বৈধ সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করে হীন স্বার্থের জন্য বৈধ ওয়ারিশদের বঞ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উঠেছে পূর্ব সোহাগদল ইউনিয়নের মৃত হাছেন বালীর সন্তান মোঃ রহিম বালী, সহিদুল্যা (সহিত) ও ছিদ্দিক বালীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে পূর্ব সোহাগদলে ওয়ারিশের বৈধ সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করে হীন স্বার্থের জন্য ভোগদখলে মত্ত রয়েছে এচক্রের সদস্যরা। স্থানীয় সূত্র এবং বাদীর অভিযোগে জানা যায় বিগত সময় থেকে বর্তমান সময়েও বৈধ সম্পত্তির অধিকার দিতে নানান কায়দায় তালবাহানা করে যাচ্ছেন যত্রতত্র ভাবে। আর সেই সূত্র ধরেই বিরোধের জের ধরে কঠিন শত্রুতায় পরিনত হচ্ছে। রহিম বালী ও সহিত বালীরা ৬০২ দাগ থেকে সম্পত্তি পাবে পোনে আট শতাংশ। কিন্তু গায়ের জোরে ১২ শতাংশ সম্পত্তি ভোগ দখলে মত্ত রয়েছে। আর সেই সূত্র ধরেই পাকাপোক্ত ভবনও করে সুকৌশলে। অথচ বাদী পরিবার ৬০২ দাগে ভোগ দখলে রয়েছে মাত্র সাড়ে তিন শতাংশ সম্পত্তি। জায়গা জামির বিরোধ নিয়ে স্থানীয় ভাবে বহু দেনদরবার হয়েছে। গ্রামের বিজ্ঞ মানুষেরা শান্তির পক্ষে বসেছেন এলাকার স্বার্থে। কিন্তু মানুষ নামের অসামাজিক রহিম বালী ও সহিত বালীরা সমাজের সামাজিক আইন কানুন মানতে নারাজ। ফলে কোন কিছুই মানতে নারাজ এ চক্রের সদস্যরা। আর সেই কারনে বার বার তালবাহানা করে চরম বিতর্কিত হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ রহিম বালী, ছিদ্দিক বালী ও সহিত বালীর বিরুদ্ধে। স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য মতে বাদী পরিবারের সদস্য মোঃ সাজ্জাদুল ইসলাম গংরা বৈধ সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অনুসন্ধানে আরও জানা যায় বৈধ সম্পত্তির অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য বাদী পরিবার বিগত সময়ে বলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শহীন আহমেদ সহ সোহাগদল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আব্দুর রশীদ, প্রফেসর আব্দুল মালেক স্যার, শাজাহান স্যারও গ্রাম্য শালিসি বৈঠকে ছিল। কিন্তু রহিম বালী,ছিদ্দিক বালী ও সহিত বালীরা সুকৌশল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভাগেই ছিটকে পড়ে। সামাজিক ভাবে বসবাসের জন্য ভালো জিনিসকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে চরম বিতর্কিত ও নিন্দিত রহিম বালী গংরা। এব্যাপারে পূর্ব সোহাগদল গ্রামের বাসিন্দারা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন পেশীশক্তি দিয়ে বেআইনি ভাবে ওয়ারিশদের বঞ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে এ চক্রের সদস্যরা। নাম না প্রকাশের শর্তে গ্রামের লোকজন বলেন, রহিম বালী, ছিদ্দিক বালী ও সহিত বালীরা মানুষ ঠিকই কিন্তু অসামাজিক প্রকৃতির নয়। নইলে বাদী পরিবারের মোট সম্পত্তি দাগ নম্বর ১২৫২ এবং ১২৫০। জেএল নম্বর ৩৪, এসএ খতিয়ান ৬১৭ ও ৭৯৭। জমির বিএস দাগ খতিয়ান ১২২৪। দাগ নম্বর ৫৪২ সম্পত্তি রয়েছে। