার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খামারটি ইতিমধ্যে স্থানীয়ভাবে আগ্রহ তৈরি করেছে। খামার কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রচলিত গবাদিপশু পালনের পাশাপাশি উন্নত জাতের মহিষ পালনের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চর বিহীন যে মহিষ পালন করা যায়,তা একমাত্র ভোলার জেলা মধ্যে এই প্রথম আমি মনজুরুল আলম সায়েম মেসার্স আপন এগ্রো ফার্ম চরফ্যাশন কলকাতা থেকে মরুয়া, নিলিগামীসহ ৪টি পিজিয়ান জাতের মহিষ পালন শুরু করে এখন খামারে প্রায় ৭০/৮০টি মহিষ পালন করছি। খামারে মহিষের পাশাপাশি এখন আমার খামারে প্রায় ৮০/৯০ উন্নত জাতের গরু রয়েছে। মহিষ গুলো খাছার মধ্যে চাষাবাদের ঘাসসহ সব ধরনের খাবার খায়। যেখানে চরের দেশীয় মহিষ ২/৩ কেজি দুধ দেয়,সেখানে আমার এই বন্ধী খামারের মহিষ সর্বনিম্ম ৮/১০ কেজি দুধ দেয়। তার মধ্যে নিলীগামী গাভীটি ১৫ থেকে ১৬ কেজি দুধ দেয়। মহিষগুলো শান্ত সৃষ্ট সল্প জায়গার মধ্যে পালন করা সম্বব। গরুর দুধের চেয়ে মহিষের দুধের দামও চাহিদা বেশি। তাদের আমার খামার থেকে প্রতিদিন প্রায় এক থেকে দেড়’শ কেজি দুধ বিক্রি হয়। এছাড়াও খামারে ছাগল এবং ভেড়া পালন করছি। বর্তমানে আমার খামারে ২০/২২জন শ্রমিক কাজ করছে। পিজিয়ান জাতের মহিষের স্বাস্থ্যদ্রুত বৃদ্ধিও উৎপাদনক্ষমতা বেশি। রোগ প্রতিরোধে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনাতে গুরুত্ব দিচ্ছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ। খামার ঘূরে দেখা যায়, খামারের মধ্যে উন্নত জাতের এসব মহিষ মেসার্স আপন এগ্রো ফার্মে লালন-পালন করায় আশপাশের খামারিও উৎসাহী মানুষজনও খামারে আসছেন। এতে চরফ্যাশনে মহিষ পালনের আধুনিক পদ্ধতি বৃদ্ধির আগ্রহ তৈরি হচ্ছে। প্রাণিসম্পদ খাতে সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা ও আধুনিক প্রশিক্ষণ বাড়ানো গেলে চরফ্যাশনের মত উপকূলীয় এলাকায় মহিষ পালন আরও সম্প্রসারিত হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আপন এগ্রো ফার্মের এই উদ্যোগ স্থানীয় কৃষি ও প্রাণিসম্পদ অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলতে পারে। চরফ্যাশন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আমাদের প্রতনিধিকে বলেন, কলকাতা থেকে উন্নত জাতের মহিষ পালনে আপন এগ্রো ফার্ম দিয়ে শুরু করেছে। তবে মেসার্স আপন এগ্রো ফার্ম নতুন সম্ভবনার দুয়ার খুলছে। এরকম নতুন নতুন উদ্যোক্তাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। এছাড়াও আমরা খামারীদেরকে সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকি।উদ্যোক্তা হলে নিজেরা সাবলম্বী হচ্ছে এবং অন্যকেও কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিচ্ছে। এভাবে গরু,মহিষ, হাস-মুরগী এবং ছাগল পালনে সবাই এগিয়ে আসলে নিজেদের আমিনের চাহিদা পুরুনের পাশাপাশি অন্যের এবং দেশের অর্থনীতি বৃদ্ধি পাবে।