ঢাকা ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo দুর্গাপূজা পালনে সকল নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo বাংলাদেশের পর্যটন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় যুক্তরাজ্য : ব্রিটিশ হাইকমিশনার Logo ক্যালিফোর্নিয়ায় গুগলের সদর দপ্তর পরিদর্শন বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের Logo ১৯ কার্গো এলএনজি আসছে ঘাটতির আশংকা নেই Logo দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo বিএনপি সরকারের উদ্যোগ : তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু Logo বাংলাদেশের বিপক্ষে শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া Logo ফোন নীরবে যে ৪ কাজ করে Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধ ঘর থেকেই শুরু হোক Logo মনের জটিল জট খোলার মতো ১০টি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার সিনেমা

দুর্গাপুরে নজরুল সম্মাননা স্মারক পেলেন তিন গুণীজন

‘‘পাঠে পাঠে আত্মজাগরণ’’ এই প্রতিপাদ্যে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের অংশগ্রহনে জলসিঁড়ি পাঠাগারের গ্রীষ্মকালীন অধ্যয়নসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিরিশিরি ইউনিয়নের গাভিনা গ্রামে নজরুল অধ্যয়ন কেন্দ্রে তিন গুণীজনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে। জলসিড়ি পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা দীপক সরকারের সঞ্চালনায়, সাংবাদিক নির্মলেন্দু সরকারের সভাপতিত্বে আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন, বিশিষ্ট শিক্ষাব্রতী অধ্যক্ষ শহীদুল্লাহ্ খান এবং কবি তানভির জাহান চৌধুরী। এছাড়া প্রকাশিত বই নিয়ে আলোচনা করেন অধ্যাপক হারাধণ সাহা, শিক্ষক শফিউল আলম স্বপন, কবি লোকান্ত শাওন। আবৃত্তি করেন শিল্পী ভট্রাচার্য, পুরবী সম্মানীত, কবি বিদ্যুৎ সরকার, কবি অনার্য শান্ত। এছাড়া অন্যদের মধ্যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচালার একাডেমির পরিচালক কবি পরাগ রিছিল, প্রেসক্লাব সভাপতি তোবারক হোসেন খোকন, সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ্ সহ সাংবাদিক, রাজনৈতিক, কবি, শিক্ষক, প্রভাষক স্থানীয় গন্যমান ব্যাক্তিগণ সহ স্কুল-কলেজের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। আলোচনা শেষে, কবি ও মানসিক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. ইমদাদুল হক তালুকদার, বাচিক শিল্পী আনোয়ারুল হক লাভলু ও বাচিক শিল্পী সৈয়দ ফয়সাল আহমেদকে নজরুল স্মারক সম্মাননা প্রদান করা হয়। আলোচনায় অতিথিরা বলেন, একটি সমাজের রূপরেখা বদলে দিতে পারে একটি সমৃদ্ধ পাঠাগার। জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখছে জলসিঁড়ি পাঠাগার।
পাঠকরা খুব সহজেই এই পাঠাগারে এসে সমসাময়িক বিষয়ে সম্যক ধারণা ও বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানচর্চা করতে পারছে। আজকের ছাত্ররাই আগামী দিনের জাতির কর্ণধার। পাঠাগারের বই-পুস্তক একজন শিক্ষার্থীকে স্বশিক্ষিত মানুষ তৈরিতে সহায়তা করে। তাই প্রতিটি গ্রামে-মহল্লায় জলসিড়ির মতো পাঠাগার গড়ে তোলা প্রয়োজন। প্রত্যন্ত গ্রামে দীপক সরকারের হাতে গড়ে ওঠা এই অধ্যায়ন কেন্দ্রটি, নতুন প্রজন্মের মাঝে কাজী নজরুল ইসলামের চেতনা ছড়িয়ে দিচ্ছে। গ্রামীণ জনপদের মানুষের মাঝে চেতনা জাগছে নজরুলকে জানার, বোঝার ও চর্চা করার। এই কাজে সহায়তা করতে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্গাপূজা পালনে সকল নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দুর্গাপুরে নজরুল সম্মাননা স্মারক পেলেন তিন গুণীজন

আপডেট সময় ০৪:২৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

‘‘পাঠে পাঠে আত্মজাগরণ’’ এই প্রতিপাদ্যে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের অংশগ্রহনে জলসিঁড়ি পাঠাগারের গ্রীষ্মকালীন অধ্যয়নসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিরিশিরি ইউনিয়নের গাভিনা গ্রামে নজরুল অধ্যয়ন কেন্দ্রে তিন গুণীজনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে। জলসিড়ি পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা দীপক সরকারের সঞ্চালনায়, সাংবাদিক নির্মলেন্দু সরকারের সভাপতিত্বে আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন, বিশিষ্ট শিক্ষাব্রতী অধ্যক্ষ শহীদুল্লাহ্ খান এবং কবি তানভির জাহান চৌধুরী। এছাড়া প্রকাশিত বই নিয়ে আলোচনা করেন অধ্যাপক হারাধণ সাহা, শিক্ষক শফিউল আলম স্বপন, কবি লোকান্ত শাওন। আবৃত্তি করেন শিল্পী ভট্রাচার্য, পুরবী সম্মানীত, কবি বিদ্যুৎ সরকার, কবি অনার্য শান্ত। এছাড়া অন্যদের মধ্যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচালার একাডেমির পরিচালক কবি পরাগ রিছিল, প্রেসক্লাব সভাপতি তোবারক হোসেন খোকন, সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ্ সহ সাংবাদিক, রাজনৈতিক, কবি, শিক্ষক, প্রভাষক স্থানীয় গন্যমান ব্যাক্তিগণ সহ স্কুল-কলেজের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। আলোচনা শেষে, কবি ও মানসিক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. ইমদাদুল হক তালুকদার, বাচিক শিল্পী আনোয়ারুল হক লাভলু ও বাচিক শিল্পী সৈয়দ ফয়সাল আহমেদকে নজরুল স্মারক সম্মাননা প্রদান করা হয়। আলোচনায় অতিথিরা বলেন, একটি সমাজের রূপরেখা বদলে দিতে পারে একটি সমৃদ্ধ পাঠাগার। জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখছে জলসিঁড়ি পাঠাগার।
পাঠকরা খুব সহজেই এই পাঠাগারে এসে সমসাময়িক বিষয়ে সম্যক ধারণা ও বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানচর্চা করতে পারছে। আজকের ছাত্ররাই আগামী দিনের জাতির কর্ণধার। পাঠাগারের বই-পুস্তক একজন শিক্ষার্থীকে স্বশিক্ষিত মানুষ তৈরিতে সহায়তা করে। তাই প্রতিটি গ্রামে-মহল্লায় জলসিড়ির মতো পাঠাগার গড়ে তোলা প্রয়োজন। প্রত্যন্ত গ্রামে দীপক সরকারের হাতে গড়ে ওঠা এই অধ্যায়ন কেন্দ্রটি, নতুন প্রজন্মের মাঝে কাজী নজরুল ইসলামের চেতনা ছড়িয়ে দিচ্ছে। গ্রামীণ জনপদের মানুষের মাঝে চেতনা জাগছে নজরুলকে জানার, বোঝার ও চর্চা করার। এই কাজে সহায়তা করতে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়।