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, বর্তমান সরকার প্রধান যেখানে দেশের প্রয়োজনে ফলজ ও বনজ সম্পসারনে দারুণ আন্তরিক। কিন্তু সমাজের মধ্যে নষ্ট প্রকৃতির আব্দুর রহিম বালী গংরা বাদী পক্ষের ফলজ ও বনজ সম্পদ নষ্ট করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে রয়েছে। বাদী পরিবার জেএল নম্বর ৩৪,বিএস ৪৫২ এসএ খতিয়ানের ৬০৩ ও ৬০৪ দাগের সম্পত্তির উপর ফলজ ও বনজ রোপণ কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছেন। অথচ ভূমি খোর রহিম বালী গংদের কাছে নিরাপদ নয় বনজ ও ফলজ সম্পদ। বরং হিংসা এবং শত্রুতার জের ধরে নারিকেল ও সুপারী গাছ কর্তণ সহ উঠিয়ে ফেলার নোংরা রাজনীতি করে যাচ্ছেন যত্রতত্র ভাবে। সামাজিক আইনের পাশাপাশি রাষ্ট্রের আইন কানুনও মানতে নারাজ রহিম বালী ছিদ্দিক বালী ও সহিত বালী গংরা। অথচ বাদী পরিবার মোঃ সাজ্জাদুল ইসলাম গংরা ন্যায় বিচার পাচ্ছেন না এচক্রের কাজ থেকে। এব্যাপারে বাদী পরিবারের মোঃ সাজ্জাদুল ইসলাম গণমাধ্যম কর্মীদের সন্মানে বলেন, আমাদের বৈধ সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে আব্দুর রহিম বালী, সহিদুল্যা (সহিদ) বালী ও ছিদ্দিক বালী গংরা। ৬০২ দাগ থেকে রহিম বালী, ছিদ্দিক বালী ও সহিত বালী গংরা সম্পত্তি পাবে পোনে আট শতাংশ। কিন্তু গায়ের জোরে ভোগ দখলে বার শতাংশ। অথচ আমাদের দখলে রয়েছে মাত্র সাড়ে তিন শতাংশ সম্পত্তি। বিচিত্র সেলুকাস আর বিচিত্র চিন্তা ভাবনা নিয়ে চলছে আমাদের সমাজ ব্যাবস্থা। আইন কানুনের তোয়াক্কা করেন না বরং পেশী শক্তির দ্বারা বেআইনী ভাবে সম্পত্তি ভোগ দখলে মত্ত রয়েছে আব্দুর রহিম বালী, সহিদ বালী ও ছিদ্দিক বালী গংরা। এদিকে গণমাধ্যম কর্মীরা ঘটনার সত্যতার জন্য সন্মানিত শালিসি বৈঠকে থাকা লোকজনের সাথে কথা বললেন। সন্মানিত লোকজনরা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আসলেই আব্দুর রহিম বালী, ছিদ্দিক বালী ও সহিত বালি গংরা অসামাজিক লোক এবং বেয়াদব স্বভাবের। সামাজিক আইন কানুন মানতেও নারাজ। এদিকে স্থানীয় জায়গা জামি মাপার আমিনের সঙ্গেও কথা হয়। তিনিও অকপটে গণমাধ্যম কর্মীদের সন্মানে বলেন, গায়ের জোরে এবং পেশী শক্তির বলে অতিরিক্ত সম্পত্তি ভোগ দখলে আব্দুর রহিম বালী, ছিদ্দিক বালী ও সহিত বালী গংরা। ঠান্ডা মাথায় কাগজপত্র বুঝতে চায় না এমনকি সুন্দর সমাধানের জন্য সহযোগিতাও করতে নারাজ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী কথা হয় পূর্ব সোহাগদল ইউনিয়নের মৃত হাছেন বালীর সন্তানদের সাথে। প্রথমেই কথা হয় আব্দুর রহিম বালী ও সহিদুল্যা( সহিদ) বালীর সাথে। একান্ত আলাপ চারিতায় সাংবাদিকদের কোন প্রশ্নের সঠিক জবাব এড়িয়ে যায়।
বরং তাদের মনগড়া কথা বলার চেষ্টা করেন। সাংবাদিকদের প্রশ্ন, আপনারা ৬০২ দাগে সম্পত্তি পাবেন যা অথচ তার চেয়ে বেশী ভোগদখলে। আসলে এটা কি সঠিক কি-না? জবাবে সেই পেচিয়ে পেচিয়ে মিথ্যা গল্প বলা।আসলেই আইনের শাসন নেই নইলে বাদী পরিবার সরাসরি প্রশাসনের শরণাপন্ন হয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। প্রশাসন শান্তির পরিবেশ তৈরি করার নিমিত্তে স্থানীয় ভাবে শালিসি বৈঠকের ব্যাবস্থা করেন। কিন্তু শেষ সময়ে সেই নটের গুরু এবং শয়তানের ঘুঘু খ্যাত আব্দুর রহিম বালী গংরা সুকৌশলে ছিটকে পড়েন।এব্যাপারে ইউনিয়নের সুশীল সমাজের লোকজন গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন প্রশাসনের সুদৃষ্টির পাশাপাশি আরও কঠোর ভূমিকা পালন করা দরকার। আর তাহলেই সমাজের মধ্যে এজাতীয় মন্দ ভালো হওয়ার পথ খুঁজে পাবে। আর বাদী পরিবার তাদের বৈধ সম্পত্তির অধিকার ফিরে পাবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা পাক সমাজের প্রতিটি ভালো কাজের জন্য।
সংবাদ শিরোনাম
অভিযোগ: বৈধ সম্পত্তিও নিরাপদ নয়!
-
নিয়াজ মোর্শেদ (স্বরূপকাঠি) পিরোজপুর - আপডেট সময় ০৮:৪৮:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
- 94
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ













